হাজার হাজার সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে পুতুলের মতো দাঁড়িয়ে থাকে। মোহনলাল ও মিরমর্দান প্রাণপণে যুদ্ধ করেও মিরজাফরের। বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজিত হয়। ব্রিটিশ সৈন্যরা অনায়াসেই বাংলা দখল করে নেয়। এভাবেই ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন বাংলার স্বাধীনতার অবসান ঘটে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

সৌমিত্রি 'হলো লক্ষ্মণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

শত্রু লক্ষ্মণকে পথ দেখিয়ে লঙ্কায় নিয়ে আসা প্রসঙ্গে বিভীষণকে উদ্দেশ করে মেঘনাদ উক্তিটি করেছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মেঘনাদ একজন দেশপ্রেমী যোদ্ধা। রাম-রাবণের যুদ্ধে তাই সে স্বদেশ ও স্বজাতির পক্ষ অবলম্বন করে। কিন্তু ধর্ম ও ন্যায়ের অজুহাত দিয়ে তারই চাচা বিভীষণ রাম-লক্ষ্মণের পক্ষ নেন এবং তাকে হত্যা করার জন্য লক্ষ্মণকে পথ দেখিয়ে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে নিয়ে আসেন। বিভীষণের এহেন কাজের জন্য মেঘনাদ খেদের সঙ্গে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মিরজাফর ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় বিভীষণ চরিত্রে স্বজাতি-বিদ্বেষের দিকটি বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় স্বদেশ ও স্বজাতির প্রতি বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। সহোদর রাবণের সঙ্গ ত্যাগ করে তিনি শত্রু রামের পক্ষ অবলম্বন করেন। শুধু তাই নয়, ভ্রাতুষ্পুত্র মেঘনাদকে আক্রমণের জন্য লক্ষ্মণকে পথ দেখিয়ে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে নিয়ে আসেন।
কবিতা
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদে ঐতিহাসিক চরিত্র মিরজাফরের প্রসঙ্গ উপস্থাপিত হয়েছে। পলাশির যুদ্ধে সেনাপতি মিরমর্দান ও মোহনলাল বাংলার স্বাধীনতাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রাণপণ চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রধান সেনাপতি মিরজাফর ইংরেজ বাহিনীর সঙ্গে আঁতাঁত করে দেশবাসীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। সে ও তার সহযোদ্ধারা যুদ্ধক্ষেত্রে গিয়েও যুদ্ধ না করে পুতুলের মতো স্থির দাঁড়িয়ে থাকে। তাদের বিশ্বাসঘাতকতার পরিণামে ইংরেজ বাহিনী বাংলা দখল করে নেয়। 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিভীষণের আচরণেও একই ধরনের বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় মেলে। অর্থাৎ উদ্দীপকের মিরজাফর ও আলোচ্য কবিতার বিভীষণের আচরণ প্রায় একই রকম। সে বিবেচনায় উদ্দীপকের মিরজাফর 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বিভীষণের চরিত্রকে প্রতিনিধিত্ব করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার বিপরীতে মেঘনাদের প্রগাঢ় দেশপ্রেমের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' একটি কাহিনিমূলক কবিতা। এ কবিতার প্রধান দুই চরিত্র মেঘনাদ ও বিভীষণের আদর্শিক দ্বন্দ্বই কবিতাটির মূল বিষয়। তাদের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে একদিকে যেমন দেশপ্রেমের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে, অন্যদিকে প্রকাশ পেয়েছে ধর্মবোধ ও নৈতিকতা।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটি পলাশির যুদ্ধের ঐতিহাসিক পটভূমি নিয়ে রচিত। সেখানে নবাব বাহিনীর সড়ো প্রধান সেনাপতি মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতা ও ইংরেজ বাহিনীর সঙ্গে তার আঁতাঁতের দিকটি প্রাধান্য পেয়েছে। তার এমন আচরণের কারণেই নবাব বাহিনীর পরাজয় হয় এবং ব্রিটিশদের দখলে চলে যায় বাংলা। এভাবে দেশবাসীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে শত্রুর পক্ষাবলম্বন 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতারও অন্যতম দিক।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতা এবং আলোচ্য উদ্দীপক উভয়ক্ষেত্রেই স্বজাতির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার স্বরূপ চিত্রিত হয়েছে। কবিতায় চাচা বিভীষণের স্বদেশবৈরিতায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁর সমালোচনায় মুখর হয়েছে মেঘনাদ। বিভীষণের প্রতি বর্ষিত হয়েছে তার প্রবল ঘৃণা। সেই সাথে স্বদেশপ্রেমের কারণেই তাকে অসহায় অবস্থায় লক্ষণের হাতে জীবন দিতে হয়েছে। উদ্দীপকে এমন স্বদেশপ্রীতির পরিচয় মেলে না। এখানে বাংলার মানুষের বিশ্বাসঘাতকতায় বাংলায় স্বাধীনতা হারানোর দিকটিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। দেশের মোহনলাল ও মিরমর্দানের বীরত্বের কথা উদ্দীপকে থাকলে চরিত্র দুটি স্বদেশপ্রেমের গভীরতায় কবিতার মেঘনাদকে স্পর্শ করতে পারেনি। তাছাড়া স্বদেশের প্রতি আনুগত্য ও নৈতিকতার দ্বন্দ্বে স্বদেশকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরার কথা কবিতায় মূলবাণী হিসেবে উঠে এলেও উদ্দীপকে তার স্বরূপ অনুপস্থিত। তাই বলা যায়, স্বদেশপ্রীতির দৃষ্টান্ত থাকলেও উদ্দীপকটি 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাবকে সম্পূর্ণরূপে ধারণ করতে সক্ষম হয়নি। অর্থাৎ, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথাযথ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
23


“এতক্ষণে”- অরিন্দম কহিলা বিষাদে-
“জানিনু কেমনে আসি লক্ষ্মণ পশিল
 রক্ষঃপুরে! হায়, তাত, উচিত কি তব
 এ কাজ, নিকষা সতী তোমার জননী,
 সহোদর রক্ষঃশ্রেষ্ঠ? শূলিশম্ভুনিভ
 কুম্ভকর্ণ? ভ্রাতৃপুত্র বাসববিজয়ী! 
নিজগৃহপথ, তাত, দেখাও তস্করে?
 চণ্ডালে বসাও আনি রাজার আলয়ে?
 কিন্তু নাহি গঞ্জি তোমা, গুরু জন তুমি
 পিতৃতুল্য। ছাড় দ্বার, যাব অস্ত্রাগারে,
পাঠাইব রামানুজে শমন-ভবনে,
লঙ্কার কলঙ্ক আজি ভঞ্জিব আহবে।”
উত্তরিলা বিভীষণ, “বৃথা এ সাধনা,
ধীমান্! রাঘবদাস আমি; কী প্রকারে
 তাঁহার বিপক্ষ কাজ করিব, রক্ষিতে 
অনুরোধ?” উত্তরিলা কাতরে রাবণি;-
“হে পিতৃব্য, তব বাক্যে ইচ্ছি মরিবারে!
 রাঘবের দাস তুমি? কেমনে ও মুখে
 আনিলে এ কথা, তাত, কহ তা দাসেরে ! 
স্থাপিলা বিধুরে বিধি স্থাণুর ললাটে;
 পড়ি কি ভূতলে শশী যান গড়াগড়ি
 ধূলায়? হে রক্ষোরথি, ভুলিলে কেমনে
 কে তুমি? জনম তব কোন মহাকুলে?
 কে বা সে অধম রাম? স্বচ্ছ সরোবরে 
করে কেলি রাজহংস পঙ্কজ-কাননে; 
যায় কি সে কভু, প্ৰভু, পঙ্কিল সলিলে,
 শৈবালদলের ধাম? মৃগেন্দ্র কেশরী,
 কবে, হে বীরকেশরী, সম্ভাষে শৃগালে 
মিত্রভাবে? অজ্ঞ দাস, বিজ্ঞতম তুমি,
 অবিদিত নহে কিছু তোমার চরণে ।
 ক্ষুদ্রমতি নর, শূর, লক্ষ্মণ; নহিলে 
অস্ত্রহীন যোধে কি সে সম্বোধে সংগ্রামে? 
কহ, মহারথী, এ কি মহারথীপ্রথা ?
 নাহি শিশু লঙ্কাপুরে, শুনি না হাসিবে
 এ কথা! ছাড়হ পথ; আসিব ফিরিয়া
 এখনি! দেখিব আজি, কোন্ দেববলে,
 বিমুখে সমরে মোরে সৌমিত্রি কুমতি! 
দেব-দৈত্য-নর-রণে, স্বচক্ষে দেখেছ, 
রক্ষঃশ্রেষ্ঠ, পরাক্রম দাসের! কী দেখি 
ডরিবে এ দাস হেন দুর্বল মানবে?
নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রগভে পশিল 
দম্ভী; আজ্ঞা কর দাসে, শাস্তি নরাধমে । 
তব জন্মপুরে, তাত, পদার্পণ করে
বনবাসী! হে বিধাতঃ, নন্দন-কাননে
 ভ্রমে দুরাচার দৈত্য? প্ৰফুল্ল কমলে
 কীটবাস? কহ তাত, সহিব কেমনে 
হেন অপমান আমি,— ভ্রাতৃ-পুত্র তব?
 তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?”
 মহামন্ত্র-বলে যথা নম্রশিরঃ ফণী, 
মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী
রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে;
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে 
তুমি! নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা 
এ কনক-লঙ্কা রাজা, মজিলা আপনি! 
বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে 
পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী; প্রলয়ে যেমতি 
বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে !
 রাঘবের পদাশ্রয়ে রক্ষার্থে আশ্রয়ী 
তেঁই আমি । পরদোষে কে চাহে মজিতে?”
 রুষিলা বাসবত্রাস। গম্ভীরে যেমতি 
নিশীথে অম্বরে মন্দ্রে জীমূতেন্দ্ৰ কোপি, 
কহিলা বীরেন্দ্র বলী,—“ধর্মপথগামী, 
হে রাক্ষসরাজানুজ, বিখ্যাত জগতে 
তুমি; – কোন্ ধর্ম মতে, কহ দাসে, শুনি,
 জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব, জাতি,—এ সকলে দিলা 
জলাঞ্জলি? শাস্ত্রে বলে, গুণবান্ যদি 
পরজন, গুণহীন স্বজন, তথাপি 
নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ, পরঃ পরঃ সদা! 
এ শিক্ষা, হে রক্ষোবর, কোথায় শিখিলে? 
কিন্তু বৃথা গঞ্জি তোমা! হেন সহবাসে,
 হে পিতৃব্য, বর্বরতা কেন না শিখিবে ? 
গতি যার নীচ সহ, নীচ সে দুর্মতি।” 
[নির্বাচিত অংশ]


 

Related Question

View All
উত্তরঃ

সৌমিত্রি হলেন রাম ও লক্ষ্মণের ভ্রাতা। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত যোদ্ধা ও দক্ষ শাসক। তিনি রামচন্দ্রের রাজত্বকালে লঙ্কা বিজয়ের সময় রামের প্রধান সহযোগী ছিলেন।

Araf Rizvee
Araf Rizvee
2 years ago
1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews