স্বাধীনতা লাভের আগে বিভিন্ন আমলে বাংলাদেশ বিভিন্নভাবে শোষিত ও বঞ্চিত হয়েছে। এর ফলে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দুর্বল ও পশ্চাৎপদ রয়ে যায়। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন অর্জিত হয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে এখন কোনো স্থবিরতা নেই, বরং অর্থনীতির প্রায় সর্বক্ষেত্রেই গতিশীলতা এসেছে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

একটি দেশের অর্থনীতি যখন নিচের দিকে নামতে থাকে এবং ঐ দেশের দ্রব্যমূল্য বা ক্রয়-বিক্রয় হ্রাস পাওয়ার ফলে GDP ও GNIহ্রাস পায়, তখন ঐ অবস্থাকে অর্থনৈতিক মন্দা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ হলো বাংলাদেশ। °উত্তর অক্ষাংশ থেকে° উত্তর অক্ষাংশ এবং°' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে°পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশের অবস্থান বিস্তৃত। এ দেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। সাগরের অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণে হওয়ার কারণে এ দেশের অবস্থান প্রান্তীয়। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ছিল স্বাধীনতা লাভের আগে এবং যে কারণে পশ্চাৎপদ ছিল, তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
আদিকালে বাংলায় অনার্যরা বসবাস করত; তারপর আর্যদের আগমন। এরপর আগমন ঘটে বৌদ্ধদের; বৌদ্ধদের পর হিন্দু রাজারা শাসনভার গ্রহণ করেন। ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুতে ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির বঙ্গবিজয়ের পর মুসলিম উপনিবেশ শুরু হয়। এরপর ব্রিটিশ উপনিবেশ আমাদের অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখা দেয়।ন ভারত বিভক্তির পর পাকিস্তানি শোষণ আর অবহেলায় এ অঞ্চল পিছিয়ে যেতে থাকে আরও বেশি

আদি ও হিন্দুযুগ এবং মুসলমান যুগে বাংলা কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যে বেশ সমৃদ্ধ ছিল। কিন্তু ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতনের মধ্যদিয়ে বাংলার ভাগ্যে বিপর্যয় নেমে আসে। ইংরেজরা বিভিন্ন কূট-কৌশল অবলম্বন করে ক্ষমতা দখল করে নেয় এবং ক্লাইভের দ্বৈতশাসন, ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেয়। ব্রিটিশদের বিদায়ের পর পাকিস্তানি শাসনামল শুরু হয় এবং বাংলার মানুষের বিশ্বাস ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক বাজার হয়ে দুটি অঞ্চলের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটবে। কিন্তু তা না হয়ে দুটি অঞ্চলের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়তেই থাকে, মাথাপিছু আয়, প্রবৃদ্ধি, ভোগ, ঋণদান, বিনিয়োগ, শিল্প কারখানা স্থাপন, চাকরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে পাকিস্তানি শাসকচক্রের ষড়যন্ত্রে বৈষম্য বাড়তে থাকে। যে কারণে বাংলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন স্থবির হয়ে পড়ে।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের আগে ব্রিটিশ আমল ও পাকিস্তানি আমলে বাংলায় অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতা ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ব্যাখ্যা করা হলো-

কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ কৃষিতে অনুন্নত; কৃষির উৎপাদনশীলতা যেমন কম তেমনি দেশে ব্যাপক খাদ্য ঘাটতি বিদ্যমান। তবে সাম্প্রতিককালে বাজেটে কৃষি খাতে অধিক বরাদ্দ, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, জলাবদ্ধতা নিরসন, উন্নতমানের সার ও বীজ সরবরাহ প্রভৃতি কার্যক্রম গ্রহণের ফলে খাদ্য উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে কৃষি উৎপাদন ৩৮৮.১৭ লাখ মেট্রিক টন হয় এবং ২০১৬-১৭অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ৩৯৬.৮৮ লাখ মে. টন।
স্বাধীনতা লাভের সময় বাংলাদেশ শিল্পক্ষেত্রে খুবই পশ্চাৎপদ ছিল। কিন্তু সরকার যুগোপযোগী শিল্পনীতি গ্রহণের ফলে দেশে শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে এ খাতের অবদান ৩২.৪৮%। শিক্ষা মানুষকে সচেতন করে, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করে বলে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি, কারিগরি শিক্ষা, নারী শিক্ষা, বয়স্ক শিক্ষার প্রসারে সরকার ভূমিকা গ্রহণ করেছে। ফলে পূর্বের তুলনায় শিক্ষার হার ক্রমশ বৃদ্ধি। পাচ্ছে, বর্তমানে এ দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) প্রায় ৬৩.৬%। বৈশ্বিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক; গত তিন বছরে বাংলাদেশে গড়ে ৬ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭.১১%। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৬০২ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে' এ দেশের অর্থনীতি নিমজ্জিত। এ চক্র থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বিভিন্নমুখী কর্মসূচি গৃহীত হচ্ছে; এর মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, একটি বাড়ি একটি খামার, টেস্ট রিলিফ ইত্যাদি কর্মকান্ড উল্লেখযোগ্য।
উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, স্বাধীনতা লাভের পর বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
37
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ হলো বাংলাদেশ। ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশের। অবস্থান বিস্তৃত। এ দেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। সাগরের অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণে হওয়ার কারণে এ দেশের অবস্থান প্রান্তীয়। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। নিচে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রের প্রকৃতি তুলে ধরা হলো-

দারিদ্র্য যেকোনো দেশের জন্যই অভিশাপ। সাধারণত স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে। সেই দেশগুলোর জনগণের আয় অনেক কম থাকার কারণে সেসব দেশে সঞ্চয়ের পরিমাণও কম হয়। একটি দেশে যখন সঞ্চয়ের পরিমাণ কম হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই দেশে বিনিয়োগ কম হবে। বিনিয়োগ যখন কম হয়, তখন সেই দেশের জনগণ বেকার থাকে। তাদের কর্মসংস্থানের অভাব দেখা দেয়, ফলে নিয়োগ কম হয়। একটি দেশে নিয়োগ, কর্মসংস্থান কম থাকার অর্থ সে দেশের উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো অচল থাকে অথবা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধও থাকতে পারে। ফলে উৎপাদন কম হয়। একটি দেশের উৎপাদন কম হলে আয় কম হবে, এটাই স্বাভাবিক। এভাবেই একটি দেশ দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে।
অতএব বলা যায়, একটি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
89
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অধিক জনসংখ্যা এ দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় ২৩.৫ ভাগ লোক বর্তমানে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে।

এ দেশেও তাই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিদ্যমান রয়েছে। এ দেশে অধিক জনসংখ্যার কারণে শ্রম সস্তা। এই সস্তা শ্রমের কারণে জনগণের আয় কম। আয় কম হওয়ার কারণে সঞ্চয় কম। ফলে বিনিয়োগ কম। তবে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে, যার ফলে দেশের অধিক জনসংখ্যার কিছু অংশের কর্মসংস্থান রয়েছে। তার পরও প্রায় ৩ কোটির উপরে বেকার জনগোষ্ঠী এ দেশে রয়েছে। ফলে এই নিয়োগ কম হওয়ায় আশানুরূপ উৎপাদন হচ্ছে না। আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার কারণে জনগণের আয়ও কম হচ্ছে। এভাবেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বাংলাদেশকে ঘিরে রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করছে। দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র যত দিন বাংলাদেশ থেকে দূর না হবে, তত দিন বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
84
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১৭৫২ মার্কিন ডলার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কৃষি। এদেশের মোট শ্রম শক্তির ৪৫.১% কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং প্রায় ৭৫% মানুষ কৃষির উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। ২০১৬-১৭অর্থবছরে দেশের জিডিপির ১৪.৭৯% আসে কৃষি থেকে। বাংলাদেশের শিল্পের কাঁচামালের বেশিরভাগই আসে কৃষি থেকে। তাই বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
129
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews