সোমা ও সাথী কাপড়ে রং করার জন্য যথাক্রমে টাইডাইয়ের ডোরা ও ভাঁজ করে বাঁধা পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছিল।
টাইডাই পদ্ধতিতে এক টুকরো কাপড়কে শক্ত করে বেঁধে রঙে ডোবানো হয়। রঙে কাপড় ডোবালে খোলা অংশে রং বসে ও বাঁধা অংশের ভেতরে রং ঢুকতে পারে না। তবে বাঁধা অংশের ভেতরে রং প্রবেশের চেষ্টা করে সুন্দর একটি নকশা সৃষ্টি হয়। টাইডাই করার ক্ষেত্রে খুব শক্ত করে সুতার বাঁধন দিয়ে ডিজাইন সৃষ্টি করা হয়। এ বাঁধন বিভিন্নভাবে দেওয়া হয়।
ডোরা বাঁধন পদ্ধতিতে পেনসিল দিয়ে লম্বা সরলরেখা এঁকে রেখা বরাবর মোটা সুতা দিয়ে বড় বড় কাঁথা স্টিচ দিয়ে সুতা টেনে শক্ত করে গিট দিয়ে এর উপরে-নিচে আরো শক্ত করে গিঁট দিতে হয়। অপরদিকে ভাঁজ করে বাঁধা পদ্ধতিতে প্রয়োজনমতো ভাঁজ দিয়ে একটি বাঁধন বেঁধে দিতে হয়।
উপরোক্ত দুটি পদ্ধতির মধ্যে ডোরা বাঁধন পদ্ধতিতে কাপড়ে সেলাই, টেনে বাঁধা, শক্ত গিঁট দেওয়া, গিঁটের উপর-নিচে আবার শক্ত বাঁধন দেওয়া ইত্যাদি সময় সাপেক্ষ কাজগুলো করতে হয়। এতে শক্তিও বেশি খরচ হয়। অপরদিকে ভাঁজ করে বাঁধা পদ্ধতিতে ইচ্ছেমতো বাঁধন বেঁধে নকশা করা হয় বলে, সময় ও শক্তি উভয়েরই সাশ্রয় হয়।
তাই বলা যায় সোমা ও সাথীর ব্যবহৃত পদ্ধতি দুটির মধ্যে ডোরা বাঁধন পদ্ধতিতে সময় ও শক্তি বেশি এবং ভাঁজ করা বাঁধন পদ্ধতিতে কম খরচ হয়।
Related Question
View Allকারখানায় প্রস্তুতকৃত বস্তুকে গ্রে ফেব্রিক বলে।
বস্ত্র রং করা ও ছাপার মধ্যে মূলগত কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। রং করা পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ বস্তুটিকে ধারাবাহিকভাবে একই বর্ণে ও গাঢ়ত্বে সমভাবে রঞ্জিত করে তোলা হয়। পক্ষান্তরে ছাপা পদ্ধতিতে বস্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানে এক বা একাধিক বর্ণের সমারোহ ঘটিয়ে বস্তুটিকে নকশানুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়। রংকরণের ক্ষেত্রে কম ঘনত্বের, আর ছাপার ক্ষেত্রে বেশি ঘনত্বের রং ব্যবহার করা হয়।
তরুর কাপড়গুলো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকার কারণ হলো সঠিক পদ্ধতিতে ব্লক না করা।
তরু প্রুসিয়ান রং দিয়ে কাপড়ে ব্লক প্রিন্ট করে। এ পদ্ধতিতে রং ভালোভাবে ব্লকে লাগিয়ে কাপড়ের উপর ছাপ দিলেই ছাপা হয়ে যায়। রঙের প্রস্তুত প্রণালি জানা থাকলে নিজের পছন্দমতো রং তৈরি করে ছাপ দেয়া যায়। তবে প্রিন্ট করার পর প্রুসিয়ান রঙের ক্ষেত্রে কাপড় স্টিম ও ধোলাই করতে হয়। স্টিমিং এর জন্য একটি হাঁড়িতে পানি ফুটাতে হয়। এরপর চট দিয়ে কাপড়টি ঢেকে হাঁড়ির উপর একটি চালনি বসিয়ে তার উপর কাপড়টি রেখে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে স্টিমিং করা হয়।
তরু এ সকল পর্যায়গুলো অতিক্রম না করে শুধু রং করেই তার দোকানে কাপড়গুলো নিয়ে যাওয়ায় এগুলো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকে।
কাপড় ব্যবসায়ী তরু সচেতনতার অভাবে ব্যবসায় সাফল্য অর্জন করতে পারছে না। তাই তাকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। তরু কাপড়ের ব্যবসা করলেও কোন কাপড় কীভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে সে সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান রাখেন না। ব্যবসায় সফলতার জন্য প্রয়োজন এ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান।
তরু প্রুসিয়ান রং দিয়ে ব্লক করা কাপড়গুলো স্টিম ও ধোলাই না করে সরাসরি দোকানে নিয়ে আসে। ফলে তার কাপড়গুলো অবিক্রিত অবস্থায় দোকানেই রয়ে যায়। তিনি যদি এ বিষয়ে সচেতন থাকতেন তবে কাপড়ে রং করার পর সেগুলো হাঁড়িতে পানি গরম করে চট দিয়ে ঢেকে হাঁড়ির উপর একটি চালনি বসিয়ে কাপড়টি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে স্টিমিং করতেন। তাহলে তার রং করা কাপড়গুলো ঠিক থাকত এবং দোকানে অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে থাকত না। তরু যদি ব্যবসার ক্ষেত্রে আরও একটু সচেতন হয় তবেই সে তার এসকল ভুল সংশোধন করতে এবং ব্যবসায় সফলতা অর্জন করতে পারবে বলে আমি মনে করি।
তাই বলা যায় ব্যবসায় সাফল্যের জন্য তরুকে আরো সচেতন হতে হবে- মন্তব্যটি যথার্থ।
কারখানায় প্রস্তুতকৃত বস্তুকে গ্রে ফেব্রিক বলে।
বস্ত্র রং করা ও ছাপার মধ্যে মূলগত কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। রং করা পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ বস্তুটিকে ধারাবাহিকভাবে একই বর্ণে ও গাঢ়ত্বে সমভাবে রঞ্জিত করে তোলা হয়। পক্ষান্তরে ছাপা পদ্ধতিতে বস্ত্রের নির্দিষ্ট স্থানে এক বা একাধিক বর্ণের সমারোহ ঘটিয়ে বস্তুটিকে নকশানুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়। রংকরণের ক্ষেত্রে কম ঘনত্বের, আর ছাপার ক্ষেত্রে বেশি ঘনত্বের রং ব্যবহার করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!