উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী লেখার সময়কাল ছিল —১৯৬৬-৬৯।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরকে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ আঙিনায় সমাহিত করা হয়।

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধ জাহাজের নাম বানৌজা পদ্মা 

Zayed Ibn Sabith
Zayed Ibn Sabith
2 years ago
উত্তরঃ

September on Jessore Road' এর লেখক  অ্যালেন গিনসবার্গ

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম  জয়বাংলা

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' - গ্রন্থটির লেখক সৈয়দ শামসুল হক।

MGM Hera
MGM Hera
2 years ago
উত্তরঃ

'Let there be light' বিখ্যাত ছবিটি পরিচালনা করেন  জহির রায়হান

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

Google এর প্রতিষ্ঠাতার নাম লেরি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন 

Md. Sarwar Jahan
Md. Sarwar Jahan
2 years ago
উত্তরঃ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার জঙ্গল গোয়ালিয়া পালং-এ অবস্থিত এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।

Zayed Ibn Sabith
Zayed Ibn Sabith
2 years ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধের সময় 'মুজিবনগর'  ৮নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

ক্যাম্পডেভিড চুক্তি সম্পাদিত হয়  মিশর ও ইসরাইল এর মধ্যে 

Zayed Ibn Sabith
Zayed Ibn Sabith
2 years ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

অস্থায়ী সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী (১৭ এপ্রিল)

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

'নূরলদীনের সারাজীবন' এর লেখকের নাম সৈয়দ শামসুল হক

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

 বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একজন বিদেশি নাগরিকের নাম ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

বাংলাভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনের নাম চর্যাপদ 

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

ইউরোপে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় অষ্টাদশ শতাব্দীতে

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

ফরাসি বিপ্লবের সময়কাল ১৭৮৯-১৭৯৯

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

নিউজউইক পত্রিকা বঙ্গবন্ধুকে ‘পয়েট অব পলিটিক্স’ হিসেবে আখ্যায়িত করে

Tamanna
Tamanna
2 years ago
উত্তরঃ

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ

Tamanna
Tamanna
2 years ago
121

প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। এর ভাষা ও বিষয়বস্তু দুর্বোধ্য এবং এর কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সাধক। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। এ সময়ের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গোষ্ঠী কেন্দ্রিকতা ও ধর্মনির্ভরতা। ধর্মের বিষয়টি সমাজজীবনের চিন্তাভাবনাকে নিয়ন্ত্রিত করেছে, তাই সাহিত্যে ধর্মের কথা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

প্রাচীন যুগের সময়কাল-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে৬৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে৯৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুকুমার সেনের মতে৯০০-১৩৫০ খ্রি.

চর্যাপদ: বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য/কবিতা সংকলন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে 'চর্যাচর্য বিনিশ্চয়' নামক পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের সাথে 'ডাকার্ণব' ও 'দোহাকোষ' নামে আরও দুটি বই নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়। ১৯১৬ সালে সবগুলো বই একসাথে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।

বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধধর্মালম্বী। তাদের আমলে চর্যাগীতিগুলোর বিকাশ ঘটেছিল। সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে পদগুলো রচিত। পাল বংশের পরে আসে সেন বংশ। সেন বংশ হিন্দুধর্ম এবং ব্রাহ্মণ্যসংস্কার রাজধর্ম হিসাবে গ্রহণ করে। ফলে বৌদ্ধ সিদ্ধচার্যেরা এদেশ হতে বিতাড়িত হয় এবং নেপালে আশ্রয় গ্রহণ করে। তাই বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বাংলাদেশের বাহিরে নেপালে পাওয়া গেছে।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী - উইকিপিডিয়া
ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

চর্যাপদের শব্দগুলো অপরিচিত, শব্দ ব্যবহারের রীতি বর্তমানের রীতি থেকে ভিন্ন --এর কবিতাগুলো পড়ে বুঝতে কষ্ট হয়। এজন্য চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যা ভাষা'ও বলে। চর্যাপদের কবিতাগুলো গাওয়া হত। তাই এগুলো একইসাথে গান ও কবিতা।

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তার 'বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ' (Origin and Development of Bengali language) নামক গ্রন্থে ধ্বনি তত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, পদসংকলনটি আদি বাংলা ভাষায় রচিত। কেউ কেউ একে মৈথিলি, উড়িয়া বা আসামি ভাষা বলে দাবি করেন। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সেকালের বাংলা, উড়িয়া বা আসামি ভাষার পার্থক্য ছিল সামান্যই। উল্লেখ্য যে, চর্যাপদ উড়িষ্যা, বিহার, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নিজ নিজ ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসাবে বিবেচিত।

এতে মোট ৫১ টি পদ'রয়েছে। কয়েক পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সর্বমোট সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া গেছে। ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে উদ্ধার করা হয়েছে অর্থাৎ এর শেষাংশ পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদগুলো পাওয়া যায়নি। চর্যাপদের মোট পদকর্তা ২৪। অনেকের মতে, আদি চর্যাকার লুইপা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীনতম চর্যাকার শবরপা এবং আধুনিকতম সরহ বা ভুসুকু। কাহ্নপা সর্বাধিক ১৩ টি পদ রচনা করেন।

রাজশাহী কলেজ গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুর্লভ চর্যাপদ এর অংশবিশেষ

চর্যাপদের কবি / পদকর্তা-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে২৩ জন
ড. সুকুমার সেনের মতে২৪ জন

পদকর্তা: লুই, শবর, ককুরী, বিরুআ, গুণ্ডারী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কামলি, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, আজদেব, ঢেণ্টণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তন্ত্রী ও লাড়ীডোম্বী। পদকর্তাদের নামের শেষে সম্মানসূচক 'পা' যোগ করা হয়। যেমন: লুই থেকে লুইপা, শবর থেকে শবরপা।

কাহ্ন : ১৩ টি পদ রচনা করেন।

ভুসুকু : ৮ টি পদ রচনা করেন।

সরহ : ৪ টি পদ রচনা করেন।

লুই, শান্তি ও শবরী: ২ টি করে পদ রচনা করেন।

বাকিরা : ১ টি করে পদ রচনা করেন।

লাড়ীডোম্বী : কোন পদ পাওয়া যায়নি।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫০টি এবং প্রাপ্ত পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি।

ড. সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫১টি।

চর্যাপদের যে পদ পদ পাওয়া যায়নিঃ

২৩ নং অর্ধেক, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ।

যেসব পদ পাওয়া যায়নি সেগুলোর রচয়িতাঃ

২৩- ভুসুকুপা, ২৪- কাহ্নপা, ২৫- তান্তীপা, ৪৮- কুকুরীপা।

চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাঃ

লুইপা। তিনি ২টি পদ রচনা করেন। যথা: ১, ২৯। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, তিনি রাঢ় অঞ্চলের বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, তিনি শবরপার শিষ্য ছিলেন। লুইপাকে আদি চর্যাকার হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

চর্যাপদের প্রথম পদটিঃ

কাআ (শরীর) তরুবর পঞ্চ বি ডাল।

চঞ্চল চীএ পইঠো কাল ॥

দিঢ় করিঅ মহাসুহ পরিমাণ।

লুই ভণই (বলে) গুরু পুচ্ছিঅ জাণ ॥

সঅল সহিঅ কাহি করিঅই।

সুখ দুখেতে নিচিত মরিঅই ॥

এড়ি এউ ছান্দক বান্ধ করণক পাটের আস।

সুনুপথ ভিতি লেহু রে পাস ॥

ভণই লুই আমহে ঝাণে দিঠা।

ধমণ চমণ বেণি পিত্তি বইঠা ॥

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারির ভাষা।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এর ভাষার নাম 'বঙ্গকামরূপী'। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

চর্যাপদের অনুবাদক

ভাষা

অনুবাদক

অনূদিত নাম

তিব্বতিকীর্তিচন্দ্র-
হিন্দিরাহুল সাংকৃত্যায়নদোহাকোষ (১৯৫৭)
ইংরেজিহাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদমিস্টিক পোয়েট্রি অব বাংলাদেশ (২০১৭)
সংস্কৃতপ্রবোধচন্দ্র বাগচী-
চিত্রঃ কাহ্নপার নকশা

Related Question

View All
উত্তরঃ চর্যাপদ

চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রাচীনতম বাংলা কাব্য। এটি খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের এক ধরণের গান ও কবিতা সংকলন। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস জানতে এবং প্রাচীন বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় জীবন সম্পর্কে এটি মূল্যবান তথ্য প্রদান করে।

১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদের ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' নামে পরিচিত, যার অর্থ আংশিক আলো ও আংশিক অন্ধকারময় বা দ্ব্যর্থবোধক ভাষা।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
451
উত্তরঃ চর্যাপদ

প্রাচীন যুগে রচিত বাংলা সাহিত্যের একমাত্র নিশ্চিত নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজকীয় গ্রন্থশালা থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে প্রকাশিত হয়।

চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত কিছু গান বা কবিতা, যা তাদের ধর্মীয় ও দার্শনিক চিন্তাভাবনা প্রকাশ করে। এর ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষারূপের একটি উদাহরণ এবং এটি আধুনিক বাংলা ভাষার উদ্ভবের প্রথম ধাপ নির্দেশ করে। চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরীপা, সরহপা প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। চর্যাপদ শুধুমাত্র বাংলা সাহিত্যেরই নয়, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ইতিহাসের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
358
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন।

চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ও প্রথম নিদর্শন। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত গান ও কবিতার একটি সংকলন, যা খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়।

১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে তাঁরই সম্পাদনায় 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদগুলি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া মতের তত্ত্ব ও সাধনপ্রণালী ব্যাখ্যা করে, যা 'সন্ধ্যাভাষা' বা 'সান্ধ্যভাষা' নামক একটি রূপক ভাষায় রচিত। এতে মোট ৫১টি পদ ছিল, যার মধ্যে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ এবং ৪৬ জন কবির নাম (যেমন- লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরপা প্রমুখ) পাওয়া গেছে। চর্যাপদ কেবল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসেই নয়, বাংলা ভাষার বিবর্তন ও তৎকালীন সমাজের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কেও মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
335
উত্তরঃ চর্যাপদ

বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য হিসেবে বিবেচিত। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে এটি প্রকাশিত হয়। চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত গান ও পদের সংকলন। এতে মোট ৫০টি পদ ছিল, যার মধ্যে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতো ভাষাবিদগণ চর্যাপদের ভাষা ও রচনার সময়কাল নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা করেছেন। চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস এবং বাংলা ভাষার বিবর্তনের গবেষণায় এক অমূল্য সম্পদ।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
379
উত্তরঃ

পদ বলতে বৈষ্ণব ধর্মতত্ত্বের প্রভাবে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলাকে কেন্দ্র করে রচিত এক প্রকার গীতি-কবিতাকে বোঝায়।

তিন জন পদকর্তার নাম: বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস।


মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলো বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্য, যার মূল বিষয়বস্তু হলো রাধা ও কৃষ্ণের অলৌকিক প্রেমলীলা। এই প্রেমলীলা বর্ণনা করতে গিয়ে পদকর্তাগণ যে গীতি-কবিতা রচনা করেছেন, তাই 'পদ' নামে পরিচিত। এই পদগুলো সাধারণত সুর করে গাওয়া হতো এবং রাগ-রাগিণী অনুযায়ী রচিত হতো। বৈষ্ণব দর্শন ও ভক্তিবাদের গভীর প্রভাব এই পদাবলির রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিদ্যমান।

পদাবলির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

  • বিষয়বস্তু: রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, বিরহ, মিলন, আক্ষেপ, এবং ভক্তিভাব।
  • ভাষা: ব্রজবুলি (মৈথিলি, অবহট্ঠ ও বাংলার মিশ্র রূপ) এবং বাংলা ভাষার ব্যবহার।
  • গীতিময়তা: পদগুলো সুর করে গাওয়ার উপযোগী করে রচিত।
  • দার্শনিক ভিত্তি: বৈষ্ণব ভক্তিবাদের মাধুর্যরস ও ঈশ্বর প্রেমের গভীর প্রকাশ।

উল্লেখযোগ্য পদকর্তাগণের মধ্যে অন্যতম হলেন:

  • বিদ্যাপতি: তিনি মিথিলার কবি হলেও তার ব্রজবুলি ভাষায় রচিত পদাবলি বাংলা বৈষ্ণব সাহিত্যে বিশেষভাবে সমাদৃত। তার পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো রূপ ও সৌন্দর্য বর্ণনা।
  • চণ্ডীদাস: তার পদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো রাধার আত্মনিবেদন ও প্রেম নিবেদনের সরলতা ও গভীরতা। তিনি বিরহের কবি হিসেবে পরিচিত।
  • জ্ঞানদাস: বিদ্যাপতির অনুসারী হিসেবে পরিচিত হলেও তার পদে নিজস্ব মৌলিকতা ও মানবিক আবেদন লক্ষ্য করা যায়।
  • গোবিন্দদাস: বিদ্যাপতির ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, তার পদে অলংকার ও কারুকার্যময়তার সাথে ভাবের গভীরতার প্রকাশ ঘটেছে।

এই পদাবলি বাংলা সাহিত্যের সম্পদ এবং মধ্যযুগের কাব্যকলার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
291
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews