হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর কৈশোরকালীন আদর্শ আমার জীবনে যেভাবে অনুসরণ করব তা হলো- আমি ধৈর্যশীল, কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির হব। মানুষের উপকার করব। বড়োদের সম্মান করব। ছোটোদের স্নেহ ও আদর করব। কখনো মিথ্যা কথা বলব না। কাউকে গালি দিব না। কারো সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ, করব না। কারো সাথে হিংসা-বিদ্বেষ করব না। অন্যের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকব। অন্যের ব্যথায় ব্যথিত হব। অন্যায়ের প্রতিবাদ করব। কারো জোরো অসুবিধা হলে দূর করার চেষ্টা করব। অসহায় ও নিপীড়িত মানুষকে যথাসাধ্য সাহায্য-সহযোগিতা করব।
Related Question
View Allহজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!