উত্তরঃ

বাংলা কথ্যরীতিতে প্রথম গ্রন্থ রচনা করেন প্যারীচাঁদ মিত্র ওরফে টেকচাঁদ ঠাকুর। গ্রন্থের নাম : ‘আলালের ঘরের দুলাল’।

উত্তরঃ

Bankrupt= দেউলিয়া

Dead lock= অচল অবস্থা

Embargo= নিষেধাজ্ঞা

Inauguration = উদ্ভোধন

উত্তরঃ

কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরায়শী।  মহাকাব্যের নাম মহাশ্বশান।

উত্তরঃ

বাংলাভাষায় 'কালনেমির লঙ্কাভাগ' একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা। এর অর্থ, কর্ম না করেই ফলের ব্যাপারে অলীক কল্পনায় ডুবে থাকা। অনেকটা 'গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল'- এর মতো। বাগধারাটির উৎস বিখ্যাত মহাকাব্য রামায়ণ।

উত্তরঃ

‘সামনে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা’= প্রত্যুদগমন

উত্তরঃ

বাংলা ভাষা (বাঙলা, বাঙ্গলা, তথা বাঙ্গালা নামেও পরিচিত) একটি ইন্দো-আর্য ভাষা, যা দক্ষিণ এশিয়ার বাঙালি জাতির প্রধান কথ্য ও লেখ্য ভাষা

উত্তরঃ

তাল গাছের শেষ তিন হাত=(দুরুহ কাজের শেষাংশ) |

উত্তরঃ

‘মন দিয়ে কর সবে বিদ্যা উপার্জন’ = করণ কারকে ৩য় বিভক্তি

উত্তরঃ

 মহৈশ্বর্য = মহা+ ঐশ্বর্য

উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধ' (মুক্তির জন্য যুদ্ধ) হলো চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস

উত্তরঃ

ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান উপন্যাসের রচয়িতা - আবু জাফর শামসুদ্দীন।

উত্তরঃ

'আইলা' ও 'কিরিচ মালয় ভাষার শব্দ

উত্তরঃ

ধাতু বা শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত করার উদ্দেশ্য হলো - নতুন শব্দ গঠন করা। যেমন পৃথিবী শব্দের সাথে 'অ' প্রত্যয় যুক্ত হয় পার্থিব শব্দটি গঠিত হয়েছে। শব্দের সাথে যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠন হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

উত্তরঃ

নিকেত, নিকেতন /বিশেষ্য পদ/ আলয়, গৃহ, বাড়ি।

226

মহাকবি কায়কোবাদ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বাঙালি মুসলমান কবি। বাংলা মহাকাব্যের অস্তোন্মুখ এবং গীতিকবিতার স্বর্ণযুগে তিনি মুসলমানদের গৌরবময় ইতিহাস থেকে কাহিনি নিয়ে 'মহাশ্মশান' মহাকাব্য রচনা করে দুঃসাহস দেখিয়েছেন, যা তাঁকে গৌরবময় আসনে অলংকৃত করে। তিনি বাংলা মহাকাব্য ধারার কবি হিসেবে খ্যাত।

  • কায়কোবাদ ১৮৫৭ সালে ঢাকার নবাবগঞ্জের আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  • আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি কায়কোবাদ। প্রকৃত নাম মুহম্মদ কাজেম আল কুরায়শী। [সূত্র: বাংলা একাডেমি চরিতাভিধান।
  • তিনি বাঙালি মুসলিম কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য ও সনেট রচয়িতা। তাঁর কাব্য প্রতিভায় হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবীনচন্দ্র সেনের প্রভাব ছিল।
  • তিনি ১৯৩২ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সম্মেলনের মূল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
  • বাংলা কাব্য সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯২৫ সালে নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ তাঁকে 'কাব্যভূষণ', 'বিদ্যাভূষণ', 'সাহিত্যরত্ন' উপাধি প্রদান করেন।
  • তিনি ২১ জুলাই, ১৯৫১ সালে ঢাকায় মারা যান।

কায়কোবাদের মহাকাব্যের নাম 'মহাশ্মশান' (১৯০৪): এটি পানিপথের ৩য় যুদ্ধের কাহিনি (১৭৬১) অবলম্বনে রচিত।

মহাশ্মশান:

কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য 'মহাশ্মশান' (১৯০৪)। [অধিকাংশ বইয়ে 'মহাশ্মশান' এর প্রকাশসাল দেওয়া হয়েছে ১৯০৫, কিন্তু এটি হবে ১৯০৪ সাল। মোহাম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত 'কোহিনূর' পত্রিকায় মহাকাব্যটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এটি পানিপথের ৩য় যুদ্ধের কাহিনি (১৭৬১) অবলম্বনে রচিত। এ মহাকাব্য ৮৭০ পৃষ্ঠায় তিন খণ্ডে মোট ৬০টি সর্গে বিভক্ত। পানিপথের এ যুদ্ধে মারাঠাদের সাথে রোহিলা-অধিপতি নজিব-উদ্‌-দৌলা'র শক্তি পরীক্ষা হয়। কবির দৃষ্টিতে এটি উভয়ের শক্তিক্ষয় ও ধ্বংস, এজন্য তিনি একে 'মহাশ্মশান' বলেছেন। এ কাব্যে ঐতিহাসিক-অনৈতিহাসিক দুই ধরনের চরিত্রের সমাবেশ ঘটেছে। প্রশিক্ষিত মুসলিম যোদ্ধা ইব্রাহীম কার্দি মুসলিম শিবিরে চাকরি না পেয়ে মারাঠা কর্তৃক চাকরি পায় এবং সমাদৃত হয়। যুদ্ধ শুরু হলে ইব্রাহীম কার্দির স্ত্রী জোহরা মন্ত্রবেগ ছদ্মনাম ধারণ করে এসে স্বামীকে মুসলিম শিবিরে ফিরিয়ে নিতে চেষ্টা করে। ইব্রাহীম কার্দি বিশ্বাসঘাতকতা না করে মারাঠাদের জন্য যুদ্ধে জীবন দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। নায়ক ইব্রাহীম কার্দির মৃত্যু কাব্যটিকে ট্র্যাজিক করে তোলে। মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের কাহিনিও পানিপথের ৩য় যুদ্ধ। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: ইব্রাহীম কার্দি, জোহরা।

কায়কোবাদের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম:

  • 'বিরহবিলাপ' (১৮৭০): এটি কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ যা মাত্র বার বছর বয়সে রচনা করেন এবং তের বছর বয়সে প্রকাশিত হয়।
  • 'অশ্রুমালা (১৮৯৫): এটি গীতিকাব্য। এ কাব্যের বিখ্যাত কবিতা 'প্রার্থনা'।
  • 'মহরম শরীফ' (১৯৩২): এটি মহাকাব্যোচিত বড় আকারের একটি কাহিনিকাব্য।
  • 'অমিয়ধারা' (১৯২৩): এ কাব্যের বিখ্যাত কবিতা 'সুখ'।
  • 'কুসুমকানন' (১৮৭৩), 'শিবমন্দির' (১৯২১), 'শ্মশানভস্ম' (১৯৩৮)।
  • কায়কোবাদের বিখ্যাত কবিতা 'আযান'।

কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:

'প্রেমের ফুল' (১৯৭০), 'প্রেমের বাণী' (১৯৭০), 'প্রেম পারিজাত' (১৯৭০), 'মন্দাকিনী ধারা (১৯৭১), 'গওস পাকের প্রেমের কুঞ্জ' (১৯৭৯)।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মাছের মায়ের কান্না বাগধারার অর্থ মিথ্যাশোক।

বাক্য: খেলার সময় একটু আঘাত পেয়েই সে মাছের মার কান্না করছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
2k
উত্তরঃ

কান পাতলা অর্থ যে সব বিশ্বাস করে
>সে একজন কান পাতলা মানুষ তাকে সব কথা বলতে নেই।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
830
উত্তরঃ

কলির সন্ধ্যা বাগধারাটির অর্থ দুর্দিন বা দুঃখের সূত্রপাত।

বাক্য: চাকরি চলে যাওয়ায় তার জীবনে কলির সন্ধ্যা নেমে এসেছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
783
উত্তরঃ

লম্বা দেওয়া বাগধারাটির অর্থ: চম্পট দেওয়া

বাক্য: সে অনেক টাকা হাতিয়ে নিয়ে লম্বা দিয়েছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.9k
উত্তরঃ

সোনায় সোহাগা

অর্থ: উপযুক্ত মিলন
বাক্য: তার সুন্দর চোখ আবার মিষ্টি হাসি যেন সোনায় সোহাগা।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
1.1k
উত্তরঃ

মিছরির ছুরি বাগধারাটির অর্থ হল মুখে মধু অন্তরে বিষ।
বাক্য: সে মিছরির ছুরি দিয়ে অনেকের সাথে প্রতারণা করেছে।

Arif Hossain
Arif Hossain
2 years ago
5.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews