হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) ছিলেন দক্ষ শাসক। তিনি মসজিদে নববি'র সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধন করেন। প্রশাসনিক কাজে কর্মকর্তাদের ব্যবসা থেকে দূরে রাখতেন। তাঁর সময়ে কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। সকল ধর্মের লোক স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করত। ন্যায়পরায়ণতার জন্য তাঁকে ইসলামের 'পঞ্চম খলিফা' বলা হয়।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ শেষ নবি হযরত মুহাম্মদ (স.) উমর ফারুক (রা.) সম্পর্কে বলেছিলেন, 'আমার পরে যদি কোনো নবি থাকত, তবে সে হতো উমর।'
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

"সাইমুম-ঝড়ে। পড়েছে কুটির, তুমি পড়নি কনুয়ে" - এই চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ' কবিতার অংশ। আক্ষরিক অর্থে, প্রচন্ড সাইমুম নামক ঝড় এসে কুঁড়েঘর ভেঙে দিলেও ছোট নৌকা বা কানু (কনুয়ে) অক্ষত আছে, সে পড়ে যায়নি।

এই পঙক্তিটির মাধ্যমে কবি নিজের অদম্য ইচ্ছা এবং দৃঢ়তার কথা ব্যক্ত করেছেন। এখানে 'সাইমুম ঝড়' প্রতীকী অর্থে জীবনের সকল প্রতিকূলতা, বাধা-বিপত্তি বা ধ্বংসাত্মক শক্তিকে নির্দেশ করে, আর 'কনুয়ে' বলতে কবির অবিচল আত্মবিশ্বাস, স্বপ্ন ও জীবনবোধের দৃঢ়তাকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, জীবনের শত বাধা-বিপত্তি ও ধ্বংসের মুখেও কবির মন বা স্বপ্ন অবিচল থাকবে, যা কিছুতেই ধ্বংস হবে না।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) এর ন্যায়পরায়ণতা, সুশাসন ও জনকল্যাণমূলক কার্যাবলীর সাথে কাজী নজরুল ইসলামের 'উমর ফারুক' কবিতার মূল চেতনার গভীর সাদৃশ্য রয়েছে। উভয় চরিত্রই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং প্রজাদের সামগ্রিক মঙ্গলের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে এক অনন্য আদর্শ স্থাপন করেছেন।

উদ্দীপকে হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) কে একজন দক্ষ শাসক হিসেবে দেখানো হয়েছে, যিনি মসজিদে নববির সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধন করেন। তিনি প্রশাসনিক কাজে সততা বজায় রাখতে কর্মকর্তাদের ব্যবসা থেকে দূরে রাখতেন, যার ফলস্বরূপ কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়। এছাড়াও, তাঁর শাসনকালে সকল ধর্মের লোক স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করত এবং তাঁর ন্যায়পরায়ণতার জন্য তাঁকে ইসলামের 'পঞ্চম খলিফা' বলা হয়।

কাজী নজরুল ইসলামের 'উমর ফারুক' কবিতায় দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর (র.) এর কঠোর ন্যায়বিচার, নির্ভীক নেতৃত্ব এবং জনগণের প্রতি অকৃত্রিম সেবার আদর্শকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। উদ্দীপকে বর্ণিত হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) এর চরিত্রও একই ধরনের আদর্শ, যেমন— ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দক্ষ প্রশাসন পরিচালনা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। এই মৌলিক দিকগুলোই উভয় ব্যক্তিত্বের মধ্যে সাদৃশ্যপূর্ণ বন্ধন তৈরি করে, যা তাঁদের ইসলামী শাসনের ইতিহাসে অবিস্মরণীয় করে তুলেছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) এবং পাঠ্যবইয়ের 'উমর ফারুক' কবিতার উমর ফারুক (র.) উভয়েই ন্যায়পরায়ণতা, জনকল্যাণ এবং আদর্শ শাসকের প্রতীক হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। উভয়ের শাসনপদ্ধতি, জনসেবার মানসিকতা এবং দৃঢ় নৈতিকতা এতটাই অভিন্ন যে, তাদের একই আদর্শের ধারক বলা যায়।

উদ্দীপকে হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.)-কে একজন দক্ষ শাসক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি মসজিদে নববির সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধন করেন। তিনি প্রশাসনিক কাজে কর্মকর্তাদের ব্যবসা থেকে দূরে রাখতেন, ফলে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়। তাঁর সময়ে কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রভূত উন্নতি সাধিত হয় এবং সকল ধর্মের লোক স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করত। এসব গুণাবলি তাঁকে ন্যায়পরায়ণতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, যার ফলস্বরূপ তাঁকে ইসলামের 'পঞ্চম খলিফা' উপাধি দেওয়া হয়। অন্যদিকে, 'উমর ফারুক' কবিতায় বর্ণিত উমর ফারুক (র.) ইসলামি শাসনের এক মহৎ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তাঁর শাসনামলে ন্যায়বিচার, প্রজাবৎসলতা, রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা এবং ব্যক্তিগত জীবনযাপন সবকিছুতেই ছিল এক অনুকরণীয় আদর্শ। তিনি ছিলেন কঠোর ন্যায়পরায়ণ, জনগণের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং রাষ্ট্রের কোষাগারকে ব্যক্তিগত ভোগবিলাস থেকে দূরে রেখেছিলেন।

হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) ও উমর ফারুক (র.)-এর আদর্শের প্রধান মিলগুলো হলো: প্রথমত, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.)-এর 'পঞ্চম খলিফা' উপাধি লাভ প্রমাণ করে যে তিনি উমর ফারুক (র.)-এর ন্যায়বিচারকে অনুসরণ করেছিলেন। উভয়ই সাধারণ মানুষের জন্য সমান বিচার নিশ্চিত করেছিলেন, যেখানে শাসক বা ধনী-গরিবের কোনো ভেদাভেদ ছিল না। দ্বিতীয়ত, জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নতি। উদ্দীপকে উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.)-এর সময়ে কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির কথা বলা হয়েছে, যা জনগণের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনেছিল। উমর ফারুক (র.)-ও জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তন ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। তৃতীয়ত, প্রশাসনিক দক্ষতা ও দুর্নীতিমুক্ত শাসন। উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) কর্মকর্তাদের ব্যবসা থেকে দূরে রেখে প্রশাসনে শৃঙ্খলা এনেছিলেন। উমর ফারুক (র.)-ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে একটি সুসংগঠিত ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন। চতুর্থত, ধর্মীয় সহনশীলতা। উদ্দীপকে উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.)-এর সময়ে সকল ধর্মের লোকের স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের কথা উল্লেখ আছে, যা উমর ফারুক (র.)-এর প্রতিষ্ঠিত উদার ও সহনশীল ইসলামিক শাসনের প্রতিফলন। উভয় শাসকই ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সাদাসিধে ছিলেন এবং রাষ্ট্রের সম্পদকে আমানত হিসেবে দেখতেন, যা তাদের একই আদর্শের ধারক হিসেবে প্রমাণ করে।

অতএব, উদ্দীপকের হযরত উমর ইবনু আব্দুল আজিজ (র.) এবং 'উমর ফারুক' কবিতার উমর ফারুক (র.) উভয়েই ন্যায়পরায়ণতা, মানবপ্রেম, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং জনকল্যাণমুখী শাসনের যে আদর্শ প্রতিষ্ঠা করেছেন, তা তুলনামূলক পর্যালোচনার মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। তাঁদের জীবন ও শাসনকাল ইসলামি ইতিহাসে এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায় রচনা করেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এ কারণে বলা যায়, তাঁরা একই আদর্শের ধারক ছিলেন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
40

Related Question

View All
উত্তরঃ

'পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার'- কথাটির মধ্য দিয়ে লেখক বাষ্প্রতিবন্ধী সুভার বিয়ের বয়স হওয়া সত্ত্বেও বিয়ে দিতে না পারায় পিতা-মাতার হৃদয়ের নীরব কষ্টকে বোঝাতে চেয়েছেন।

সুভা বাণীকন্ঠের ছোট মেয়ে। সে কথা বলতে পারে না। বাণীকণ্ঠ তার বড় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় ছোট মেয়ে সুভাকে বিয়ে দিতে পারেননি। তাই সুভার ভবিষ্যৎ নিয়ে বাণীকণ্ঠ এবং তার স্ত্রী উভয়েই চিন্তিত। সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তাদের হৃদয়ে নীরব কষ্ট সৃষ্টি হয়। লেখক সেই কষ্টকেই বলেছেন- পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার।

10.8k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার দিকটির সংগতি দেখানো হয়েছে।

শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অনেকে সমাজে অবহেলার শিকার হয়। এতে সমাজের মানুষ হীনম্মন্যতার পরিচয় দেয়। প্রতিবন্ধীদের প্রতি সহানুভূশীল হলে তবেই তারা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে এবং সমাজে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করতে পারবে।

'সুভা' গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। আনন্দের বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এলেও কথা বলতে না পারার বিষয়টি কিছুটা সুভার বাবা- মায়ের মনে নীরব হৃদয়ভারের জন্ম দেয়। উদ্দীপকের কল্যাণীর জন্মও পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসে। কিন্তু তার মানসিক প্রতিবন্ধিতার দিকটি সবাইকে চিন্তিত করে তোলে। তার মানসিক বিকাশ কিছুটা কম হয়েছে। 'সুভা' গল্পের সুভাও বাষ্প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার পরিবারের সবার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে কল্যাণী ও সুভার প্রতিবন্ধিতার দিকটি সংগতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

7.7k
উত্তরঃ

কল্যাণী ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন- মন্তব্যটি যথার্থ।

শারীরিক প্রতিবন্ধীরা আমাদের সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলার সম্মুখীন হয়। তারা আমাদের সমাজেরই অংশ, আমাদের মতোই মানুষ। তাই তাদের কল্যাণে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের সহানুভূতি পেলে তারা জীবনের পূর্ণতা লাভ করবে।

উদ্দীপকে কল্যাণীর মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে ঘটেনি। বিয়ের কথাবার্তায় তার বাবা পলাশ বাবু বরপক্ষের কাছে সে সব কথা খুলে বলেন। তারা সব শুনে উদারতার পরিচয় দেন। বরের বাবা সুবোধ বাবু মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে কল্যাণীকে ঘরে নিয়ে যেতে চান। অন্যদিকে 'সুভা' গল্পের সুভা বাষ্প্রতিবন্ধী। সে কথা বলতে পারে না। সবার কাছ থেকে অবহেলা পেলেও সুভা তার বাবার ভালোবাসা পেয়েছে। সুভার সাথে কেউ মেশে না বলে সে পোষা প্রাণীদের মাঝে নিজের একটি বিশাল জগৎ তৈরি করেছে।

উদ্দীপকের কল্যাণী ও 'সুভা' গল্পের সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন। কল্যাণী সুবোধ বাবুর উদারতায় পেয়েছে সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধান। অথচ 'সুভা' গল্পের সুভার পরিণতি এতটা মানবিকতায় সিক্ত হয়নি। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

5.9k
উত্তরঃ

শঙ্খের মধ্যে যেমন সমুদ্রের শব্দ শুনা যায়, তেমনি এই লাইব্রেরির মধ্যে কি হৃদয়ের উত্থানপতনের শব্দ শুনিতেছ

8.1k
উত্তরঃ

‘জীবিত ও মৃত ব্যক্তির হৃদয় পাশাপাশি এক পাড়ায় বাস করিতেছে’ – উক্তিটির মাধ্যমে গ্রন্থাগার বা বইয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বইয়ের পাতায় মৃত বা বিগত প্রজন্মের জ্ঞানী-গুণী মানুষের চিন্তা, দর্শন, অভিজ্ঞতা ও সৃষ্টিশীলতা সংরক্ষিত থাকে। যখন একজন জীবিত পাঠক সেই বই পড়েন, তখন যেন মৃত লেখকের হৃদয় বা মননের সাথে জীবিত পাঠকের মনের নিবিড় সংযোগ ঘটে।

এভাবে বইয়ের মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা জীবিত প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত হয়, যা মানবজাতির নিরন্তর জ্ঞানচর্চাকে সম্ভব করে তোলে। লেখক এবং পাঠকের এই আত্মিক মিলনকে তুলনা করা হয়েছে একই পাড়ায় বসবাস করা হৃদয়ের সাথে, যেখানে সময় ও স্থানের বাধা অতিক্রম করে জ্ঞান ও উপলব্ধির এক নিরন্তর বিনিময় ঘটে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
6.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews