হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের যথাযথ পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা- বক্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

রাশেদ সাহেব হোস্টেলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বসবাসের পাশাপাশি খাদ্যের ব্যবস্থা রেখেছেন। তার হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের যথাযথ পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা। বক্তব্যটি যথার্থ। পুষ্টিসম্মত ও পরিচ্ছন্ন খাদ্য পরিবেশন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাতিষ্ঠানিক খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কতগুলো বিষয় বিবেচনা করা হয়। যেমন-

সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য দৈনিক খাদ্যতালিকা তৈরি করতে হবে। ব্যবস্থাপক, পাচক, সাহায্যকারী, কর্মী প্রত্যেককে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। ব্যবস্থাপকের প্রত্যেকের দায়িত্ব বণ্টনে সজাগ হতে হবে। সকলের কাজ ব্যবস্থাপককে তদারকি করতে হবে। দৈনিক প্রয়োজনীয় চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য প্রস্তুত করতে হবে। এর ফলে খাদ্যের অপচয় রোধ করা যাবে। খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের মান উন্নয়ন করা ও মান বজায় রাখতে হবে। রন্ধন ও পরিবেশনে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে এবং জনস্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হতে হবে। রন্ধনশালার প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে হবে। বাজেট অনুযায়ী ব্যয় করতে হবে। খাদ্য ক্রয়, গুদামজাত, প্রক্রিয়াকরণ, রান্না ও পরিবেশন ইত্যাদি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। মেনু অনুযায়ী রন্ধন পদ্ধতিতে প্রয়োজনীয় তৈজসপত্র ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকতে হবে। পরিবেশন পদ্ধতি অনুযায়ী স্থানের বিন্যাস ঠিক করতে হবে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মীর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের পয়ঃপ্রণালি ও আবর্জনা নিষ্কাশনের ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। পরিবেশন তদারক করতে হবে। এতে রন্ধন পদ্ধতি সঠিক থাকবে এবং পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত হবে।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে রাশেদ সাহেব তার হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের যথাযথ পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত। করতে পারবেন।

184
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

শিশুর পুষ্টি চাহিদা বলতে শিশুর স্বাভাবিক, সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য যে ধরনের পুষ্টি উপাদান ও খাদ্য ব্যবস্থার প্রয়োজন তাকে বোঝায়। সাধারণত প্রথম ২ বছরে শিশু সর্বাধিক হারে বাড়তে থাকে। তাই এ সময় প্রতি একক ওজনে তার পুষ্টি চাহিদা বেশি হয়।

305
উত্তরঃ

মৌলি তার সন্তানকে বিভিন্ন ধরনের বাড়তি খাবার দিতে পারে।

শিশুর ছয় মাস পূর্ণ হলে দৈহিক বৃদ্ধির হার দ্রুত হয়। সেই সাথে তার পুষ্টি চাহিদাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই এই সময় শিশুকে দুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বাড়তি খাবার দিতে হয়। এক্ষেত্রে মৌলি তার শিশুকে নরম সিদ্ধ ডিমের কুসুম দিতে পারে। এছাড়া সবজি, আলু  সিদ্ধ দিতে পারে। এগুলো তার শিশুকে ভিটামিন 'এ' সরবরাহ করবে। চাল, ডাল ও সবজি দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে মৌলি তার সন্তানকে খাওয়াতে পারে। এগুলো তার সন্তানের বাড়তি শক্তির চাহিদা পূরণ করবে। এর পাশাপাশি সে কলিজা সিদ্ধ, রান্না করা মাংস বা মাছ দিতে পারে। এ খাদ্যগুলো তার শিশুকে লৌহ ও প্রোটিন সরবরাহ করবে। এছাড়া দুধসহ চালের গুড়ার সুজি খাওয়াতে পারে। দুধসহ জাউভাত বা ডাল দিয়ে জাউড়াত দিতে পারে। এর পাশাপাশি ডাল দিয়ে সিদ্ধ আলু চটকানো খাওয়াতে পারে। বিভিন্ন মৌসুমি ফল খাওয়াতে পারে। কচি মুরগীর স্যুপ সে তার শিশুকে দিতে পারে। উপরিউক্ত খাবারগুলোর মধ্যে প্রতিদিন এক খাবার না দিয়ে যেদিন যে খাবারটি তৈরি করা যায় সেদিন সেটি দিতে পারে।

206
উত্তরঃ

স্বাস্থ্যকর্মী মৌলিকে কতগুলো নিয়ম মেনে বাচ্চাকে বাড়তি খাবার দিতে বলেছেন। শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার খাওয়াতে হলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। মৌলিকে ও এসকল নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। নিয়মগুলো হলো-

প্রথমে একটি খাদ্য অল্প পাতলা করে সামান্য পরিমাণে বা ১-২ চামচ করে অভ্যাস করাতে হবে। শিশু কোনো খাবারের প্রতি অনীহা প্রকাশ করলে তাকে জোর করে খাওয়ানো যাবে না। বরং কিছুদিন পর আবার ঐ খাবারটি তৈরি করে তাকে খাওয়ানো যেতে পারে। একটি খাবার কিছুদিন দিয়ে তাকে অভ্যস্ত করতে হবে। ঘন ঘন খাবার পরিবর্তন করা যাবে না। এতে শিশুর পেট খারাপ করতে পারে। পাতলা ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে। শিশুর খাবারে অবশ্যই সবরকম পুষ্টি উপাদান থাকতে হবে। শিশুকে টাটকা ও তাজা খাবার খাওয়াতে হবে। বাসি খাবার দেয়া যাবে না। শিশুকে নির্দিষ্ট সময়ে খেতে দিতে হবে। তাকে অল্প অল্প করে নির্দিষ্ট সময় পর পর খাওয়াতে হবে। শিশুকে খাওয়ানোর ব্যাপারে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। শিশুকে বাইরের খাবার দেয়া যাবে না।

পরিশেষে বলা যায়, মৌলি তার সন্তানকে বাড়তি খাবার দেয়ার সময় উপরের বিষয়গুলো মেনে চলবে।

220
উত্তরঃ

যেসব খাদ্য আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ কার্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং রোগ প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখে তাদের প্রতিরক্ষাকারী খাদ্য বলে।

বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি ও ফলমূল এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এসব খাদ্য থেকে আমরা ভিটামিন ও খনিজ লবণ পেয়ে থাকি।

314
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews