যে বাজারে প্রাথমিক ইস্যুকৃত শেয়ার, বন্ড ইত্যাদি পরবর্তীতে কেনা-বেচা করা হয় তাকে মাধ্যমিক বা সেকেন্ডারি বাজার বলে।
সেকেন্ডারি বাজারে শেয়ারের মূল্য সর্বদা ওঠা-নামা করে। আর এ কারণে এ বাজারে বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তবে শেয়ার বা বন্ডের নগদায়নে এ বাজার বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ বাজারে ব্রোকার, ডিলার, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানও বিনিয়োগকারী হিসেবে অংশগ্রহণ করে।
কোম্পানি কর্তৃক ইস্যুকৃত শেয়ার, বন্ড ও ডিবেঞ্চার বিনিয়োগকারীদের জন্য একেকটি বিনিয়োগ হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হয়। বিনিয়োগের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত এসব বিনিয়োগ হাতিয়ারের প্রত্যেকটির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য, সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে। এসব বিনিয়োগ হাতিয়ার থেকে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত আয় এবং ঝুঁকিতে ভিন্নতা থাকে। ফলে একজন বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে প্রত্যেকটি বিনিয়োগ হাতিয়ারের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত জানা দরকার। এ অধ্যায়ে আমরা বিনিয়োগকারীর দৃষ্টিকোণ থেকে এসব বিনিয়োগ হাতিয়ার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
- শেয়ার, বন্ড ও ডিবেঞ্চারের ধারণা বর্ণনা করতে পারব।
- বিভিন্ন প্রকারের শেয়ারের শ্রেণিবিভাগ করতে পারব।
- বিভিন্ন প্রকার শেয়ারের তুলনামূলক পার্থক্য নির্ণয় করতে পারব।
- বন্ড ও ডিবেঞ্চারের পার্থক্য বর্ণনা করতে পারব
- লভ্যাংশনীতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
Related Question
View Allযে নীতি অনুযায়ী লাভ বা মুনাফার অংশ শেয়ার মালিকদের মধ্যে বণ্টন করা হয় তাকে লভ্যাংশ নীতি বলে। সব কোম্পানিকে প্রতিবছর লভ্যাংশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!