স্তম্ভ 'C' দ্বারা ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য এবং স্তম্ভ 'A' দ্বারা 'শিল্প খাত' কে বোঝানো হয়েছে।
২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৭.৪৫ শতাংশ এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১৩.৪০ শতাংশ। শিল্প খাত বলতে আমরা পোশাক শিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, খনিজ সম্পদ ও' নির্মাণ শিল্প প্রভৃতিকে বুঝে থাকি। এর মধ্যে পোশাক শিল্পটি এ খাতে গুরুত্বপূর্ণ। পোশাক খাতের পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রেও পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য একটা বিবেচনার বিষয়।
পাইকারি বাণিজ্যের মাধ্যমে আমাদের অর্থ উপার্জনকারী শিল্পগুলো বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে। আবার স্থানীয় পর্যায়ে এ শিল্পগুলো বাণিজ্য করে থাকে। বিভিন্ন অর্থবছরের অর্থনৈতিক অবদান বিবেচনায় নিলে দেখা যায় যে, বছরগুলো পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য খাতে অবদান বেশি দেখা যায়, ঠিক সেই বছরগুলোতে শিল্প খাতের অবদানও বৃদ্ধি পায়। যেমন- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে পাইকারী ও খুচরা বাণিজ্য খাতের অবদান ছিল ১৩.৯২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮.১৪ শতাংশ। অপরদিকে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে শিল্পখাতের অবদান ছিল ২৪.০৮ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১৪.২০ শতাংশ।
তাই এসব কিছু বিবেচনায় নিলে একথা সুস্পষ্টভাবে বলা যায় যে, 'C' খাতটি 'A' খাতের অর্থাৎ পাইকারি ও খুচরা বিপণন খাতটি শিল্প খাতের উন্নয়নকে গতিশীল করে।
Related Question
View Allবাংলাদেশের বেশির ভাগ লোক গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উপায়। তাই বাংলাদেশকে কৃষিপ্রধান দেশ বলা হয়ে থাকে।
একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতিবছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার মোট অর্থমূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়। এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি বা সামগ্রিক আয় বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়।
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) হলো একটি দেশের নাগরিকদের নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার অর্থমূল্যের যোগফল। এতে দেশের নাগরিকদের বিদেশে করা আয়ের যোগ হয় এবং বিদেশিদের দেশে করা আয় বাদ দেওয়া হয়।
মাথাপিছু আয় হলো একটি দেশের মোট জাতীয় আয়ের সাথে সে দেশের জনসংখ্যার ভাগফল। এটি দেশের নাগরিকদের গড় আয় বোঝায়। মাথাপিছু আয় বেশি হলে সাধারণত দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতির পরিচায়ক হয়।
মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন অর্থনীতির উৎপাদনশীল খাতের উন্নয়ন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং শ্রমশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি। এই লক্ষ্যে শিল্প, সেবা এবং কৃষিখাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এছাড়াও দারিদ্র্য দূরীকরণ মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক শক্তি ও আয়ের পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ এবং দেশের অর্থনীতির কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
