উত্তরঃ

১.শব্দের প্রতমে ম-ফলা থাকলে ম-ফলা উচ্চারণ হয় না।যেমনঃ স্মরণ > শোঁরণ, শ্নশান > শঁশান ,ইত্যাদি।
২.শব্দের মাঝখানে ম-ফলা থাকলে ম-ফলার উচ্চারণ হয় না।যেমনঃ বিষ্ময় > বিশশোঁয়।
৩.শব্দের শেষে ম-ফলা থাকলে ম-ফলা উচ্চারণ হয় না।যেমনঃ গ্রীষ্ম > গ্রিশশো, পদ্ম > পদদো।
৪.ন,ট,ংং,গ,ণ,ম,ল- এ বর্ণগুলোর যে কোন বর্ণের সজ্ঞে ম-ফলা যুক্ত হলে ম-ফলা উচ্চারণ হয়।যেমনঃ বাগ্নী > বাগমি, জন্ম > জনমো।
৫.যুক্তব্যঞ্জনের সজ্ঞে ম-ফলা যুক্ত হলে, ম-ফলা উচ্চারণ হয় না।যেমনঃ যক্ষা > জোকখা, লক্ষন > লকখোন ইত্যাতি। 

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অধ্যক্ষ = ওদ্‌ধোক্‌খো

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

আবৃত্তি = আবৃত্‌তি

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

অদ্বিতীয় = অদ্‌দিতিয়ো

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

ঐকতান = ওই্‌কোতান্‌

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সহস্র = শহোস্‌স্রো

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্মরণীয় = শঁরোনিয়ো

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

জ্ঞাপন = গ্যাঁপোন্‌

Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্মর্তব্য = শঁরতোব্‌বো

Najjar Hossain Raju
10 months ago
131

বর্ণের উচ্চারণ : বাংলা ভাষায় ৩৭টি মূল ধ্বনিকে প্রকাশ করার জন্য রয়েছে ৫০টি মূল বর্ণ। এর মধ্যে অধিকাংশ বর্ণের উচ্চারণ মূল ধ্বনির অনুরূপ। কয়েকটি বর্ণের একাধিক উচ্চারণ রয়েছে। আবার কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক বর্ণের উচ্চারণ অভিন্ন। ধ্বনিগুলাে দিয়ে শব্দ তৈরি হওয়ার সময়ে পাশের ধ্বনির প্রভাবে বর্ণের উচ্চারণ অনেক সময়ে বদলে যায়। এখানে বাংলা বর্ণের উচ্চারণ সম্পর্কে আলােচনা করা হলাে।

স্বরবর্ণ

অ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]। সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনাে কখনাে [ও]-এর মতাে উচ্চারিত হয়। অ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক অনে, কথা কথা], অনাথ [অনাহ্]। অ বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি), অণু ওনু], পক্ষ [পােকখাে], অদ্য [ওদো ], মন মােন্]।

আ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ [আ]: আকাশ (আকাশী, রাত রাতৃ, আলাে আলাে]। [আ] জ্ঞ-এর সঙ্গে থাকলে (অ্যা]-এর মতাে উচ্চারিত হয়। যেমন – জ্ঞান [গ্যাঁন], জ্ঞাত [গ্যাঁতাে], জ্ঞাপন [গ্যাঁপোন]

ই, ঈ

[ই] ধ্বনির হ্রস্বতা ও দীর্ঘতা বােঝাতে দুটি বর্ণ রয়েছে: ই এবং ঈ। কিন্তু বাংলা ভাষায় উভয় বর্ণের উচ্চারণ একই রকম: দিন [দিন], দীন (দিনো], বিনা [বিনা], বীণা (বিনা), হীন [হিনাে]।

উ, ঊ

[উ] ধ্বনির হ্রস্বতা ও দীর্ঘতা বােঝাতে দুটি বর্ণ রয়েছে: উ এবং উ। কিন্তু বাংলা ভাষায় উভয় বর্ণের উচ্চারণ একই রকম: উচিত [উচিত্] উষা [উশা], উনিশ [উনিশ], ঊনবিংশ [উনােবিংঙশাে]।

ঋ বর্ণের উচ্চারণ রি-এর মতাে: ঋতু [রিতু], ঋণ [রিন্], কৃষক [ক্রিশক], দৃশ্য [দ্ৰিশশাে]।

এ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [এ] এবং [অ্যা]। সাধারণ উচ্চারণ [এ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে এ কখনাে কখনাে [অ্যা] উচ্চারিত হয়। এ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: একটি [একটি], দেশ [দেশ], এলাে [এলাে]। এ বর্ণের [অ্যা] উচ্চারণ: একটা [অ্যাক্টা ], বেলা [ব্যালা], খেলা [খ্যালা]।

ঐ বর্ণের উচ্চারণ ওই: ঐকিক [ওইকি, তৈল তােইলাে]।

ও বর্ণের উচ্চারণ [ও]: ওল [ওল], বােধ [বােধ]।

ঔ বর্ণের উচ্চারণ [ওউ): ঔষধ [ওউশধ], মৌমাছি [মােমাছি]।

ব্যঞ্জনবর্ণ

ব্যঞ্জনবর্ণগুলাে সাধারণত নিজ নিজ ধ্বনি অনুযায়ী উচ্চারিত হয়। যেমন – কলা, খর, বল, নাচ শব্দের ক, খ, ব, ন ইত্যাদি বর্ণের উচ্চারণ যথাক্রমে [ক], [খ], [ব], [ন] ইত্যাদি। তবে কয়েকটি ব্যঞ্জনবর্ণের উচ্চারণ নিজ নিজ ধ্বনি থেকে আলাদা। এ ধরনের কয়েকটি বর্ণের উচ্চারণ নিয়ে আলােচনা করা হলাে।

ঞ বর্ণের নিজস্ব কোনাে ধ্বনি নেই। স্বতন্ত্র ব্যবহারে আঁ-এর মতাে আর সংযুক্ত ব্যঞ্জনে [ন]-এর মতাে উচ্চারিত হয়: মিঞা [মিয়া], চঞ্চল [চনচল], গঞ্জ [গনজো]।

ণ বর্ণের উচ্চারণ : কণা [কনা], বাণী [বানি], হরিণ [হােরিন]

ব বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ব]। তবে ফলা হিসেবে এই বর্ণের উচ্চারণে স্বাতন্ত্র্য আছে। শব্দের আদিতে ব-ফলার উচ্চারণ হয় না। যেমন – ত্বক [ত], শ্বশুর [শাে] , স্বাধীন [শাধিন]। শব্দের মধ্যে বা শেষে ব-ফলা যুক্ত হলে সেই ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়: অশ্ব (অশশাে], বিশ্বাস [বিশশাশ], পক্ব [পককো]।

ম বর্ণের সাধারণ উচ্চারণ [ম]। শব্দের প্রথম বর্ণে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণের সময়ে ম-এর উচ্চারণ আঁ-এর মতাে হয়, যেমন – শ্মশান [শঁশান], স্মরণ [শঁরােন্‌]। শব্দের মধ্যে ম-ফলা থাকলে সেই বর্ণ উচ্চারণে দ্বিত্ব হয় এবং সামান্য অনুনাসিক হয়, যেমন – আত্মীয় [আততিও], পদ্ম (পদদোঁ] । কিছু ক্ষেত্রে ম-ফলায় – এর উচ্চারণ বজায় থাকে, যেমন – যুগ্ম [জুগমাে], জন্ম [জনমো], গুল্ম [গুলমাে]।

য বর্ণের উচ্চারণ [জ্]: যদি [জোদি], যিনি [জিনি], সূর্য [শুরূজো]। তবে য-ফলা থাকলে স্বরের উচ্চারণে এ পরিবর্তন হয়, যেমন – যেমন – ব্যতীত বেতিতাে], ব্যথা ব্যাথা]। শব্দের মাঝখানে বা শেষে য-ফলা বর্ণের ও সঙ্গে যুক্ত থাকলে ঐ বর্ণের উচ্চারণ দ্বিত্ব হয়, যেমন – উদ্যম [উদ্দ, গদ্য গােদো]। কিন্তু শব্দের মধ্যে বা শেষে যুক্তব্যঞ্জনের সঙ্গে থাকা -এর কোনাে উচ্চারণ হয় না, যেমন – সন্ধ্যা [শােধা], স্বাস্থ্য শািসূথাে], অর্ঘ্য [অরুঘাে] ।

র বর্ণের উচ্চারণ [র]। তবে র-ফলা হিসেবে এর উচ্চারণে বৈচিত্র্য আছে। শব্দের মধ্যে বা শেষে কোনাে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে র-ফলা থাকলে দ্বিত্বসহ র-ফলা উচ্চারিত হয়, যেমন – মাত্র মিত্রো ], বিদ্রোহ [বিদ্রোহাে], যাত্রী জোত্রি]। কিন্তু শব্দের মধ্যে বা শেষে যুক্তব্যঞ্জনের সঙ্গে র-ফলা যুক্ত হলে দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না, যেমন – কেন্দ্র [কেনৃদ্রো], শাস্ত্র শািসত্রো], বস্ত্র বিসূত্রো]।

শ, ষ, স

শ কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়। স কখনাে [শ]-এর মতাে উচ্চারিত হয়, আবার কখনাে [স]-এর মতাে উচ্চারিত হয়। ষ বর্ণের উচ্চারণ সব সময়ে [শ]।

  • শ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: শত [শতো], শসা [শশা]।
  • শ বর্ণের [স] উচ্চারণ: শ্রমিক [স্রোমিক], শ্রদ্ধা [স্রোধা]।
  • ষ বর্ণের [শ] উচ্চারণ: ভাষা [ভাশা], ষােলাে [শােলাে]।
  • স বর্ণের [শ) উচ্চারণ: সাধারণ [শাধারােন], সামান্য [শামান্নাে] ।
  • স বর্ণের [স] উচ্চারণ: আস্তে [আসতে], সালাম [সালাম্‌]।

Related Question

View All
উত্তরঃ

চর্যাপদ = চোর্‌জাপদ্

​'চর্যাপদ'-এর সঠিক উচ্চারণ হলো [tʃordʒapɔd] বা চোর্জাপদ্। 'চর্চা' (সাধনা/আচরণ) থেকে 'চর্যা' শব্দটি আসায়, এর উচ্চারণ 'চর্য্যাপদ' না হয়ে 'চর্যাপদ' বা 'চোর্জাপদ্' হিসেবেই প্রমিত, যেখানে আদ্য 'অ' য-ফলার প্রভাবে ও-কারান্ত [tʃo] ধ্বনি সৃষ্টি করে।

​উচ্চারণ বিশ্লেষণ:

  • চোর্-জা-পদ্ (Char-ja-pad)
  • -এর সাথে য-ফলা (য) থাকায় এবং এটি প্রাচীন/তৎসম শব্দ হওয়ায় প্রথম 'অ' ধ্বনিটি ও-কারান্ত [o] রূপ নেয়।
  • ​এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধন সঙ্গীত।

​এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬.৫টি) পদের সংকলন।

3 weeks after

চর্যাপদ = চোর্‌জাপদ্

1 year after
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি = রাশ্‌ট্রোপোতি

রাষ্ট্রপতি' শব্দের উচ্চারণ হলো: /রাস্ট্রোপোতি/ (Ra-stro-po-ti). 

WikipediaWikipedia

বিশ্লেষণ:

  • রা: স্বাভাবিক উচ্চারণ।
  • ষ্ট্র: 'ষ' ও 'ট' যুক্তবর্ণটি 'স্ট' (sto) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
  • প: 'প' এর সাথে 'তি' যুক্ত হয়ে 'পোতি' (poti) উচ্চারণ হয়, যেখানে 'প' এর সাথে 'ও' কারের মতো উচ্চারণ আসে. 
3 weeks after
উত্তরঃ

প্রত্যাশা = প্রোত্‌তাশা

'প্রত্যাশা' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো: প্রোত্‌তাশা (Prôttasha)। 

বিশ্লেষণ:

  • প্র = প্রো
  • ত্যা = ত্‌তা (ত-যফলা হলে উচ্চারণে ত্‌ত হয়)
  • শা = শা

অর্থাৎ, প্রোত্‌-তা-শা

3 weeks after
উত্তরঃ

সংবাদপত্র = শংবাদ্‌পত্‌ত্রো

সংবাদপত্র' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো শংবাদ্‌পোত্‌ত্রো (shong-bad-pot-tro)। 

উচ্চারণ বিশ্লেষণ:

  • সং (shong): 'স' এর উচ্চারণ 'শ'-এর মতো এবং 'ং' (অনুস্বার) এর উচ্চারণ 'ঙ'-এর মতো।
  • বাদ (bad): 'ব'-এ আকার (া) এবং 'দ'-এর উচ্চারণ স্পষ্ট।
  • (po): 'প' এর উচ্চারণ ও-কারের মতো।
  • ত্র (ttro): 'ত্র' এর উচ্চারণ 'ৎত্র' বা 'ত্ত্র' এর মতো।
  • পত্র (tro): 'ত্র' এর শেষে 'ও' কার (ো) উচ্চারিত হয়।

সহজভাবে: শং-বাদ-পোৎ-ত্রো

3 weeks after
উত্তরঃ

তন্বী  = তোন্‌নি

'তন্বী' (তন্বী) শব্দের উচ্চারণ হলো: তন্বী (তন্-বী)।

  • বিশ্লেষণ: তন্ + বী (ন-ফলা)।

এটি একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ সাধারণত তনুগাত্রী, কৃশাঙ্গী বা সুক্ষ্মদেহী নারী। 

3 weeks after
উত্তরঃ

চিত্রকল্প = চিত্‌ত্রোকল্‌পো

চিত্রকল্প শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো: চিত্‌রোকল্‌প [cit̪rokol̪p]। 

উচ্চারণের নিয়ম:

  • চিন্-: চ-এ হ্রস্ব-ইকার।
  • -ত্‌রোক-: 'ত্ৰ' (ত+র) যুক্তবর্ণটি 'ত্রো' উচ্চারিত হয়।
  • -ল্‌প: প-এর শেষে 'অ' ধ্বনি প্রায় বিলুপ্ত হয় (হসন্ত)। 

বিশ্লেষণ:
চিত্রকল্প -> চৎ + রোক + ল্প। 

3 weeks after
উত্তরঃ

অন্য = ওন্‌নো

উত্তরঃ

উদ্বেগ = উদ্‌বেগ্‌

1.4k
উত্তরঃ

চর্যাপদ = চোর্‌জাপদ্

​'চর্যাপদ'-এর সঠিক উচ্চারণ হলো [tʃordʒapɔd] বা চোর্জাপদ্। 'চর্চা' (সাধনা/আচরণ) থেকে 'চর্যা' শব্দটি আসায়, এর উচ্চারণ 'চর্য্যাপদ' না হয়ে 'চর্যাপদ' বা 'চোর্জাপদ্' হিসেবেই প্রমিত, যেখানে আদ্য 'অ' য-ফলার প্রভাবে ও-কারান্ত [tʃo] ধ্বনি সৃষ্টি করে।

​উচ্চারণ বিশ্লেষণ:

  • চোর্-জা-পদ্ (Char-ja-pad)
  • -এর সাথে য-ফলা (য) থাকায় এবং এটি প্রাচীন/তৎসম শব্দ হওয়ায় প্রথম 'অ' ধ্বনিটি ও-কারান্ত [o] রূপ নেয়।
  • ​এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধন সঙ্গীত।

​এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬.৫টি) পদের সংকলন।

3 weeks after

চর্যাপদ = চোর্‌জাপদ্

1 year after
4.6k
উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি = রাশ্‌ট্রোপোতি

রাষ্ট্রপতি' শব্দের উচ্চারণ হলো: /রাস্ট্রোপোতি/ (Ra-stro-po-ti). 

WikipediaWikipedia

বিশ্লেষণ:

  • রা: স্বাভাবিক উচ্চারণ।
  • ষ্ট্র: 'ষ' ও 'ট' যুক্তবর্ণটি 'স্ট' (sto) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
  • প: 'প' এর সাথে 'তি' যুক্ত হয়ে 'পোতি' (poti) উচ্চারণ হয়, যেখানে 'প' এর সাথে 'ও' কারের মতো উচ্চারণ আসে. 
3 weeks after
2.8k
উত্তরঃ

প্রত্যাশা = প্রোত্‌তাশা

'প্রত্যাশা' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো: প্রোত্‌তাশা (Prôttasha)। 

বিশ্লেষণ:

  • প্র = প্রো
  • ত্যা = ত্‌তা (ত-যফলা হলে উচ্চারণে ত্‌ত হয়)
  • শা = শা

অর্থাৎ, প্রোত্‌-তা-শা

3 weeks after
2.2k
উত্তরঃ

সংবাদপত্র = শংবাদ্‌পত্‌ত্রো

সংবাদপত্র' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো শংবাদ্‌পোত্‌ত্রো (shong-bad-pot-tro)। 

উচ্চারণ বিশ্লেষণ:

  • সং (shong): 'স' এর উচ্চারণ 'শ'-এর মতো এবং 'ং' (অনুস্বার) এর উচ্চারণ 'ঙ'-এর মতো।
  • বাদ (bad): 'ব'-এ আকার (া) এবং 'দ'-এর উচ্চারণ স্পষ্ট।
  • (po): 'প' এর উচ্চারণ ও-কারের মতো।
  • ত্র (ttro): 'ত্র' এর উচ্চারণ 'ৎত্র' বা 'ত্ত্র' এর মতো।
  • পত্র (tro): 'ত্র' এর শেষে 'ও' কার (ো) উচ্চারিত হয়।

সহজভাবে: শং-বাদ-পোৎ-ত্রো

3 weeks after
4.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews