স্যার ছাত্রছাত্রীদের বার্লিন প্রাচীর সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ লিখতে বললে মালিহা নিম্নলিখিতভাবে অনুচ্ছেদটি লিখেছিল :
"বার্লিন প্রাচীরকে সরকারিভাবে বলা হয় Anti Fascist Protection Ramport বা ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিরক্ষা দুর্গ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। পর বার্লিন প্রাচীর হয়ে উঠে সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বিভেদ চিহ্ন...।"

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৫টি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে বিশ্বব্যাপী সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির স্থলে পুঁজিবাদী অর্থনীতি দ্রুত অনুসৃত হতে থাকে। অতিদ্রুত পুঁজিবাদী অর্থনীতির দিকে ধাবিত হওয়ায় সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর অর্থনীতি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে। এর ফলে বহু বিত্তশালী ব্যবসায়ী রাতারাতি দরিদ্র হয়ে যায়। বহু শিল্প কারখানা বিফল হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

মালিহার লিখিত অনুচ্ছেদের প্রথম বাক্যটি অর্থাৎ বার্লিন প্রাচীর ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিরক্ষা দুর্গ- বাক্যটি যথার্থ।
১৯৬১ সালের গ্রীষ্মকালে বার্লিন সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। ১৯৬১ সালের আগস্ট মাসে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট লেনডন বি. জনসন বার্লিন সফরে আসেন। তিনি এ সময় এ অঞ্চলের জনগণকে পশ্চিমা জাঁকজমকপূর্ণ জীবনযাপনের প্রতি সকলকে আকৃষ্ট করেন।
এরপর পরই হাজার হাজার পূর্ব জার্মান নাগরিক পাশ্চাত্যে চলে আসার জন্য পশ্চিম বার্লিনের দিকে প্রবলবেগে ধাবিত হতে থাকে। এ ধরনের বহুসংখ্যক লোকের বহির্গমনকে রোধ করার জন্য পূর্ব জার্মান সরকার ঐ দিন পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মধ্যকার সীমারেখা এবং পশ্চিম বার্লিন ও তার চারদিকের এলাকার মধ্যবর্তী সীমারেখা বন্ধ করে দেয়। তার চেয়েও উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো সোভিয়েত ইউনিয়নের পরামর্শে পূর্ব জার্মান সরকার ১২ ও ১৩ আগস্টের রাতের মধ্যে পূর্ব জার্মান নাগরিকদের বহির্গমন রোধকল্পে পূর্ব ও পশ্চিম বর্লিনের মধ্যে এক সিমেন্টের দেয়াল গড়ে তোলে। ১৯৬৪ সালের খ্রিষ্টমাসের সময় কিছুসংখ্যক লোককে ভ্রমণের সুযোগ দিতে দুই জার্মান সরকারের মতৈক্যের পূর্ব পর্যন্ত বার্লিন প্রাচীর নগরীর দুদিকের অধিবাসীদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ রাখে। লোক পালাতে চেষ্টা করলে রক্ষীরা তাদের গুলি করে হত্যা করে। তাই বলা যায়, মালিহা বার্লিন প্রাচীরকে ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিরক্ষা দুর্গ আখ্যায়িত করা অত্যন্ত যৌক্তিক হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মালিহার শেষ বক্তব্যের সাথে একমত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বার্লিন প্রাচীর হয়ে উঠে সমাজতন্ত্র ও 'গণতন্ত্রের বিভেদ চিহ্ন।

১৯৬১ সালে বার্লিন প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বার্লিনকে পুঁজিবাদী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র এবং সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রাশিয়া নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। সোভিয়েত রাশিয়া বার্লিনের পূর্বাঞ্চলে সমাজতান্ত্রিক রীতিনীতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে। আর পুঁজিবাদী পশ্চিমা রাষ্ট্রগণ পশ্চিম জার্মানিতে উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করে। পূর্ব জার্মানির জনগণ সোভিয়েত ইউনিয়নের কঠোর রীতিনীতি ও বিধিনিষেধের সাথে খাপ খাইয়ে চলতে বেশ হিমশিম খাচ্ছিল। পূর্ব জার্মানির জনগণ সমাজতান্ত্রিক আদর্শের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে পারেনি। ফলে অনেকেই পশ্চিমের উদারনৈতিক গণতান্ত্রিক শাসনের প্রতি আকৃষ্ট হয়। পূর্ব থেকে গণহারে লোকজন পশ্চিমে পালিয়ে যেতে থাকে। যার ফলে পূর্ব জার্মানি কর্তৃপক্ষ ১৯৬১ সালে বার্লিন দেয়াল নির্মাণ করে পূর্ব-পশ্চিম অবাধ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
আর তাই বার্লিন প্রাচীরকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গণতন্ত্রের সমাজতন্ত্রের বিভেদ চিহ্ন বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
35
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

লিজিয়ন অব অনার' হচ্ছে এক ধরনের উপাধি, যা ১৮০২ সালের ১৯ মে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট প্রবর্তন করেন। এটি ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মাননা। লিজিয়ন অব অনার পাঁচ ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. নাইট, ২. অফিসার, ৩. কমান্ডার, ৪. গ্র্যান্ড অফিসার এবং ৫. গ্র্যান্ড ক্রস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
108
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের বার্লিন প্রাচীর মিল পাওয়া যায়।

উদ্দীপকে পাঠ্যবইয়ে আলোচিত ঐতিহাসিক বার্লিন প্রাচীরের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত রহিম ও করিম দুই ভাই। বাবার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি ভাগাভাগি করে নেয়। ঝামেলা শুরু হয় ভাইয়ের বিয়ের পর। একপর্যায়ে তারা আলাদা হয়ে যায় এবং তাদের বাড়ির মাঝখান দিয়ে প্রাচীর নির্মাণ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরে প্রাচীর ভেঙ্গে দিয়ে একত্রে বসবাস শুরু করে। অনুরূপ ঘটনা জার্মানির বার্লিন প্রাচীরকে নিয়ে ঘটেছিল। বার্লিন প্রাচীরকে সরকারিভাবে বলা হয় ফ্যাসিবাদবিরোধী দুর্গ। ১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানির জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক সরকার এ প্রাচীর নির্মাণ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বার্লিন প্রাচীর হয়ে ওঠে সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের বিভেদ চিহ্ন। ১৯৮৯ সালে পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতন ঘটলে আবার পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানির একত্রীকরণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই জার্মানির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে পূর্ব জার্মান সরকার ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ঘোষণা করেন, GDR-এর সকল নাগরিক পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি ভ্রমণ করতে পারবে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জনতা বার্লিন প্রাচীরের কতকাংশ স্বউদ্যোগে ভেঙে ফেলে। ১৩ জুন ১৯৯০ সাল থেকে পূর্ব জার্মান সেনাবাহিনী বার্লিন প্রাচীর সরকারিভাবে ভেঙে ফেলতে শুরু করে। ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর দুই জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে একত্রিত হয় এবং ১৯৯১ সালের শেষ নাগাদ এ প্রাচীর ভাঙার কাজও সমাপ্ত হয়।
সুতরা বলা যায়, উদ্দীপকের ঘটনার সাথে বার্লিন প্রাচীরের মিল হয়েছে।
এ উক্ত ঘটনা অর্থাৎ বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুটির একত্রিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর হয় উক্তিটি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
75
উত্তরঃ

উক্ত ঘটনা অর্থাৎ বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে দেশ দুটির একত্রিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর হয় উক্তিটি যথার্থ।

১৯৬১ সালে পূর্ব জার্মানির জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক সরকার এ প্রাচীর নির্মাণ করে। ১৯৮৯ সালে পূর্ব ইউরোপে সমাজতন্ত্রের পতন ঘটলে আবার পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি একত্রিত হওয়ার সিদ্ধান্ত * গ্রহণ করে। বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দুই জার্মানির একত্রীকরণ প্রক্রিয়া। দুই জার্মানির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ হিসেবে পূর্ব জার্মান সরকার ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর ঘোষণা করেন, GDR-এর সকল 'নাগরিক পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি ভ্রমণ করতে পারবে। এর ফলে দলে দলে লোক বার্লিন প্রাচীর টপকে পশ্চিম জার্মানিতে গমন করে। পশ্চিম জার্মানির জনগণ তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করে। পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জনতা বার্লিন প্রাচীরের কতকাংশ স্বউদ্যোগে ভেঙে ফেলে। ১৩ জুন ১৯৯০ থেকে পূর্ব জার্মান সেনাবাহিনী বার্লিন প্রাচীর সরকারিভাবে ভেঙে ফেলতে শুরু করে। ১৯৯১ সালের শেষ নাগাদ এ প্রাচীর ভাঙার কাজও সমাপ্ত হয়। ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন প্রাচীর উন্মুক্ত করার মধ্য দিয়েই শুরু হয় দু জার্মানির একত্রীকরণ প্রক্রিয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
54
উত্তরঃ

হাঙ্গেরিতে কমিউনিস্ট শাসনের পতন ঘটেছিল পর্যায়ক্রমিকভাবে। হাঙ্গেরির অর্থনৈতিক অধঃপতন কাটিয়ে উঠার কোনো প্রত্যাশিত সমাধান কাদার সরকার দিতে পারেনি। ফলে তার প্রতিপক্ষ ক্যারোলি দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করেন। কিন্তু তারাও এ অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি সাধন করতে পারেনি। ১৮৮৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় গোলটেবিল বৈঠকে ক্ষমতা, হস্তান্তর ও একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার পদ্ধতি কী হবে তা নির্ধারণ করার চেষ্টা করা হয়। কিছুদিন পূর্ব থেকেই নতুন শাসনতন্ত্র রচনার কাজ আইন মন্ত্রণালয়ে চলে আসছিল। অবশেষে ২৩ অক্টোবর অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট মার্টিয়াস জুরোস হাঙ্গেরিতে দীর্ঘদিন চলতে থাকা সমাজতন্ত্রের স্থলে শুধু 'প্রজাতন্ত্র' বলে সরকারিভাবে ঘোষণা করেন। এভাবেই হাঙ্গেরিতে কমিউনিস্ট শাসনের অবসান হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
77
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews