সুলতানা বেগমের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত আছে নার্গিস। স্বামী পরিত্যক্তা নার্গিস জীবনে বহু ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। তার বেদনার্ত জীবনের কথা শুনে সুলতানা বেগম ভাবলেন, মেয়েদের শিক্ষা গ্রহণ ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া ছাড়া মুক্তি নেই। সেই লক্ষ্যে তিনি একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং বয়স্ক মহিলাদের জন্য একটি হাতের কাজ শেখানোর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। কয়েক বছরের মধ্যেই চমৎকার সাফল্য দেখতে পান।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৮৯০ সালে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন সৈয়দ আমির আলি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ব্রিটিশ সরকার নির্দিষ্ট দিনে সূর্যাস্তের পূর্বে রাজস্ব পরিশোধের যে বিধান প্রণয়ন করে, তা সূর্যাস্ত আইন নামে পরিচিত।
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থায় রাজস্ব কিস্তি নির্দিষ্ট দিনে সূর্যাস্তের পূর্বে পরিশোধ করতে হতো। কোনো জমিদার নির্দিষ্ট দিনে রাজস্ব দিতে ব্যর্থ হলে, তার জমি নিলামে বিক্রি করে রাজস্ব আদায় করা হতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সুলতানা বেগমের কাজের সাথে বিশ শতকের মহামনীষী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কাজের মিল রয়েছে।
বিশ শতকের শুরুতে বাঙালি মুসলিম মেয়েরা লেখাপড়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল'। সমাজে ধর্মের নামে তাদের পর্দার আড়ালে গৃহবন্দী করে রাখা হতো। মুসলমান মেয়েদের এই বন্দিদশা থেকে মুক্তির ডাক দিলেন, বেগম রোকেয়া। বেগম রোকেয়া এই মুসলিম নারী সমাজের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনে অনেক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন যা তৎকালীন ছিল অভাবনীয়। তিনি নারী সমাজের মুক্তির লক্ষ্যে ভাগলপুরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯১১ সালে কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন। এমনকি তিনি নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৬ সালে কলকাতায় আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি) প্রতিষ্ঠা করেন। এই সমিতি নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়। শুধু তাই নয়, বেগম রোকেয়া নারী সমাজের মুক্তির লক্ষ্যে অনেক সাহিত্য প্রবন্ধও রচনা করেছেন।
উদ্দীপকের সুলতানা বেগম তার গৃহকর্মী নার্গিসের বেদনার্ত জীবনের কথা শুনে ভাবলেন, মেয়েদের শিক্ষা গ্রহণ ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়া ছাড়া মুক্তি নেই। সেই লক্ষ্যে তিনি একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং মহিলাদের হাতের কাজ শেখানোর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, যা বেগম রোকেয়ার সংস্কারমূলক কাজের অনুরূপ। তাই বলা যায়, সুলতানা বেগমের কাজের সাথে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের কাজের মিল রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নার্গিসের মতো বঞ্চিত নারীদের কল্যাণে সুলতানা বেগমের মতো মহীয়সীদের প্রয়োজন যুগে যুগেই রয়েছে।
উদ্দীপকের সুলতানা বেগম মূলত বিশ শতকের মহামনীষী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনেরই প্রতিচ্ছবি। বিশ শতকের শুরুতে বাঙালি নারীরা ছিল শিক্ষা ও অধিকারবঞ্চিত। সমাজে ধর্মের নামে তাদের পর্দার আড়ালে গৃহবন্দী করে রাখা হতো। মেয়েদের এই বন্দিদশা থেকে বেগম রোকেয়া মুক্তির ডাক দেন। কিশোর বয়স থেকেই তিনি সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন। তার সাহিত্যচর্চার বিষয়বস্তুও ছিল নারী সমাজকে নিয়ে। সমাজের কুসংস্কার, নারী সমাজের অবহেলা-বঞ্চনার করুণ চিত্র তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। যা উপলব্ধি করেছেন, তাই তার লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। সমাজকে চোখে আঙুল দিয়ে নারীদের করুণ দশা দেখাতে চেয়েছেন, দেখাতে চেয়েছেন তাদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের নমুনা। তার 'অবরোধবাসিনী', 'মতিচুর', 'পদ্মরাগ', 'সুলতানার স্বপ্ন'- এসব গ্রন্থে সে চিত্র ফুটে উঠেছে।
নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য বেগম রোকেয়া সর্বদাই তার চেষ্টাকে অব্যাহত রেখেছেন। শুধু সাহিত্য কিংবা লেখনীর মাধ্যমে নয় তিনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্থাপনের মাধ্যমেও তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন। এ লক্ষ্যে তিনি ভাগলপুরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়, কোলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল এবং আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্যই ছিল নারী শিক্ষা, সচেতনতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
উপরের আলোচনা শেষে তাই বলা যায়, ঘুণে ধরা সমাজের পরিবর্তন ও অবহেলিত বঞ্চিত নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম রোকেয়ার মতো মহীয়সী নারীদের যুগে যুগে প্রয়োজন রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
131

বাংলার কৃষক একসময়ে সূর্য ওঠা ভোরে লাঙ্গল কাঁধে ছুটত তার ফসলের জমিতে । ফিরত অস্তগামী সূর্যকে সামনে রেখে । তার ঘরে অন্ন-বস্ত্রের প্রাচুর্য ছিল না, তবে অভাবও ছিল না । অভাব ছিল না আনন্দ-উৎসবের । বারো মাসে তেরো পার্বণ লেগেই থাকত। জারি, সারি, কীর্তন, যাত্রাপালা গানে জমে উঠত গ্রামবাংলার সন্ধ্যার আসর। কিন্তু, পনেরো শতকের শেষ দিকে ইউরোপীয় বণিক সম্প্রদায়ের আগ্রাসী আগমন ধীরে ধীরে কেড়ে নিতে থাকে বাংলার কৃষকের মুখের হাসি, তাদের আনন্দ-উৎসব । এরই চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ইংরেজ বণিকদের রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উত্থান ও প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ।

প্রথমে তারা ধ্বংস করেছিল গ্রামবাংলার কুটির শিল্প, তারপর তাদের নজর পড়ে এদেশের উর্বর জমির ওপর। অতিরিক্ত অর্থের লোভে ভূমি রাজস্ব আদায়ে একের পর এক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে থাকে । যে পরীক্ষার নিষ্ঠুর বলি হয় বাংলার কৃষক-সাধারণ মানুষ । এ কারণে বিদ্রোহ করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না তাদের। এ বিদ্রোহের সময়কাল ছিল আঠারো শতকের শেষার্ধ থেকে উনিশ শতকের শেষার্ধ পর্যন্ত। পরবর্তী পর্যায়ে কৃষক আন্দোলন ব্যাপক রূপ নেয়।

একই সঙ্গে পাশ্চাত্যের আধুনিক চিন্তার প্রভাব পড়ে এ সমাজের শিক্ষিত মহলে । ফলে, হিন্দু সমাজে যেমন শিল্প, সাহিত্যে নবজাগরণের সূত্রপাত ঘটে, তেমনি উদ্ভব ঘটে মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার। শুরু হয় কুসংস্কার, গোঁড়ামি দূর করে হিন্দুধর্মের সংস্কার। মুসলমান শিক্ষিত সমাজেও সংস্কারের মাধ্যমে তাদের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার চেষ্টা চলে।
মূলত আঠারো ও উনিশ শতক জুড়ে এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক ও রাজনীতিতে এক নতুন ভাবধারার উন্মেষ ঘটে। এই পরিবর্তনের প্রথম সূচনা করে বাংলার কৃষক ও সাধারণ মানুষ ।

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  • ইংরেজ শাসনামলে বাংলায় প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রেক্ষাপট এবং এর তাৎপর্য বিশ্লেষণ করতে পারব;
  • নবজাগরণ ও সংস্কার আন্দোলনে বিশেষ ব্যক্তিবর্গের অবদান মূল্যায়ন করতে পারব;
  • ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও প্রতিরোধ আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হব;
  • বিভিন্ন সংস্কারক ও সংস্কার কর্মকাণ্ড জানার মাধ্যমে মুক্তচিন্তায় অনুপ্রাণিত হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার ও অনৈসলামিক রীতিনীতি থেকে মুক্ত করাই ছিল ফরায়েজি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।
মূলত মক্কা থেকে দেশে ফিরে হাজী শরীয়তউল্লাহ বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানেরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে। মুসলমানদের মধ্যে অনৈসলামিক আচার-আচরণ, অনুষ্ঠান, অনাচার প্রবেশ করেছে। ইসলাম ধর্মকে এসব অনাচারমুক্ত করাই ছিল ফরায়েজি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
372
উত্তরঃ

উদ্দীপক সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলো আমার পাঠ্যপুস্তকের 'নীল বিদ্রোহের' কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
ব্রিটেনের নীলের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলার ইংরেজ বণিকগণ এদেশের কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করে। তারা কৃষকদের নীলচাষের জন্য অগ্রীম অর্থ গ্রহণে (দাদন) বাধ্য করত। আর একবার এ দাদন গ্রহণ করলে সুদ- আসলে কৃষকরা যতই ঋণ পরিশোধ করুক না কেন, বংশ পরম্পরায় কোনো দিনই ঋণ শেষ হতো না। নীলকরদের কাছ থেকে নীলচাষিদের প্রাপ্ত মূল্য উৎপাদন খরচের তুলনায় কম হওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হতো। অবশেষে নীলচাষিরা নীলকরদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। যশোরে এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব। তাছাড়াও হুগলী এবং নদিয়ার নীলচাষিরাও বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে আমরা দেখি যে, কৃষকদের প্রাপ্ত মূল্য উৎপাদন খরচের তুলনায় কম হওয়ায় তামাক চাষিরা কোম্পানির রাহুগ্রাস থেকে বের হতে না পেরে করিম ও জলিলের নেতৃত্বে প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। এ বিষয়গুলোর সাথে বাংলার নীল বিদ্রোহের মিল রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
477
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘটনাটি অর্থাৎ নীল বিদ্রোহ কৃষকদের স্বার্থরক্ষার জন্য অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত ছিল বলে আমি মনে করি।
ব্রিটিশ কোম্পানির লোকজন এদেশের কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করত এবং নানা ধরনের নির্যাতন, শোষণ ও অত্যাচার করত। শেষ পর্যন্ত দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া চাষিরা ১৮৫৯ সালে প্রচন্ড ক্ষোভে ফেটে পড়ে। যশোর হুগলী, নদীয়াতে বিদ্রোহের দাবানল জ্বলে ওঠে। কৃষকরা নীলচাষ না করার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেয়। অবশেষে বাংলার সংগ্রামী কৃষকদের জয় হয়।
১৮৬১ সালে ব্রিটিশ সরকার ইন্ডিগো কমিশন গঠন করে। এ কমিশনের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে নীলচাষকে কৃষকদের 'ইচ্ছাধীন' বলে ঘোষণা করা হয়। তাছাড়া নীলকর কর্তৃক আরোপিত 'ইন্ডিগো কন্ট্রাক্ট' বাতিল করা হয়। এর ফলে কৃষকরা তাদের স্বাধীনতা ফিরে পায়। তারা তাদের জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করার সুযোগ পায়। ফলে তারা জমিতে লাভজনক ফসল উৎপাদন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়।
উদ্দীপকের রূপপুর অঞ্চলের জনগণ তামাক চাষের কারণে কোম্পানির রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারে না। এ অবস্থায় তারা আন্দোলন গড়ে তোলে। আর এ আন্দোলনে নীল বিদ্রোহের প্রতিফলন দেখা যায়। বস্তুত ব্রিটিশদের কঠোর শাসনের যাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে বাঙালি চাষিদের যখন নাভিশ্বাস বইছে তখন তারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় নীল বিদ্রোহ করে। এ বিদ্রোহ ছিল তৎকালীন কৃষকদের স্বার্থরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ও শতভাগ যুক্তিযুক্ত।
তাই বলা যায়, নীল বিদ্রোহের মাধ্যমে বাংলার কৃষকদের স্বার্থরক্ষা হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
379
উত্তরঃ

'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' গঠনের উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের রাজনৈতিক স্বার্থরক্ষা।
সৈয়দ আমির আলি বিশ্বাস করতেন, মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা এবং তাদের দাবি দাওয়ার প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। এ উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৭ সালে কলকাতায় 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews