১৯৬৭ সালের ৮ই আগস্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশ নিয়ে একটি সংস্থা গঠিত হয়। সংস্থাটি অন্যতম লক্ষ্য হলো সম্মিলিত উদ্যোগে অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা এবং উক্ত অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

সার্কের মূল লক্ষ্য সদস্যভুক্ত দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতা।

উত্তরঃ

একেক রাষ্ট্রের সমস্যা ও প্রয়োজন একেক রকম। কোনো রাষ্ট্রের পক্ষেই এককভাবে তার সকল প্রয়োজন পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই একই অঞ্চলে অবস্থিত রাষ্ট্রগুলো পরস্পর পরস্পরকে সহযোগিতা করে। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গড়ে ওঠে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে আসিয়ান (ASEAN)-এর কথা বলা হয়েছে।
আসিয়ান এর পূর্ণ নাম Association of South-East Asian Nations (ASEAN). বাংলায় বলা হয় দক্ষিণ-পূর্ব জাতিসমূহের সংস্থা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশ নিয়ে ১৯৬৭ সালের ৮ই আগস্ট এ সংস্থাটি গঠিত হয়। এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইন, লাওস, মিয়ানমার ও সিঙ্গাপুর। আসিয়ানের সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অবস্থিত। সংস্থাটি অন্যতম লক্ষ্য হলো সম্মিলিত উদ্যোগে অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা এবং উক্ত অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

উদ্দীপকে একটি সংস্থার কথা বলা হয়েছে, যা দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশ নিয়ে ১৯৬৭ সালের ৮ই আগস্ট গঠিত হয়। সংস্থাটির এসব বৈশিষ্ট্যের সাথে আসিয়ানের মিল রয়েছে। তাছাড়া উক্ত সংস্থাটির অন্যতম লক্ষ্য হলো সম্মিলিত উদ্যোগে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করা। তেমনি আসিয়ানের লক্ষ্যও একই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আসিয়ান সংস্থার কথা বলা হয়েছে।

উত্তরঃ

উক্ত সংস্থার অর্থাৎ আসিয়ানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিচে আলোচনা করা হলো-

  • সম্মিলিত উদ্যোগে অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করা;
  • দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সদস্য দেশগুলোর শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
  • সদস্য দেশগুলোর সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে সৌহার্দ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ভিত্তিতে কাজ করা;
  • পেশাগত ও কারিগরি ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ব্যবস্থা করা;
  • সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কৃষি ও শিল্পে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করা। উদ্দীপকের সংস্থাটির সব বৈশিষ্ট্যের সাথে আসিয়ান সংস্থাটির বৈশিষ্ট্য হুবহু মিলে যায়। তাই উক্ত সংস্থাটি আশিয়ান।
205

বর্তমানে আধুনিকযুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। এদের মধ্যে অন্যতম হলো জাতিসংঘ। বিশ্বে শান্তি স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে জাতিসংঘ গঠন করা হয়। বিশ্বের প্রায় সকল রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেছে। তাছাড়া রয়েছে বিভিন্ন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ প্রভৃতি। এসব সংস্থা তাদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যৌথভাবে কাজ করে। আমরা পঞ্চম শ্রেণিতে জাতিসংঘের বিভিন্ন শাখা, জাতিসংঘের উন্নয়নমূলক সংস্থা ও সার্ক সম্পর্কে জেনেছি। এ অধ্যায়ের পাঠগুলোতে আমরা বিভিন্ন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা সম্পর্কে জানব।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-

  • আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • একই অঞ্চলভুক্ত বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র উল্লেখ করতে পারব;
  • বিশ্বের উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার গঠন এবং কার্যক্রম বর্ণনা করতে পারব;
  • পারস্পরিক সম্প্রীতি, সহযোগিতা, সৌহার্দ, ভ্রাতৃত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে দুটি দেশের মধ্যে যে চুক্তি সম্পন্ন হয় তাকে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি বলা হয়।
বর্তমানে এ ধরনের চুক্তি বেড়েই চলেছে। কারণ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি।

415
উত্তরঃ

নেপালে গিয়ে রাহাতের গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে গঠন করেছে সার্ক (SAARC)। এ দেশসমূহ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান। সার্ক সদস্য দেশগুলোর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে।
উদ্দীপকের রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালের শিল্পকলা একাডেমিতে গান পরিবেশন করে, যা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত। আর দুই দেশের পারস্পরিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালে গান পরিবেশন করেন। এটি যুক্তিযৌক্তিক।

585
উত্তরঃ

উক্ত কাজটি তথা সাংস্কৃতিক কাজটি ছাড়াও সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে কাজ করে উক্তিটি যথার্থ। সার্ক সংস্থাটির মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য। কল্যাণমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তোলা। উক্ত অঞ্চলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও সমস্যা দূর করে পারস্পরিক সমঝোতা সৃষ্টি করা। উদ্দীপকে রাহাতের নেপালে গিয়ে গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অংশ। সংস্কৃতি ছাড়াও সংস্থাটির কর্মকান্ড সমাজ, শিক্ষা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত। অর্থাৎ সার্কের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও সম্ভাব বজায় রাখার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।

292
উত্তরঃ

বর্তমানে আধুনিক যুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ, জাতিসংঘ ইত্যাদি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।

312
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews