যুক্তরাজ্যের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রেখে বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক যে বৈচিত্র্যতা পরিলক্ষিত হয় তার প্রকৃত কারণ অনুধাবন ও ব্যাখ্যা করার জন্য মানব ভূগোলের ক্ষেত্র বৃদ্ধি পায়।
মানব ভূগোলের ক্ষেত্রা সারা বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান। পৃথিবীর সব জায়গায় একই ধরনের ভৌগোলিক অবস্থা বিদ্যমান থাকে না। যার ফলে বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদের তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। মানুষের যাবতীয় কর্মকাণ্ড প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রেখে বিভিন্ন অঞ্চলভিত্তিক যে বৈচিত্র্যতা পরিলক্ষিত হয় তার প্রকৃত কারণ অনুধাবন ও ব্যাখ্যা করার জন্য মানব ভূগোলের ক্ষেত্রকে ব্যাপকতর করে।
উদ্দীপকে সেলিম ও শাহিনের গমনকৃত দেশটি হলো যুক্তরাজ্য।
প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অপ্রতুলতা থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাজ্যের শিল্পগুলো অনেক উন্নত। এর মূল কারণ হলো পর্যাপ্ত মূলধন, অনুকূল জলবায়ু, কয়লা ও পানিবিদ্যুৎ, বিপুল দক্ষ শ্রমিক, উন্নত কারিগরি জ্ঞান, উন্নত প্রযুক্তি, উন্নত পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। শিল্প গড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ থাকায় যুক্তরাজ্যে লৌহ ও ইস্পাত শিল্প, কার্পাস বয়নশিল্প, পাট বয়নশিল্প, লিনেন বয়নশিল্প প্রভৃতি শিল্প গড়ে উঠেছে। শিল্পের যন্ত্রপাতি, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা, দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন শ্রমিক এবং উপর্যুক্ত সুবিধাদি -পর্যাপ্ত থাকায় বিভিন্ন দেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করে সেলিম ও শাহিনের গমনকৃত দেশ যুক্তরাজ্য শিল্পে সমৃদ্ধি লাভ করেছে।
উদ্দীপকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থাৎ জলপথের বাণিজ্যিক কার্য পরিচালনার জন্য যুক্তরাজ্যের বন্দরগুলো ব্যবহার করা হয় বলে যুক্তরাজ্যকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়।
যুক্তরাজ্যের লন্ডন টেমস নদীর তীরে অবস্থিত পৃথিবীর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ নগর ও বাণিজ্য কেন্দ্র। এছাড়াও রয়েছে লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ও ব্রিস্টল সমুদ্রবন্দর। এসব বন্দরের সাথে পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের জলপথের যোগাযোগ রয়েছে।
বিশ্বের সাথে বাণিজ্যের জন্য অনুকূল পরিবেশ যুক্তরাজ্যে রয়েছে। পরিবহনব্যবস্থা অর্থাৎ বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশেরই যুক্তরাজ্যের সাথে জলপথে যোগাযোগ রয়েছে। বিখ্যাত সুয়েজ খাল দিয়ে অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো যুক্তরাজ্যের সাথে বাণিজ্য করছে। উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকার সাথে জলপথে লন্ডন সমুদ্রবন্দরের যোগাযোগ রয়েছে যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে অনুকূল পরিবেশ।
পরিশেষে বলা যায়, জলপথের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রায় সব ধরনের কর্মকাণ্ড অর্থাৎ এক মহাদেশের সাথে অন্য মহাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনার জন্য যুক্তরাজ্যের বন্দরগুলো ব্যবহার করা
Related Question
View Allবাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭.৫৭০ বর্গ কি.মি.।
যেসব অঞ্চল দিয়ে ক্রান্তীয় রেখা অতিক্রম করেছে তাকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ বলে।
বাংলাদেশের উপর দিয়ে ২৩.৫° কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাই বাংলাদেশকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ বলে।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো-যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ও সর্ববৃহৎ অংশ উত্তরে কানাডার সীমানা হতে দক্ষিণে মেক্সিকো এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরের তীর হতে পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের তীর পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ অংশটি ২৫° উত্তর হতে ৪৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত।
আবার আলাস্কার অংশটি বেরিং সাগর ( পশ্চিম দ্রাঘিমা) হতেপশ্চিম দ্রাঘিমা পর্যন্ত এবং উত্তর অক্ষাংশ হতে দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। অন্যদিকে হাওয়াই পূর্ব-পশ্চিমে পশ্চিম দ্রাঘিমা এবং উত্তর-দক্ষিণে হতে উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। দেশটির মোট আয়তন ৯৮,২৬,৬৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশ দুটি হলো যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। উভয় দেশের শাসনব্যবস্থার মধ্যে কিছু পার্থক্য বিরাজ করে। নিচে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের শাসন-ব্যবস্থার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা 'হলো :
যুক্তরাষ্ট্রে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। রাষ্ট্রীয় নাম ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা। আইনসভা দ্বিকক্ষিক। নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং এর সদস্যসংখ্যা ৪৩৫। উচ্চকক্ষ হচ্ছে সিনেট এবং এর সদস্যসংখ্যা ১০০। ভোট প্রদানের যোগ্যতা অর্জনের বয়স ১৮ বছর। ১৭৮৭সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং ১৭৮৯ সালের ৪ মার্চ থেকে এটি কার্যকর করা হয়। সুপ্রিমকোর্ট দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়। এর কেন্দ্রীয় আইনসভার নাম কংগ্রেস।অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য প্রকৃত বিচারে সংসদীয় গণতন্ত্রব্যবস্থা বিদ্যমান। এর আইনসভার নাম পার্লামেন্ট। আইনসভা দুই স্তরবিশিষ্ট। নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্স যার সদস্যসংখ্যা ৬৫০, সকলেই নির্বাচিত। উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডস। যুক্তরাজ্যে সংবিধান সময়ের ব্যবধানে কিছু কিছু লিখিত হলেও অধিকাংশই প্রচলিত নীতি ও প্রথানির্ভর।
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশের নাম হলো অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ।
যে সমস্ত রাজনৈতিক অঞ্চলের কেবল নামীয় পরিচিতি রয়েছে সেগুলোকে নামীয় অঞ্চল বলে।
মহাদেশ ও মহাদেশের অংশবিশেষ নামীয় অঞ্চলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
যেমন- এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, ইউরেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি এলাকাও নামীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। নামীয় অঞ্চলের সীমানা সুনির্দিষ্ট নয় এবং এসব অঞ্চলের একক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রও থাকে না; যেমন- এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকার কোনো রাজধানী নেই। তাই বলা যায় নামীয় অঞ্চলের সীমানা সুনির্দিষ্ট নয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!