হজরত মুসা (আ.) একজন নবি ও রাসুল ছিলেন।
ইসলাম শিক্ষা
তাঁর ভাই হজরত হারুন (আ.)-ও একজন নবি ছিলেন। তাঁর সম্প্রদায়ের নাম ছিল 'বনি ইসরাইল'। তাঁর দেশের নাম ছিল মিশর। হজরত মূসা (আ.)-এর সময়কার মিশরের বাদশার নাম ছিল ওলীদ মতান্তরে দ্বিতীয় রামসিস। একদা ক্লিবতি বংশীয় লোককে হত্যার অপরাধে ফিরাউন মুসা (আ.)-এর বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করে। এজন্য তিনি মিশর ছেড়ে মাদইয়ান চলে যান। সেখানে হজরত শুয়াইব (আ.)-এর নিকট দশ বছর অতিবাহিত করেন এবং হজরত শুয়াইব (আ.)-এর মেয়েকে বিয়ে করেন। দশ বছর পর হজরত মুসা (আ.) তাঁর স্ত্রী সফুরাকে সঙ্গে নিয়ে মাদইয়ান থেকে মিশর রওয়ানা হন। যাত্রাপথে তুর পাহাড়ের পাদদেশে 'তুয়া' নামক পবিত্র উপত্যকায় নবুয়ত লাভ করেন। মহান আল্লাহ তাঁকে 'বললেন, "আমি তোমাকে মনোনীত করেছি। অতএব যা আদেশ করা হয় তা শোনো।" (সূরা ত্ব-হা, আয়াত: ১৩)
মহান আল্লাহ হজরত মুসা (আ.)-কে ফিরাউনের কাছে গিয়ে ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি মিশরে গিয়ে ভাই হজরত হারুন (আ.)-কে সঙ্গে নিয়ে ফিরাউনকে দ্বীনের দাওয়াত দেন। ফিরাউন তাঁর বিরোধিতা করলে মহান আল্লাহ তার দলবলসহ তাকে ধ্বংস করে দেন। হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুরই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি। তিনি মহান আল্লাহর দ্বীন প্রচার এবং বনি ইসরাইলকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করার জন্য মিশরের প্রচন্ড শক্তিশালী শাসকের বিরোধিতা করেন। তিনি শত প্রতিকূলতার মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরাউনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। তিনি নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের কল্যাণে সারাজীবন কাজ করেছেন। তিনি বিপদ-আপদে কখনো বিচলিত হতেন না। সবসময় আল্লাহর ওপর ভরসা করতেন। কখনো মহান আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হতেন না।
Related Question
View Allহজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!