Related Question
View All'সূর্যদীঘল বাড়ি' এর রচয়িতা আবু ইসহাক ।
'সূর্যদীঘল বাড়ী' উপন্যাসের রচয়িতা আবু ইসহাক।
সূর্য দীঘল বাড়ী (১৯৫৫): এটি প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। তিনি ১৯৪৬ সালে, মাত্র একুশ বছর বয়সে এটি রচনা করেন কিন্তু প্রকাশ করা হয় ১৯৫৫ সালে। পঞ্চাশের মন্বন্তর, দেশ বিভাগ, স্বাধীনতার আনন্দ ও বেদনাসহ বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এ উপন্যাস।
বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ (পঞ্চাশের মন্বন্তর), সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের বিশ্বস্ত দলিল সূর্য দীঘল বাড়ী। স্বামী পরিত্যক্তা জয়গুনের দু-সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু। দুর্ভিক্ষ-পীড়িত জয়গুন অন্নের সন্ধানে প্রথমে গ্রাম ছেড়ে শহরে যায়, কিন্তু নগরজীবনের নিঃস্ব, তিক্ত ও পঙ্কিল অবস্থায় টিকতে না পেরে আবার স্বগ্রামে ফিরে আসে। কিন্তু সমাজপতিদের ধর্মান্ধতা ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে প্রতিকারহীন নির্যাতন ও দুর্দশার মধ্যে পড়ে। লেখক দেখিয়েছেন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামের শ্রমজীবী মানুষের আর্থিক পরিবর্তন আনতে পারেনি। দুর্ভোগ বেড়েছে। এ উপন্যাসটিকে চলচ্চিত্রে রূপদান করেন শেখ নিয়ামত আলী ও মসীহউদ্দিন শাকের (১৯৭৯) সালে।
গ্রামে সাধারণত বাড়ি বানানো হয় উত্তর-দক্ষিণ করে। কিন্তু এই বাড়িটি পূর্ব-পশ্চিমে। এ কারণে বাড়িটি পরিচিতি লাভ করে সূর্যদীঘল বাড়ি রূপে। অন্যভাবে, সূর্যদীঘল বাড়ি বলতে ঐ বাড়িকে বোঝায়, যে বাড়িতে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত একটানা সূর্য রশ্মি পতিত হয়। উপন্যাসে সূর্যদীঘল বাড়ি বলতে এমন একশ্রেণির মানুষের কথা বলা হয়েছে, যাদের জীবনের টানাপোড়েন বারোমাস একইরকম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
