উত্তরঃ

বাতাসের তাপমাত্রা হ্রাস পেলে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমার ফলে আর্দ্রতা কমে যায়।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটতম গ্রহ শুক্র।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

কোন বস্তুর উপর পৃথিবীর যে আকর্ষণ তাকে মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বল বলে।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

CFC এর পূর্ণরূপ Chlorofluorocarbon ।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ চর্যাপদ

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম গ্রন্থ হলো চর্যাপদ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগার থেকে। এটি বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত এবং এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গানের সংকলন।

চর্যাপদ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

        
  • আবিষ্কারক: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
  •     
  • আবিষ্কারের স্থান: নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগার।
  •     
  • আবিষ্কারের সাল: ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দ।
  •     
  • প্রকাশকাল: ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে 'হাজার বছরের পুরনো বাংলা ভাষার বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়।
  •     
  • রচনাকাল: অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়।
  •     
  • ভাষা: এতে প্রাচীন বাংলা ভাষার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যা 'সন্ধ্যা ভাষা' নামেও পরিচিত।
  •     
  • রচয়িতা: বিভিন্ন বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যগণ, যেমন - লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরপা, ডোম্বীপা প্রমুখ। মোট ২৪ জন সিদ্ধাচার্যের ৫১টি পদ পাওয়া গিয়েছিল, তবে ২৩ জন কবির ৪৬টি সম্পূর্ণ পদ এবং একটি খণ্ডিত পদের অংশবিশেষ (মোট সাড়ে ৪৬টি পদ) প্রচলিত।
  •     
  • বিষয়বস্তু: বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় তত্ত্ব, সাধন প্রণালী এবং তৎকালীন সমাজের চিত্র, যেমন - দারিদ্র্য, কুসংস্কার, নারীর অবস্থা ইত্যাদি রূপক ও প্রতীকের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

বায়ু অপেক্ষা পানিতে শব্দের বেগ ৪ গুণ বেশি।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য হলো 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়'।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ভানুসিংহ ।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

 ‘’সোজন বাদিয়ার ঘাট’’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা পল্লী কবি জসীম উদ্দীন।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘর (রাজশাহী)।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

‘‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সুরকার আবদুল গাফ্ফার চৌধুরি।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধুর 'স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস ১০ জানুয়ারি।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানবেরা।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার দেশের সীমানা রয়েছে।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

 আন্তর্জাতিক বিচারালয় নেদারল্যান্ডসের দ্যা হেগে অবস্থিত।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি নাটক হলো রক্তকবরী।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

পুতুল নাচের ইতিকথা' একটি উপন্যাস।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম গ্রন্থের নাম চর্যাপদ।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
167

প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। এর ভাষা ও বিষয়বস্তু দুর্বোধ্য এবং এর কবিরা ছিলেন বৌদ্ধ সাধক। এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। এ সময়ের সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো গোষ্ঠী কেন্দ্রিকতা ও ধর্মনির্ভরতা। ধর্মের বিষয়টি সমাজজীবনের চিন্তাভাবনাকে নিয়ন্ত্রিত করেছে, তাই সাহিত্যে ধর্মের কথা বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

প্রাচীন যুগের সময়কাল-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে৬৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এর মতে৯৫০-১২০০ খ্রি.
ড. সুকুমার সেনের মতে৯০০-১৩৫০ খ্রি.

চর্যাপদ: বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য/কবিতা সংকলন চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদিযুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন। ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ১৯০৭ সালে 'চর্যাচর্য বিনিশ্চয়' নামক পুঁথিটি আবিষ্কার করেন। চর্যাপদের সাথে 'ডাকার্ণব' ও 'দোহাকোষ' নামে আরও দুটি বই নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়। ১৯১৬ সালে সবগুলো বই একসাথে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে প্রকাশ করেন।

বাংলার পাল বংশের রাজারা ছিলেন বৌদ্ধধর্মালম্বী। তাদের আমলে চর্যাগীতিগুলোর বিকাশ ঘটেছিল। সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে পদগুলো রচিত। পাল বংশের পরে আসে সেন বংশ। সেন বংশ হিন্দুধর্ম এবং ব্রাহ্মণ্যসংস্কার রাজধর্ম হিসাবে গ্রহণ করে। ফলে বৌদ্ধ সিদ্ধচার্যেরা এদেশ হতে বিতাড়িত হয় এবং নেপালে আশ্রয় গ্রহণ করে। তাই বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন বাংলাদেশের বাহিরে নেপালে পাওয়া গেছে।

হরপ্রসাদ শাস্ত্রী - উইকিপিডিয়া
ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী

চর্যাপদের শব্দগুলো অপরিচিত, শব্দ ব্যবহারের রীতি বর্তমানের রীতি থেকে ভিন্ন --এর কবিতাগুলো পড়ে বুঝতে কষ্ট হয়। এজন্য চর্যাপদের ভাষাকে 'সন্ধ্যা ভাষা'ও বলে। চর্যাপদের কবিতাগুলো গাওয়া হত। তাই এগুলো একইসাথে গান ও কবিতা।

সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় তার 'বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ' (Origin and Development of Bengali language) নামক গ্রন্থে ধ্বনি তত্ত্ব ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, পদসংকলনটি আদি বাংলা ভাষায় রচিত। কেউ কেউ একে মৈথিলি, উড়িয়া বা আসামি ভাষা বলে দাবি করেন। ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, সেকালের বাংলা, উড়িয়া বা আসামি ভাষার পার্থক্য ছিল সামান্যই। উল্লেখ্য যে, চর্যাপদ উড়িষ্যা, বিহার, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নিজ নিজ ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসাবে বিবেচিত।

এতে মোট ৫১ টি পদ'রয়েছে। কয়েক পাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সর্বমোট সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া গেছে। ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে উদ্ধার করা হয়েছে অর্থাৎ এর শেষাংশ পাওয়া যায়নি। ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদগুলো পাওয়া যায়নি। চর্যাপদের মোট পদকর্তা ২৪। অনেকের মতে, আদি চর্যাকার লুইপা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে প্রাচীনতম চর্যাকার শবরপা এবং আধুনিকতম সরহ বা ভুসুকু। কাহ্নপা সর্বাধিক ১৩ টি পদ রচনা করেন।

রাজশাহী কলেজ গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুর্লভ চর্যাপদ এর অংশবিশেষ

চর্যাপদের কবি / পদকর্তা-

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এর মতে২৩ জন
ড. সুকুমার সেনের মতে২৪ জন

পদকর্তা: লুই, শবর, ককুরী, বিরুআ, গুণ্ডারী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কামলি, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, আজদেব, ঢেণ্টণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জঅনন্দি, ধাম, তন্ত্রী ও লাড়ীডোম্বী। পদকর্তাদের নামের শেষে সম্মানসূচক 'পা' যোগ করা হয়। যেমন: লুই থেকে লুইপা, শবর থেকে শবরপা।

কাহ্ন : ১৩ টি পদ রচনা করেন।

ভুসুকু : ৮ টি পদ রচনা করেন।

সরহ : ৪ টি পদ রচনা করেন।

লুই, শান্তি ও শবরী: ২ টি করে পদ রচনা করেন।

বাকিরা : ১ টি করে পদ রচনা করেন।

লাড়ীডোম্বী : কোন পদ পাওয়া যায়নি।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫০টি এবং প্রাপ্ত পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি।

ড. সুকুমার সেনের 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' গ্রন্থের মতে, পদ সংখ্যা ৫১টি।

চর্যাপদের যে পদ পদ পাওয়া যায়নিঃ

২৩ নং অর্ধেক, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ।

যেসব পদ পাওয়া যায়নি সেগুলোর রচয়িতাঃ

২৩- ভুসুকুপা, ২৪- কাহ্নপা, ২৫- তান্তীপা, ৪৮- কুকুরীপা।

চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতাঃ

লুইপা। তিনি ২টি পদ রচনা করেন। যথা: ১, ২৯। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, তিনি রাঢ় অঞ্চলের বাঙালি কবি হিসেবে পরিচিত। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, তিনি শবরপার শিষ্য ছিলেন। লুইপাকে আদি চর্যাকার হিসেবে ধরে নেয়া হয়।

চর্যাপদের প্রথম পদটিঃ

কাআ (শরীর) তরুবর পঞ্চ বি ডাল।

চঞ্চল চীএ পইঠো কাল ॥

দিঢ় করিঅ মহাসুহ পরিমাণ।

লুই ভণই (বলে) গুরু পুচ্ছিঅ জাণ ॥

সঅল সহিঅ কাহি করিঅই।

সুখ দুখেতে নিচিত মরিঅই ॥

এড়ি এউ ছান্দক বান্ধ করণক পাটের আস।

সুনুপথ ভিতি লেহু রে পাস ॥

ভণই লুই আমহে ঝাণে দিঠা।

ধমণ চমণ বেণি পিত্তি বইঠা ॥

মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারির ভাষা।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এর ভাষার নাম 'বঙ্গকামরূপী'। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।

চর্যাপদের অনুবাদক

ভাষা

অনুবাদক

অনূদিত নাম

তিব্বতিকীর্তিচন্দ্র-
হিন্দিরাহুল সাংকৃত্যায়নদোহাকোষ (১৯৫৭)
ইংরেজিহাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদমিস্টিক পোয়েট্রি অব বাংলাদেশ (২০১৭)
সংস্কৃতপ্রবোধচন্দ্র বাগচী-
চিত্রঃ কাহ্নপার নকশা

Related Question

View All
উত্তরঃ চর্যাপদ

চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং প্রাচীনতম বাংলা কাব্য। এটি খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের এক ধরণের গান ও কবিতা সংকলন। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস জানতে এবং প্রাচীন বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় জীবন সম্পর্কে এটি মূল্যবান তথ্য প্রদান করে।

১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজকীয় গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদের ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' নামে পরিচিত, যার অর্থ আংশিক আলো ও আংশিক অন্ধকারময় বা দ্ব্যর্থবোধক ভাষা।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
451
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভানুসিংহের পদাবলী

ভানুসিংহ ছিল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছদ্মনাম। তিনি এই ছদ্মনামে "ভানুসিংহের পদাবলী" নামক একটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর ঢঙে লেখা একগুচ্ছ কবিতা নিয়ে গঠিত। রবীন্দ্রনাথ তাঁর কৈশোরকালে বৈষ্ণব সাহিত্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই কবিতাগুলো লেখেন, যেখানে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা, বিরহ ও মিলনকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। এটি বাংলা সাহিত্যে তাঁর প্রাথমিক কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন এবং একটি স্বতন্ত্র সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
382
উত্তরঃ চর্যাপদ

প্রাচীন যুগে রচিত বাংলা সাহিত্যের একমাত্র নিশ্চিত নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজকীয় গ্রন্থশালা থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন, যা ১৯১৬ সালে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে প্রকাশিত হয়।

চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত কিছু গান বা কবিতা, যা তাদের ধর্মীয় ও দার্শনিক চিন্তাভাবনা প্রকাশ করে। এর ভাষা প্রাচীন বাংলা ভাষারূপের একটি উদাহরণ এবং এটি আধুনিক বাংলা ভাষার উদ্ভবের প্রথম ধাপ নির্দেশ করে। চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরীপা, সরহপা প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। চর্যাপদ শুধুমাত্র বাংলা সাহিত্যেরই নয়, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ইতিহাসের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
358
উত্তরঃ বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন।

চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ও প্রথম নিদর্শন। এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত গান ও কবিতার একটি সংকলন, যা খ্রিস্টীয় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়।

১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে তাঁরই সম্পাদনায় 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা বৌদ্ধ গান ও দোঁহা' নামে এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয়। চর্যাপদগুলি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া মতের তত্ত্ব ও সাধনপ্রণালী ব্যাখ্যা করে, যা 'সন্ধ্যাভাষা' বা 'সান্ধ্যভাষা' নামক একটি রূপক ভাষায় রচিত। এতে মোট ৫১টি পদ ছিল, যার মধ্যে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ এবং ৪৬ জন কবির নাম (যেমন- লুইপা, কাহ্নপা, ভুসুকুপা, শবরপা প্রমুখ) পাওয়া গেছে। চর্যাপদ কেবল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসেই নয়, বাংলা ভাষার বিবর্তন ও তৎকালীন সমাজের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কেও মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
335
উত্তরঃ বৌ-ঠাকুরাণীর হাট

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম ঐতিহাসিক উপন্যাস হলো বৌ-ঠাকুরাণীর হাট। এটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের কাহিনি মূলত যশোহরের রাজা প্রতাপাদিত্যের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অবলম্বনে রচিত, যেখানে ক্ষমতা লিপ্সা, পারিবারিক সংঘাত এবং রাজদ্রোহের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এটি রবীন্দ্রনাথের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হিসেবেও পরিচিত। তাঁর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক উপন্যাস, রাজর্ষি, ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিষয় ত্রিপুরা রাজ্যের ইতিহাস ও ধর্মীয় গোঁড়ামি।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
478
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews