সোনালি খড়ের স্তূপে বসতে গিয়ে প্রত্যাগত পুরুষ সে-জন
কী মুস্কিল দেখলো যে নগরের নিভাঁজ পোশাক

খামছে ধরেছে হাঁটু। উরতের পেশী থেকে সোজা

অতদূর কোমর অবধি

সম্পূর্ণ যুবক যেনো বন্দী হয়ে আছে এক নির্মম সেলাইয়ে।

যা কিনা এখন তাকে স্বজনের সাহচর্য, আর

দেশের মাটির বুকে, অনায়াসে

বসতেই দেবে না।
তোমাকে বসতে হবে এখানেই,
এই ঠান্ডা ধানের বাতাসে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

কবিতায় যাদের সাথে কবির শহরে যাওয়ার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখের কথা বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত চরণে কবির ট্রেন ধরতে না পারার হতাশাগ্রস্ত মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।
কবি শহরমুখী ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনের দিকে ছুটে যান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পৌছাতে ব্যর্থ হন। কবিকে স্টেশনে রেখে ট্রেন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যের দিকে ছুটে যায়। কবি হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সে দৃশ্য দেখেন। এই দৃশ্যের অসহ্য যন্ত্রণা কবিকে বিদ্ধ করেছে। কবিকে রেখেই ট্রেন' হুইল বাজিয়ে শহর অভিমুখে তাঁর সহযাত্রীদের নিয়ে নির্দয়ভাবে চলেছে। এই হতাশাব্যঞ্জক অভিব্যক্তিই কবি ফুটিয়ে তুলেছেন আলোচ্য চরণে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'প্রত্যাগত পুরুষের' সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার প্রত্যাবর্তিতের অনুভূতিগত দিক থেকে বৈসাদৃশ্য লক্ষণীয়।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরমুখী হতে চেয়েও ব্যর্থ হন। স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে না পেরে তিনি হতাশা ও পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে নিজ গ্রামেই ফিরে আসেন। ফিরতি পথে গ্রামের পরিচিত পরিবেশের অনুষঙ্গগুলো তাঁর কাছে নেতিবাচক ও হতাশাব্যঞ্জক মনে হয়। তবে গ্রামে ফিরে এলে মায়ের স্নেহ-মমতা তাঁর সেই গ্লানি দূর করে দেয়। কবির প্রত্যাবর্তন তাঁর মাকে আনন্দিত করে। গ্রামীণ পরিবেশে মায়ের স্নেহ-মমতা কবির শহরে যেতে না পারার হতাশা ভুলিয়ে দেয়, তাঁর ব্যর্থতার ভার মুক্ত করে। অর্থাৎ কবি-তাঁর প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে মুছে ফেলেছেন মায়ের আশ্রয়ে।
উদ্দীপকের শহর প্রবাসী পুরুষ গ্রামে প্রত্যাবর্তন করলে সেখানকার পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ হয়। প্রত্যাবর্তিত ব্যক্তি সমস্যা ও বিড়ম্বনায় পতিত হয়। নগরের নিভাঁজ পোশাক পরে সে কিছুতেই সোনালি খড়ের স্তূপে বসতে পারে না। উরু থেকে কোমর অবধি নির্মম সেলাইয়ের ভিতর সে যেন বন্দি হয়ে আছে। এমনকি আত্মীয়স্বজনের সাহচর্যেও সে সহজভাবে বসতে পারছে না। অন্যদিকে, 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার প্রত্যাবর্তিতের পরিস্থিতি ঠিক বিপরীত। গ্রামের পরিবেশের সঙ্গে সে সহজেই নিজেকে মানিয়ে নেয়। এমনকি শেষ ট্রেন ধরতে না পেরে বাসায় ফিরে এলেও সে সহজ-স্বাভাবিক হয়ে উঠতে পারে। এদিক থেকে উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
উত্তরঃ

গ্রামে ফিরে একাত্মতা প্রতিষ্ঠার ভাবনা প্রস্ফুটিত হওয়ায় উদ্দীপকের শেষ দুই চরণ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য পূর্ণরূপে ধারণ করেছে।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরমুখী যাত্রায় ব্যর্থ হয়ে গ্রামে ফিরে যান। ফিরতি পথে গ্রামের পারিপার্শ্বিক অনুষঙ্গগুলো তাঁর মনে নেতিবাচক ও হতাশাব্যঞ্জক অনুভূতি জাগ্রত করে। তাঁর কাছে লাল সূর্যকে নির্লজ্জ মনে হয়, রোদকে পরাজিত মনে হয়, গ্রামকে বিশৃঙ্খল ছড়ানো-ছিটানো মনে হয়। তারপরও তিনি গ্রামে ফিরে আসেন এবং গ্রামীণ পরিবেশে মায়ের কাছে আশ্রয় নেন। মায়ের স্নেহ-মমতা কবির শহরে যেতে না পারার গ্লানি-হতাশা ভুলিয়ে গ্রামীণ পরিবেশে আপন করে নেয়। গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে তিনি সক্ষম হন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, শহর থেকে ফিরে আসা যুবক গ্রামীণ পরিবেশে অস্বস্তি বোধ করে। ভাঁজহীন পরিপাটি পোশাক পরে সে কিছুতেই পরিচিতজনের পাশে আন্তরিকভাবে বসতে পারে না। বসতে পারে না খড়ের গম্বুজ কিংবা মাটিতে। গ্রামীণ পরিবেশের সাথে তার সম্পর্ক যেন বিচ্ছেদ হয়েছে। এই পরিবেশে সে একাত্মতা জ্ঞাপন করতে পারে না।

উদ্দীপকের শেষ দুই চরণে গ্রামের পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার অনুপ্রেরণা দেওয়া হয়েছে। কারণ গ্রামের পরিবেশের সঙ্গে একাত্ম না হলে আত্মপরিচয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। গ্রামই হলো এই যুবকের প্রকৃত উৎস। অন্যদিকে, 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায়ও গ্রামের সৌন্দর্য ও গ্রামের সঙ্গে প্রত্যাবর্তিতের নাড়ির সম্পর্কের দিকটি গুরুত্ব পেয়েছে। কবিতায় ট্রেন ধরতে না পারা প্রত্যাগতের অনুভূতিতে জেগে থাকে তার মা, মাটি ও স্বজন। উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকের শেষ দুই চরণ 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য পূর্ণরূপে ধারণ করতে পেরেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
106

শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছুটতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি

নীলবর্ণ আলোর সংকেত।

 হতাশার মতোন হঠাৎ দারুন হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। 

যাদের সাথে, শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখ জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে। হাত নেড়ে সান্ত্বনা দিচ্ছে।

আসার সময় আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, গোছাতে গোছাতেই

তোর সময় বয়ে যাবে, তুই আবার গাড়ি পাবি। 

আম্মা বলছিলেন, আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক

কত রাত তো অমনি থাকিস।

আমার ঘুম পেলো। এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।

অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না। ফরহাদ

আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। 

লাইলী মালপত্র তুলে দিয়ে আগেই চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়।

 নাহার কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত যেতে পারে না। আর আমি এদের ভাই

সাত মাইল হেঁটে শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে

এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রত্যাবর্তিত কবিকে দেখে তাঁর বাবা পড়বেন, 'ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান...'।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
465
উত্তরঃ

'আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলবো'- বলতে বোঝানো হয়েছে, মায়ের সান্নিধ্যে সন্তান তার সকল প্রকার দুঃখ-বেদনা-ব্যর্থতা-লজ্জা ভুলে গিয়ে পরম শান্তি লাভ করে।
শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়ে একরকম পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে কবি বাড়ির পথে পা বাড়ান। তাঁর মনে পড়ল বাবা-মায়ের সচেতনতামূলক কথাগুলো। মনে পড়ল ভাই-বোনের সতর্ক প্রস্তুতির কথা। লজ্জায় তাঁর হৃদয় ভারী হয়ে উঠল। কিন্তু তাঁর এই ফিরে আসায় মা আনন্দিত হলো। মাকে জড়িয়ে ধরে সমস্ত লজ্জা কোথায় যেন হারিয়ে গেল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
387
উত্তরঃ

উদ্দীপক-২ এর 'ধনে মানে লোকের টানে ভুলিয়ে নিতে চায় যে আমায়' চরণটিতে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার গতানুগতিক নাগরিক জীবনের মোহ থেকে মুক্তির বিষয়টির ইঙ্গিত বহন করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, অস্থির মানব হৃদয় শান্তির জন্য ছুটে বেড়ায় দেশ-বিদেশে। কিন্তু এ ছুটে চলায় কোথাও শান্তির পরশ মেলে না। ধন-সম্পদের লোভের ফাঁদে মানবজীবন ক্রমশই শুধু অশান্ত চঞ্চল হতে থাকে। প্রকৃত শান্তি মেলে তার মায়ের কোলে, তার চিরচেনা প্রকৃতির সান্নিধ্যে। আর যে কারণেই সব মোহ ত্যাগ করে, ভয়কে জয় করে ফিরতে চায় আপন আলয়ে।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবি শহরের মোহে যাত্রা করলেও শেষ ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়। ব্যর্থতার গ্লানি বুকে চেপে তিনি ঘরের পানে পা বাড়ালেন। তাঁর এ ফিরে আসা মাকে আনন্দিত করল। কবি মাকে জড়িয়ে ধরে প্রত্যাবর্তনের সমস্ত লজ্জা মুছে ফেললেন। তিনি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করলেন, নাগরিক জীবনের চাকচিক্যের চাইতে মাতৃতুল্য, গ্রামীণ সহজ-সরল জীবন পরম মমতার-শান্তির।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
149
উত্তরঃ

নগর জীবনের মোহ নয়, গ্রামীণ সহজ-সরল জীবনেই রয়েছে প্রকৃত শান্তির পরশ- এই বিষয়টিই উদ্দীপক এবং কবিতার মূল বিষয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ১ ও ২ মিলে 'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতার ভাববস্তু প্রকাশে সক্ষম।
উদ্দীপকদ্বয়ে মা-মাতৃভূমির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা প্রকাশিত হয়েছে। মায়ের দরিদ্র দশা কবির নিকট মহামূল্য ধন-রত্নতুল্য। তাই তিনি আর কিছু চান না, কারো ধার ধারেন না। ধনদৌলতের মোহে যে যেখানে খুশি চলে যাক- কবি তাঁর মায়ের ছেঁড়া কাঁথায় পরম মমতায় মাখামাখি করে পরম সুখ অনুভব করেন।
'প্রত্যাবর্তনের লজ্জা' কবিতায় কবিকে শহরের চাকচিক্য হাতছানি দিয়ে ডাকলেও ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হওয়ার অজুহাতে তিনি মায়ের টানে গ্রামের পানেই পা বাড়িয়েছেন। মা তাঁকে দেখে আনন্দিত হয়েছেন। মাকে জড়িয়ে ধরে তিনি পরম সুখলাভ করেছেন। ব্যর্থতার গ্লানি উবে গিয়েছে। কীসের লজ্জা কীসের ভয়? যেন তিনি সবকিছুই জয় করেছেন।
উদ্দীপক এবং কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষ করি, সন্তানের জন্য মায়ের কোল যেমন নিরাপদ এবং শান্তির স্থান- তেমনি মাতৃতুল্য তাঁর মাতৃভূমিও বটে। একজন মানুষ অর্থ-সম্পদের মোহে বিদেশে যেতে বাধ্য হলেও প্রকৃতপক্ষে তার মন কাঁদে মা এবং মাতৃভূমির জন্য। শেকড়ের সাথে বৃক্ষের যেমন সম্পর্ক- তেমনি মা-মাতৃভূমির সাথে প্রতিটি মানুষের সম্পর্ক প্রগাঢ়। শহর জীবনের কৃত্রিম চাকচিক্যময় পরিবেশে মানুষ হাঁপিয়ে ওঠে। গ্রাম্য প্রকৃতির স্নিগ্ধ মায়াময় পরিবেশই মানবজীবনকে করে তোলে মধুময়-গীতিময়-ছন্দময়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
170
উত্তরঃ

কবিতায় যাদের সাথে কবির শহরে যাওয়ার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখের কথা বলা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
176
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত চরণে কবির ট্রেন ধরতে না পারার হতাশাগ্রস্ত মনের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেয়েছে।
কবি শহরমুখী ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনের দিকে ছুটে যান। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে পৌছাতে ব্যর্থ হন। কবিকে স্টেশনে রেখে ট্রেন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যের দিকে ছুটে যায়। কবি হতাশ হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সে দৃশ্য দেখেন। এই দৃশ্যের অসহ্য যন্ত্রণা কবিকে বিদ্ধ করেছে। কবিকে রেখেই ট্রেন' হুইল বাজিয়ে শহর অভিমুখে তাঁর সহযাত্রীদের নিয়ে নির্দয়ভাবে চলেছে। এই হতাশাব্যঞ্জক অভিব্যক্তিই কবি ফুটিয়ে তুলেছেন আলোচ্য চরণে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
10 months ago
197
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews