স্যার ক্লাসে শিক্ষার্থীদের কাছে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সম্পর্কে অধিক গ্রহণযোগ্য মতবাদের নাম জানতে চাইলে তারা দলগতভাবে আলোচনা করে বলে, নিঃসন্দেেেহ সামাজিক চুক্তি মতবাদ রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ে গ্রহণযোগ্য মতবাদ। 

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

মূল্যবোধ হলো সমাজে কোনটা ভালো বা মন্দ তা বোঝার যোগ্যতা।

উত্তরঃ

গোষ্ঠীর কল্যাণমূলক কাজে নৈতিক শিক্ষা অন্যতম বাহন হিসেবে কাজ করে। কেননা নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ ভাল- মন্দ, পাপ-পুণ্য এবং নিজের, সমাজের ও দেশের সমস্যা সম্পর্কে জানতে পারে। ফলে তাদের দ্বারা সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ সম্পন্ন হয়।

উত্তরঃ

শিক্ষার্থীদের দেওয়া উত্তরটি সঠিক নয়।

শিক্ষার্থীরা সামাজিক চুক্তি মতবাদকে রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত সন্তোষজনক মতবাদ হিসেবে অভিহিত করেছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ে সামাজিক চুক্তি মতবাদ সমালোচনার উর্ধ্বে নয়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা প্রায় সর্বসম্মতিক্রমে সামাজিক চুক্তি মতবাদকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রকৃতপক্ষে বিবর্তনমূলক মতবাদ রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত সন্তোষজনক মতবাদ। এ মতবাদ অনুসারে রাষ্ট্র যুগ যুগ ধরে বিবর্তিত হতে হতে আজকের পর্যায়ে পৌঁছেছে। আর এ বিবর্তনের মূলে যেসব উপাদানসমূহ কাজ করেছে তার মধ্যে রক্ত সম্বন্ধ, ধর্ম, বল প্রয়োগ, অর্থনৈতিক প্রয়োজন, রাজনৈতিক চেতনা ইত্যাদি অন্যতম।

উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, রাষ্ট্রের উৎপত্তি বিষয়ে সামাজিক চুক্তি মতবাদের চেয়ে বিবর্তনমূলক মতবাদ অধিক গ্রহণযোগ্য। এ কারণেই শিক্ষার্থীদের উত্তরটিকে সঠিক মনে করি না।

উত্তরঃ

রাষ্ট্রের উৎপত্তি সংক্রান্ত বিবর্তনমূলক মতবাদটি নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

রক্ত সম্বন্ধ ছিল আদিম মানবসমাজে যোগসূত্র স্থাপনের পন্থা। এর ওপর ভিত্তি করেই পরিবার গড়ে ওঠে। আর রাষ্ট্রের ভিত্তিও -পরিবারেই নিহিত।

রাজনৈতিক সমাজের মৌলিক বিষয় আদেশ এবং মান্যতা দুই ধর্মের মাধ্যমে জোরদার হয়। ফলে ধর্ম তখন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়।

ব্যক্তিগত সম্পত্তির মালিকানা হতে মালিক ও শ্রমিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে। শাসকমণ্ডলীর যেসব নিয়মনীতির মাধ্যমে সমাজের ব্যক্তিদের নিজ নিজ অধিকার ভোগের নিশ্চয়তা বিধান করত তাই ছিল আইন। এ আইন এবং শাসকের সম্মিলিত রূপই রাষ্ট্রের উদ্ভবের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যুদ্ধ আর বিজয় আঞ্চলিকতার বন্ধনের ভিত্তিতে রক্ত ও ধর্মীয় বন্ধনের জায়গা দখল করে। আর এর মধ্য দিয়েই রাষ্ট্রব্যবস্থা জন্ম নেয়।

সমাজের সাধারণ সচেতনতা যখন যথার্থ মাত্রায় পৌছায় তখনই রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

237

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজস্থ কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা গোষ্ঠীর মধ্যে সাম্যের অভাবই সামাজিক অসমতা।

অসমতা বলতে মূলত সমতার অভাবকে বোঝায়। মানুষের পদমর্যাদা, ক্ষমতা, সম্পদ, সুযোগ প্রভৃতির ভিত্তিতে সামাজিক ক্ষেত্রে সৃষ্ট অসম ও অনাকাঙ্ক্ষিত পার্থক্যই হলো সামাজিক অসমতা। মানবসমাজ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নানা বৈচিত্র্যময় বিষয়ের ভিত্তিতে বিভাজিত। মানবসমাজের এ বৈচিত্র্যপূর্ণ বিভাজন সমাজজীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়।

7.5k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ধর্ম নামক সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

মানবসমাজে ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সর্বজনীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Religion' যার অর্থ বন্ধন বা সংহতি। ধর্মের ভিত্তি হচ্ছে বিশ্বাস। এ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, ধর্ম হলো এমন একটি ধারণা যা কোনো একটি বিশেষ শক্তিধর সত্তায় বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমে অভিন্ন ধারণা পোষণকারীদের ঐক্যবদ্ধ ও সংঘবদ্ধ করে রাখে। নৃবিজ্ঞানী জেমস ফ্রেজার বলেন, "ধর্ম হচ্ছে অলৌকিক শক্তিতে বিশ্বাস। আর এ শক্তি মানবজীবন ও প্রকৃতির ধারাকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে।" সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার বলেন, "ধর্ম কেবল মানুষের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে তা নয়, ধর্ম মানুষ ও অন্য কোনো উর্ধ্ব শক্তির মধ্যে সম্পর্কের সৃষ্টি করে।" মানব সমাজের বিভিন্ন পাঠে বিভিন্ন স্থানে ধর্মের বিচিত্র রূপ লক্ষ করা যায়। প্রাচীনকাল হতেই মানুষ কোনো শক্তির ওপর ভয় ও বিশ্বাস স্থাপন করে মনস্তাত্ত্বিক পরিতৃপ্তির সাথে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড সম্পাদন করে আসছে। বিপদ আপদ হতে মুক্তি পাবার আশায় মানুষ প্রার্থনা করছে। আর এ প্রার্থনাকে কেন্দ্র করে ইহজাগতিক মুক্তির লক্ষ্যে নির্মিত সংস্কৃতি থেকেই ধর্মের উৎপত্তি।

উপরের আলোচনা ও ধর্মের সংজ্ঞা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকে ধর্ম নামক সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

354
উত্তরঃ

মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই উক্ত প্রতিষ্ঠান তথা ধর্ম; সামাজিক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে- আমি এ উক্তির সাথে একমত।

ধর্মের একটি সামাজিক দিক রয়েছে। সামাজিক সংহতি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মধ্য দিয়ে ধর্ম তার সামাজিক ভূমিকা পালন করে থাকে। ব্যক্তি মানুষের আচার-আচরণ এবং সমাজজীবনের ধারা ধর্মীয় অনুশাসনের দ্বারা বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, ধর্মীয় অনুশাসনের প্রত্যক্ষ ও প্রচ্ছন্ন প্রভাব সামাজিক ব্যক্তিবর্গের পারিবারিক ও গোষ্ঠীজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে আছে। বিশেষ করে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনধারার ওপর ধর্মীয় অনুশাসনের প্রভাব অপরিসীম। ধর্ম মানুষকে নীতিবান করে তুলে এবং সামাজিক বিধি-নিষেধ মেনে চলতে উৎসাহিত করে। ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারে। ধর্মীয় আচার- অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এক ভাবগম্ভীর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এর ফলে মানুষের আচার-ব্যবহার স্বভাবতই সংযত হয়ে পড়ে। ধর্ম বিশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের মনে উদয় হয় ভয় মিশ্রিত এক শ্রদ্ধা-ভক্তির মনোভাব। এই মনোভাবের ভিত্তিতে ব্যক্তি মানুষ তার বাহ্যিক আচার-আচরণকে সংযত ও নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য হয়। সমগ্র সমাজকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও ধর্মের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ধর্মীয় অনুশাসনের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া সমাজজীবনের প্রায় সকল ক্ষেত্রেই পরিলক্ষিত হয়। তাই বলা যায় যে, মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই ধর্ম সামাজিক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আর এ কারণেই আমি প্রশ্নোল্লিখিত উক্তির সাথে সহমত পোষণ করি।

304
উত্তরঃ

মানবসৃষ্ট সবকিছুর সমষ্টিই হলো সংস্কৃতি।

317
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews