সৈয়দপুর, নীলফামারী
২৬.০১.২০২৫
প্রিয় জুলহাস
শীতের এই সকালে একরাশ শুভেচ্ছা তোমার জন্য। তোমার চিঠি পেয়েছি অনেকদিন হলো। ভীষণ ব্যস্ত ছিলাম, তাই সময়মতো উত্তর দিতে পারিনি।
গতকাল আমাদের স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো। বন্ধুদের চাপে পড়ে বস্তাদৌড়ে নাম দিয়েছিলাম। প্রতিযোগিতার আগের দিন ছিল বাছাই পর্ব। প্রতি ইভেন্টে দশজন করে বাছাই করা হলো। বস্তাদৌড়ে নাম জমা পড়েছিল সাত জনের। তাই বাছাই দৌড় হয়নি। গতকাল ছিল মূল প্রতিযোগিতা। এ উপলক্ষ্যে স্কুলের মাঠটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছিল। সকাল ৯টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। ক্রীড়াবিদ ও স্কাউটদের উদ্যোগে পরিবেশিত হলো কুচকাওয়াজ। গত বছরের চ্যাম্পিয়ন দৌড়বিদ ইব্রাহিম ভাইয়া মশাল হাতে একবার পুরো মাঠ ঘুরে এসে ক্রীড়ামশাল প্রজ্বালন করলেন। এরপর প্রধান অতিথি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন। এরপর শুরু হয় প্রতিযোগিতা। দৌড়, দীর্ঘ লাফ, বর্শা নিক্ষেপ, চাকতি নিক্ষেপ, যেমন খুশি তেমন সাজো, রশি টানাটানি ইত্যাদি দর্শকদের প্রচুর আনন্দ দিয়েছে। স্কুলের শিক্ষকদের জন্যও আলাদা দৌড় প্রতিযোগিতা ছিল। আমাদের বস্তাদৌড় ছিল ভারি মজার। বস্তার মধ্যে পা ঢুকিয়ে দৌড়াতে গিয়ে অনেকেই হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। ছোটো মামা কয়েক দিন ধরে বাসায় আমাকে ট্রেনিং দেওয়ায় আমি দৌড়ের কায়দাটা বেশ রপ্ত করেছিলাম। তবু প্রথম হতে পারিনি; দ্বিতীয় হয়েছি। দশম শ্রেণির মর্তুজা ভাইয়া প্রথম হয়েছেন।
বিকেলে ছিল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করলেন। আমি একটা অভিধান পেয়েছি। তোমাদের স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কবে জানিয়ো। ভালো থেকো।
তোমার বন্ধু
শুভ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!