হঠাৎ করে রবির পেট ব্যথা ও বমির সাথে পাতলা পায়খানা শুরু হয়েছে। তার মনে হল গতকাল সে হোটেলে বাসি পরোটা ও সবজি তরকারি খেয়েছে। সে পরবর্তীতে হোটেলে খাওয়ার বিষয়ে সচেতনতার কথা চিন্তা করলো এবং পরিবারের সবাইকে পরামর্শ দিল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

দূষিত খাদ্য ও পানি খাওয়ার পর শরীরে যে অসুস্থতার লক্ষণাদি দেখা যায় তাকে খাবারের বিষক্রিয়া বলে।

উত্তরঃ

খাদ্যের গুণগতমান বজায় রেখে সম্পূর্ণ অবিকৃত অবস্থায় খাদ্য সঞ্চয় করাকে খাদ্য সংরক্ষন বলে।

খাদ্য সংরক্ষণে সচেতনতা অবলম্বন করা উচিত। যাতে এর পুষ্টিমূল্য বজায় থাকে, রং, গন্ধ, বর্ণ অবিকৃত থাকে ও খাদ্য জীবাণু ও অণুজীব এর বৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা পায়।

উত্তরঃ

রবির ডায়রিয়া হয়েছে। 

এটি এক ধরনের জীবাণু দ্বারা উৎপন্ন বিষক্রিয়া। এই বিষাক্ত উপাদান পরিবেশগত কারণে খাদ্যে প্রবেশ করে, যেমন- দূষিত পানি, মাটি, সার ইত্যাদি। অসাবধানতা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য নষ্ট ও দূষিত হয় এবং রোগের সৃষ্টি হয়। কিছু কিছু জীবাণু আছে যেগুলো অনুকূল তাপে ও আর্দ্রতায় খাদ্যে বংশ বৃদ্ধি করে বিষ উৎপন্ন করে। এসব খাদ্য গ্রহণে দেহে বিষক্রিয়ার লক্ষণাদি দেখা দেয়।

রবি যে হোটেলে খাদ্য গ্রহণ করেছিল তা অপরিচ্ছন্ন ছিল। ফলে সেখানে জীবাণু সহজেই বংশবিস্তার করেছিল। খোলা ও নোংরা খাবার সহজেই বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে। রবি যখন নোংরা পরিবেশে খাবার খাচ্ছিল তখনই স্টেফাইলোক্কাস ও সালমোনিলা জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয় এবং এদের দ্বারা উৎপন্ন বিষক্রিয়ায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। তাই বলা যায়, রবির ডায়রিয়া হওয়ার কারণ জীবাণু ঘটিত খাদ্য গ্রহণ।

উত্তরঃ

মানুষ খাদ্য খেয়ে জীবন ধারণ করে। কিন্তু অসাবধানতা ও পরিচ্ছন্নতার অভাবে খাদ্য দূষিত ও নষ্ট হয়ে যায় এবং এই খাদ্য খেলে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হয়।

দূষিত খাদ্য আমাদের ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েড, জন্ডিসসহ বিভিন্ন মহামারি রোগে আক্রান্ত করে। বাসি-পচা এ খাবার গ্রহনে বিষক্রিয়া ঘটে মানুষ মৃত্যু মুখেও পতিত হয়।

উদ্দীপকের রবির হোটেলে খাবার খেয়ে পেট ব্যথা ও বমির সাথে পাতলা পায়খানা দেখা দিয়েছে। একারণে রবি পরবর্তীতে সতকর্তা অবলম্বন করবেন বলে ঠিক করেন। কারণ রবি যদি হোটেলে যাওয়ার পূর্বে এর পরিচ্ছন্নতার দিকে লক্ষ রাখতেন তবে তাকে এ পরিস্থিতিতে পড়তে হত না। এসকল বিষয়ে সতকর্তা অবলম্বন করলে খাদ্যের মাধ্যমে সৃষ্ট রোগ জীবাণু মানুষের মধ্যে প্রবশে করতে পারে না। আবার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্য গ্রহণ করলে তা শরীরের জন্য লাভজনকও হয়। খাদ্যের পুষ্টিমূল্য বজায় রেখে রান্না করা হলে পুষ্টিহীনতায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে না। তাছাড়া রবি যদি এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করে তবে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডের মত মহামারি রোগ থেকেও সে মুক্তি পাবে। তাই বলা যায়, হোটেলে খাবার ব্যাপারে রবির সচেতনতার গুরুত্ব অপরিসীম।

131
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

আনারসের জ্যাম তৈরির জন্য আনারস লম্বায় দু'ফালি করে চামচ দিয়ে কুরিয়ে নিতে হবে। এরপর কোরানো আনাসর ও চিনি এক সাথে জ্বাল দিতে হবে। জাল দেওয়ার এক পর্যায়ে সিরা ঘন হলে নামিয়ে বোতলে ভরতে হবে এবং ঠান্ডা হলে বোতলের মুখে মোম গলিয়ে জ্যাম ঢেকে দিতে হবে।

263
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত খাবার দুটি কারণে নষ্ট হয়। এর একটি হলো খাবারের মধ্যে এনজাইমের সৃষ্টি এবং অপরটি হলো খাবারে জীবাণু দ্বারা আক্রমণ।

উদ্দীপকে সুদীপ্তর বাবার কেনা ফল, মাছ এবং মাংস পচনশীল খাদ্য। এগুলো খোলা জায়গায় রাখার ফলে এদের মধ্যে এক প্রকার জারক রস বা এনজাইমের সৃষ্টি হয়। এই জারক রসের সহায়তায় ফল পাকতে শুরু করে। ফল পাকার সময় ফলের মধ্যে রাসায়নিক পরিবর্তন সংঘটিত হয়ে থাকে। এই পাকার কাজটি কয়েক দিন ধরে চলতে থাকায় ফলমূল জারক দ্রব্যের সাহায্যে পরিবর্তিত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। আবার মাছ বা মাংস কয়েক দিন উন্মুক্ত অবস্থায় বাতাসে থাকায় অক্সিজেনের সংস্পর্শে এতে জীবাণু জন্ম নেয়। ফলে তা খাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়ে। সাধারণত ঈস্ট, ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়া এই তিন প্রকার জীবাণু দ্বারা খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হয়ে যায়।

269
উত্তরঃ

সুদীপ্তর বাবা বাজার থেকে এনেছেন ফল, মাছ ও মাংস। এগুলো সব পচনশীল খাদ্য হওয়ায় তিনি হিমায়িতকরণের মাধ্যমে তা সংরক্ষণ করতে পারতেন। কারণ নিম্নতাপে খাদ্যবস্তুতে পানি জমে যায় ফলে জীবাণুর বংশবৃদ্ধি ও এনজাইম ক্রিয়া করতে পারে না। এতে সহজে খাদ্য নষ্ট হয় না। এ পদ্ধতিতে মাছ, মাংস, ডিম, ফলের রস ও অন্যান্য খাদ্য অবিকৃত অবস্থায় রাখা হয়। ফলে খাদ্যের পুষ্টিমান, গন্ধ ও বর্ণ অনেকটাই অপরিবর্তিত থাকে। এক্ষেত্রে তিনি ফল ও সবজির টুকরা ২- ৩ মিনিট ফুটন্ত পানিতে ভাপিয়ে নিয়ে পরে হিমশীতল পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে পানি ঝরিয়ে বায়ুশূন্য পলিথিনে মুড়ে ফ্রিজে রাখতে পারতেন। এছাড়া তিনি মাছ, মাংসকে ০°- ৫° সে. তাপমাত্রায় অর্থাৎ হিমাঙ্কের নিচে রেফ্রিজারেটরের ডিপফ্রিজে ৩-৪ মাস পর্যন্ত রাখা যায়।

সুতরাং বলা য়ায, সুদীপ্তর বাবা যদি খাবারগুলো খোলা অবস্থায় ফেলে না রেখে, খাবার সংরক্ষণ করার জন্য হিমায়িতকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করতেন তাহলে তা নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করতে পারতেন।

234
উত্তরঃ

পাস্তুরাইজেশনের মূল উদ্দেশ্য যক্ষ্মা, টাইফয়েড প্রভৃতি জীবাণুর হাত থেকে খাদ্যকে রক্ষা করা।

310
উত্তরঃ

খাদ্য সংরক্ষণের অন্যতম পদ্ধতি হলো স্ফুটন। এই পদ্ধতিতে ১০০° সে. তাপমাত্রায় খাদ্যকে ফুটিয়ে রান্না করা হয়। এর ফলে খাদ্যের মধ্যস্থিত অণুজীবের ক্রিয়া ধ্বংস হয়। মাছ, মাংস, দুধ প্রভৃতি এই পদ্ধতিতে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। সাধারণত বাসা বাড়িতে এই পদ্ধতিতে খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণ করা হয়।

367
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews