হাশেম মিয়ার ঘটনার আলোকে আমি মনে করি যে, শব্দ দূষণ সমস্যাটি জনস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে। যেমন-
১. শ্রবণ ইন্দ্রিয়ের ওপর প্রভাব: অনেক দিন ১০০ ডেসিবেল শব্দের মধ্যে কাটালে বধিরতা দেখা দেয়। আর ১৬০ ডেসিবেল মাত্রার বিকট শব্দে কানের পর্দা ছিড়ে যায় এবং এর ফলে মানুষ স্থায়ীভাবে শ্রবণ ক্ষমতা হারায়।
২. শ্বসনের ওপর প্রভাব: শব্দ দূষণের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসের হার পরিবর্তন হয়। উঁচু তীব্র শব্দের প্রভাবে শ্বসন গভীরতা বেড়ে যায় এবং দ্রুত শ্বাস ত্যাগ করে।
৩. স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব: শব্দ দূষণের ফলে স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের বৃদ্ধি স্নায়ুর ক্রিয়ার হ্রাস ঘটায়।
৪. পরিবেশের ওপর প্রভাব: বোমা, পটকা, আতশবাজি ও সুপারসনিকের বিকট শব্দে পুরোনো বাড়িতে ফাটল ধরে এবং অনেক সময় জানালা ও দরজার কাচ ভেঙে যায়।
অতএব বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত শব্দ দূষণের সমস্যাটি জনস্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলে।
Related Question
View Allজ্ঞাতিসম্পর্ককে সামাজিক সংগঠনের মূল বিষয় বলা হয়।
নগর সমাজের মানুষেরা ধর্মকে একটি আনুষ্ঠানিক বিষয় বলে গণ্য করে।
বাংলাদেশ সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ মন্তব্যটি করেছিলেন প্রখ্যাত ফরাসি নৃবিজ্ঞানী ক্লদ লেভি স্ট্রস।
পঞ্চাশের দশকে ক্লদ লেডি স্ট্রসের নেতৃত্বে ইউনেস্কো বিশেষজ্ঞ মিশন বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান ও সামাজিক নৃবিজ্ঞান পঠন- পাঠনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিদর্শন করেন। লেভি স্ট্রস সেখানকার বিভিন্ন উপজাতির আদিম স্বতন্ত্র জীবনধারা দেখে এতই বিস্মিত হন যে, তিনি বাংলাদেশকে সমাজবিজ্ঞানী ও নৃবিজ্ঞানীদের স্বর্ণস্বরূপ বলে মন্তব্য করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!