সূরা ফাতেহার বাংলা তরজমা লিখুন।

Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

বাংলা তরজমা :

১. সকল প্রশংসা শুধু আল্লাহর জন্য, যিনি সারা জাহানের রব,
২. তিনি মেহেরবান ও দয়ালু,
৩. বিচার দিনের মালিক,
৪. আমরা (একমাত্র) তোমারই ইবাদত করি আর (শুধু) তোমারই নিকট সাহায্য চাই,
৫. আমাদেরকে সরল-সঠিক পথ দেখাও,
৬. ঐসব লোকের পথ, যাদেরকে তুমি অনুগ্রহ দান করেছো,
৭. তাদের পথ নয় যাদের ওপর আপনার ক্রোধ নিপতিত এবং পথভ্রষ্ট।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
96

Related Question

View All
উত্তরঃ

আয়াতটিতে শিরক যে একটি বড় গুনাহ তা অকাট্য ভাষায় ব্যক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহ। আল্লাহ তায়ালা বলেন: “নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে কাউকে শরীক করার গুনাহ মাফ করেন না। এছাড়া অন্য যে-কোনো গুনাহ যাকে ইচ্ছা মাফ করেন।" (সূরা আন নিসা)

'যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে, আল্লাহ তার ওপর জান্নাত হারাম করে দেবেন এবং তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।' (সূরা আল মায়েদা) এ বিষয়ে আরো বহু আয়াত রয়েছে।

বস্তুত, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কাউকে বা কোনো বস্তুকে শরীক করবে এবং সেই অবস্থায় মারা যাবে, সে নির্ঘাত জাহান্নামে যাবে, অপরদিকে কেউ আল্লাহর প্রতি ঈমান আনলে এবং ঈমানদার অবস্থায় মারা গেলে জান্নাতবাসী হবে, সে জাহান্নামে যতই আযাব ভোগ করুক না কেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাত কামনা করে, তার সৎ কাজ করা উচিত এবং নিজ প্রতিপালকের ইবাদতে আর কাউকে শরীক করা উচিত নয়।”

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
119
উত্তরঃ

ঈমান ও ইসলামের মধ্যে রয়েছে গভীর ও অবিচ্ছিন্ন সম্পর্ক বিদ্যমান। নিম্নে ঈমান ও ইসলামের সম্পর্ক আলোচনা করা হলো:

ক. আভিধানিক সম্পর্ক: 'ঈমান' শব্দের আভিধানিক অর্থ বিশ্বাস স্থাপন, আস্থা জ্ঞাপন ইত্যাদি। আর ইসলামের আভিধানিক অর্থ আনুগত্য করা, আত্মসমর্পণ করা, শান্তির পথে চলা ইত্যাদি।

খ. পারিভাষিক সম্পর্ক: ঈমানের পরিভাষিক অর্থ ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোকে অন্তরে বিশ্বাস করা, মুখে স্বীকার করে নেওয়া এবং সে অনুসারে আমল করা। অন্যদিকে ইসলামের পারিভাষিক অর্থ নির্দ্বিধায় ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো মেনে নিয়ে সে অনুযায়ী জীবনযাপন করা।

গ. একে অপরের পরিপূরক: ঈমান হচ্ছে আন্তরিক বিশ্বাস। আন্তরিকভাবে আল্লাহর প্রতি ঈমান না আনলে বাহ্যিক আচার-অনুষ্ঠানের কোনো মূল্য নেই। আবার শুধু ঈমান এনে তদনুযায়ী কাজ না করলে তাও অর্থহীন। সুতরাং ঈমান ও ইসলাম একটি অপরটির পরিপূরক।

ঘ. আগুন ও ধোঁয়ার সম্পর্ক: ঈমানকে আগুনের সাথে তুলনা করলে ইসলাম হবে ধোঁয়া। আগুন ব্যতীত ধোঁয়ার যেমন অস্তিত্ব নেই, তেমনি ঈমান ব্যতীত ইসলামের অস্তিত্বও কল্পনা করা যায় না।

ঙ. ঈমান ইসলামের ভিত্তি: ঈমান হচ্ছে ইসলামি জীবনব্যবস্থার ভিত্তিপ্রস্তর। এর ওপরই ইসলামের গোটা ইমারত গড়ে ওঠে।

চ. ঈমান যৌগিক বিষয় এবং ইসলাম একক বিষয়: একজন ব্যক্তিকে মুমিন হতে হলে আন্তরিক বিশ্বাস, মৌখিক স্বীকৃতি এবং আমল বা কাজে বাস্তবায়ন- এ তিনটি বিষয়ের প্রয়োজন। সুতরাং ঈমান তিনটি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগিক বিষয়। আর যেহেতু বান্দার বাহ্যিক আচরণ বা বাহ্যিকভাবে ইসলামের বিধিবিধান মেনে চলার নাম ইসলাম, তাই ইসলাম একক বিষয়। সুতরাং ইসলামের প্রতি বাহ্যিক আনুগত্য পাওয়া গেলে সে মুসলিম হিসেবেই বিবেচিত হবে। অন্তরে যা-ই থাকুক না কেন।

ছ. বৃক্ষের মূল ও শাখা সদৃশ : মূলের সাথে কাণ্ড, শাখা-প্রশাখার যে সম্পর্ক ঈমানের সাথে ইসলামের সেরকম সম্পর্ক। গাছের মূল মাটি থেকে খাদ্যরস গ্রহণ করে গাছকে যেমন সতেজ করে ঈমান তেমনি ইসলামি জীবন উজ্জীবিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
100
উত্তরঃ

মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে শুধু সৃষ্টিই করেননি বরং তাদের রিজিকের দায়িত্বও নিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁর মুমিন বান্দাদের রিজিকের ব্যবস্থা করার জন্য ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম। কেননা ব্যবসা হলো জীবিকা নির্বাহের অন্যতম হালাল হাতিয়ার আর সুদ হলো শোষণের হাতিয়ার। সুদ মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য তৈরি করে। সুদ গরিবকে আরও গরিব বানায় এবং ধনীকে বানায় আরো ধনী। পবিত্র কুরআনের সূরা বাকারার ২৭৫নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সুদকে হারাম আর ব্যবসাকে হালাল ঘোষণা করে সুদকে পরিত্যাগ করার নির্দেশ দান করেছেন।

সুদের পরিচয় : 'সুদ' শব্দটির আরবি প্রতিশব্দ 'রিবা'। ‘রিবা’ শব্দের অর্থ বেশি হওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া, বিকাশ ঘটা, অতিরিক্ত হওয়া, বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি। এখানে বৃদ্ধি দ্বারা সকল প্রকার বৃদ্ধি উদ্দেশ্য নয় বরং বিশেষ বৃদ্ধিকে বোঝানো হয়েছে। সুদ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Interest |

সুদের নিষিদ্ধতা: ইসলাম কুরআনী ঘোষণা ও রসুলের সুন্নাতের মাধ্যমে ব্যবসা করার ওপর খুব বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছে এবং তা করার জন্য বলিষ্ঠ আহ্বান জানিয়েছে। এ উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরের জন্যও উৎসাহ দিয়েছে। উপরন্তু ব্যবসায়ের জন্য যারা বিদেশ সফর করে তাদের উল্লেখ করা হয়েছে আল্লাহর পথে জিহাদকারী লোকদের সাথে। বলা হয়েছে "কিছু লোক আল্লাহর অনুগ্রহের সন্ধানে বিদেশ সফর করবে এবং অপর কিছু লোক আল্লাহর পথে জিহাদ করবে।” (মুজাম্মিল: ২০)

রসুলে করীম (স) ব্যবসায়ীদের মুজাহিদ ও আল্লাহর পথে শাহাদতবরণকারীদের সমান মর্যাদায় উল্লেখ করেছেন। জিহাদ শুধু যুদ্ধের ময়দানেই অনুষ্ঠিত হয় না, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এই জিহাদ অবশ্যম্ভাবী। রসুলে করীম (স) ওয়াদা করেছেন, ব্যবসায়ীরা আল্লাহর কাছে এ উচ্চ মর্যাদা লাভ করবে এবং পরকালে তাদের জন্য থাকবে অশেষ সওয়াব। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে প্রায়ই লোেভ ও লালসার দাসত্ব হতে দেখা যায়। যে-কোনো উপায়ে মুনাফা লুণ্ঠনের প্রবণতা খুবই প্রকট হয়ে থাকে এক্ষেত্রে। কিন্তু যে ব্যবসায়ী সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও বিশ্বস্ততা রক্ষা করে সে জিহাদকারী ব্যক্তি।

ব্যবসায়ের ধর্ম হচ্ছে, তা মানুষকে ধন-দৌলতের স্তূপে ডুবিয়ে দেয়। যে দিন-রাত মূলধন ও মুনাফার হিসাব করতেই নিমগ্ন থাকে। ব্যবসার ব্যাপারে আমাদের পথ-প্রদর্শনের জন্য রসুলে করীম (স)-এর কর্মনীতিই যথেষ্ট। তিনি যেমন আধ্যাত্মিক দিকের প্রতি পূর্ণ মাত্রায় গুরুত্বারোপ করেছেন তেমনি জীবিকা অর্জনের প্রতিও তাগিদ দিয়েছেন। পক্ষান্তরে, ইসলামি আইনে সুদ পুরোপুরি নিষিদ্ধ, কারণ শরীয়াহ অর্থকে পণ্য মনে করে না, যা ব্যবহারের উপর মূল্য ধার্য হতে পারে। কোনো আর্থিক লেনদেন থেকে মুনাফা অর্জনকে ইসলাম অনুমতি দেয় না। ইসলাম মনে করে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের তুলনায় সুদের ভিত্তিতে আহরিত সম্পদ অত্যন্ত স্বার্থপরতার পরিচায়ক। ঋণ প্রদানের শর্তে কোনো উপহার, সেবা, অগ্রিম অর্থ বা মেয়াদান্তে যা কিছু প্রাপ্য তা স্থির হোক বা পরিবর্তনশীল হোক যা কিছু নির্ধারিত করা হবে তাই সুদ হিসেবে গণ্য। 'রিবা' চক্র বৃদ্ধি সুদ, সরল সুদ নয়। এ ধরনের কথা বলে চালিয়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সুদের নিরঙ্কুশ অবৈধতা ঘোষণার মাধ্যমে কুরআন ও সুন্নাহ এমন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলন করার নির্দেশ দেয় যেখানে সবরকম লোভ তিরোহিত হবে। অর্থ সরবরাহকারী ও উদ্যোক্তার মধ্যে সাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই সুদকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত সুদের ধারণা ও সংজ্ঞায় কোনো দ্বন্দ্ব সন্দেহের অবকাশ নেই। অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় কুরআনে ঘোষণা করা হয়েছে। 'হে বিশ্বাসীগণ! আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের অবশিষ্ট অংশ তোমরা পরিত্যাগ করো যদি তোমরা ঈমানদার হও।' (বাকারা ২: ২৭৮)

অন্যত্র বলা হয়েছে, 'আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম।' (বাকারা ২: ২৭৫)

পরিশেষে বলা যায়, সুদকে আল্লাহ তায়ালা হারাম ঘোষণা করেছেন। সুদের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কুফল অনেক। এসব থেকে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সর্বপ্রকার সুদকে বর্জন করে হালালভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করা ইহকাল এবং পরকালের জন্য অবশ্যই কল্যাণকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
267
উত্তরঃ

হাদিস গ্রন্থগুলোর নাম: ১. সহীহ আল বুখারী, ২. সহীহ আল মুসলিম, ৩. জামিউত তিরমিযী, ৪. সুনানে আবু দাউদ, ৫. সুনানে ইবনে নাসায়ী, ৬. সুনানে ইবনে মাজাহ।

হাদিস: একবার রসুল (স) বললেন, 'সে মুমীন নয়। সে মুমীন নয়।' সবাই জিজ্ঞাসা করল, হে আল্লাহর রসুল! কে? রসুল (স) বললেন, ‘যার প্রতিবেশী তার অনিষ্টকর কাজ থেকে নিরাপদ নয়।’

ব্যাখ্যা: প্রতিবেশী তিন রকম। প্রথম মুসলিম আত্মীয় প্রতিবেশী। এ ধরনের প্রতিবেশী তিনটি অধিকার পায়। একটি আত্মীয় হিসেবে, একটি মুসলমান হিসেবে এবং একটি প্রতিবেশী হিসেবে। দ্বিতীয় মুসলিম অনাত্মীয় প্রতিবেশী। এ প্রতিবেশী দুটি অধিকার পাবে : একটি প্রতিবেশী হিসেবে ও একটি মুসলমান হিসেবে। তৃতীয় অমুসলিম প্রতিবেশী। এ ধরনের প্রতিবেশী স্রেফ প্রতিবেশীত্বের অধিকার পাবে।

রসুল (স) বলেছেন, যে ব্যক্তি তৃপ্তি সহকারে আহার করে অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে, সে মুসলমান নয়। রসুল (স) আরো বলেছেন: জিবরাইল (আ) আমাকে প্রতিবেশী সম্পর্কে এত সতর্ক করে যে, কখনো কখনো ভাবি, প্রতিবেশীকে হয়তো আমার উত্তরাধিকারী বানানো হবে। (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে ইবনে মাজা) রসুল (স) আরো বলেছেন, দরিদ্র প্রতিবেশী কিয়ামতের দিন ধনী প্রতিবেশীকে জাপটে ধরে বলবে: 'হে প্রভু! আমার এই ভাইকে তুমি সচ্ছল বানিয়েছিলে এবং সে আমার নিকটেই থাকতো, কিন্তু আমি ভুখা থাকতাম আর সে পেটপুরে খেত। ওকে জিজ্ঞাসা কর, কেন আমার ওপর দরজা বন্ধ করে রাখতো এবং আমাকে বঞ্চিত করতো।' রসুল (স) বলেন, তিনটি গুনাহ সবচেয়ে ভয়াবহ-'আল্লাহর সাথে শিরক করা, সন্তানকে অভাবের ভয়ে হত্যা করা এবং প্রতিবেশীর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করা।' (সহীহ আল বুখারী, সহীহ মুসলিম, সুনানে নাসায়ী, জামে তিরমিযী)।

সুতরাং এ বিষয়ে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে যে, আমার কোনো প্রতিবেশীই যেন ভুখা না থাকে, অভাবে কষ্ট না পায়, তার সম্মানের হানি না হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
93
উত্তরঃ

ইসলাম যে পাঁচটি মূল ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলোর মধ্যে যাকাত একটি অন্যতম স্তম্ভ। যাকাত একটি আর্থিক ইবাদত। যাকাত দেওয়ার মাধ্যমে সম্পদ বৃদ্ধি পায় এবং পবিত্র হয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণে, দারিদ্র্য নিরসনে যাকাতের ভূমিকা অপরিসীম। যাকাত সবার ওপর ফরজ নয় বরং শর্ত সাপেক্ষে তা ধনী মুসলমানদের উপর ফরজ হয়ে থাকে। নিম্নে যাকাতের পরিচয়সহ এর ব্যয়ের খাতগুলো বর্ণনা করা হলো :

যাকাতের আভিধানিক অর্থ: যাকাত আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ১. বৃদ্ধি পাওয়া; ২. পবিত্র করা বা হওয়া; ৩. প্রাচুর্য; ৪. প্রশংসা ইত্যাদি।

যাকাতের পারিভাষিক অর্থ: ইসলামি শরীয়তের পরিভাষায় যাকাত হলো আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে বিনা স্বার্থে শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত মালের নির্দিষ্ট অংশ কোনো মুসলিম দরিদ্রকে প্রদান করা। ইবনে কুদামা বলেন- এটা এমন অধিকার যা সম্পদের ওপর ধার্য করা হয়। মোটকথা, নিসাব পরিমাণ সম্পদ কোনো ব্যক্তির কাছে পূর্ণ একবছর থাকলে তাকে শরীয়ত কর্তৃক যে নির্ধারিত অংশ গরিব মুসলমানদের প্রদান করতে হয়, তা-ই যাকাত।

যাকাত ব্যয়ের খাতসমূহ : যাকাত ব্যয়ের ৮টি খাত পবিত্র কুরআনের সূরা তাওবায় বর্ণিত হয়েছে। যাকাতের সেই ৮টি খাত নিম্নে তুলে ধরা হলো:

১. ফকির: ফকির বলা হয় এমন ব্যক্তিকে যার সামান্য সম্পদ থাকে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় নগণ্য।
২. মিসকিন : মিসকিন হলো এমন ব্যক্তি যার কোনো সম্পদ নেই, একেবারে নিঃস্ব।
৩. যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী : যারা যাকাত আদায় করার জন্য রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক নিয়োজিত আছেন তাদেরকেও যাকাত প্রদান করা যাবে।
৪. যাদের মন জয় করা আবশ্যক: এ ধরনের লোকদের মধ্যে নওমুসলিম অন্যতম। তাদের মন জয় করার জন্য যাকাত প্রদান করা যাবে।
৫. দাসমুক্তির জন্য : কোনো ক্রীতদাসকে মুক্ত করার জন্য যাকাত দেওয়া যাবে।
৬. ঋণ মুক্তির জন্য: ঋণী ব্যক্তিকে তার ঋণ পরিশোধের জন্য যাকাতের অর্থ প্রদান করা যাবে।
৭. আল্লাহর রাস্তায় : অর্থাৎ আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধের জন্য মুজাহিদদের সাহায্য-সহযোগিতার জন্য যাকাত প্রদান করা যাবে।
৮. নিঃস্ব মুসাফির : সফরে এসে কোনো মুসাফির নিঃস্ব হলে তাকেও যাকাতের অর্থ প্রদান করা যাবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
6 months ago
146
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews