বেদ শব্দের অর্থ জ্ঞান। যে জ্ঞানরাশি অবগত হলে মানুষের চতুর্বর্গ (ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষ) লাভ ঘটে, তাই বেদ। রেদ চার প্রকার। যথা- ঋগ্বেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ ও অথর্ববেদ
যে মন্ত্রগুলো যজ্ঞের সময় উচ্চারণ করা হয়, সেগুলোকে যজুর্বেদ বলে। যজুর্বেদ দুটি শাখায় বিভক্ত- শুক্লজুর্বেদ ও কৃষ্ণযজুর্বেদ।
বেদের শেষে বা অন্তিমে অবস্থিত বলে উপনিষদকে বেদান্ত বলা হয়।
ঈশ্বর, যখন নিজের গুণ বিভিন্ন রূপে প্রকাশ করেন, তখন তাকে দেব-দেবী বলে।
ব্রহ্মাপূজা সাধারণত প্রতিদিন করা হয় না। তিথি-নক্ষত্র অনুসারে করা হয়।
পূজা অর্থ আরাধনা বা উপাসনা। ভক্তি ও শ্রদ্ধাভরে বিভিন্ন দেব-দেবীকে ফুল-ফল ও নানা উপকরণ দিয়ে স্তব-স্তুতি করাকে পূজা বলে।
শুচিতা প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
অভ্যন্তরীণ শুচিতা: অভ্যন্তরীণ শুচিতা বলতে মনের পবিত্রতাকে (সবসময় সৎ চিন্তা করা, জ্ঞান লাভ করা, অপরকে হিংসা না করা।) বোঝায়।
বাহ্যিক শুচিতা: বাহ্যিক শুচিতা বলতে শারীরিক অর্থাৎ দেহ, পোশাক-পরিচ্ছদ ও চারিদিকের পরিবেশ ইত্যাদির পরিচ্ছন্নতাকে বোঝায়।
পাঁচটি আসনের নাম হলো- পদ্মাসন, শবাসন, সিদ্ধাসন, সর্বাঙ্গাসন এবং শলভাসন।
পাঁচটি আসনের নাম হলো- পদ্মাসন, শবাসন, সিদ্ধাসন, সর্বাঙ্গাসন এবং শলভাসন।
শবাসনের তিনটি উপকারিতা হলো-
১. শরীরের ক্লান্তি দূর হয়।
২. শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে।
৩. উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমায়।
শরীর সুস্থ ও সবল এবং রোগ-ব্যাধির আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত যোগব্যায়াম করা উচিত।
মন্দির হলো দেবালয়। এখানে দেব-দেবীর আরাধনা করা হয়।
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে কাত্যায়নী মহিষাসুরমর্দিনী দশভুজা দেবী দুর্গার বিগ্রহ রয়েছে।
চন্দ্রনাথধাম সম্পর্কে তিনটি বাক্য হলো-
১. চন্দ্রনাথধাম চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত শিবমন্দির।
২. এটি একটি দর্শনীয় স্থান।
৩. শিবচতুর্দশী তিথিতে চন্দ্রনাথধামে দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত আসেন।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ।
বড়দিন ২৫ ডিসেম্বর পালন করা হয়। বড়দিন খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মূলত যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন হিসেবে এটি উদযাপন করা হয়।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধপূর্ণিমা। গৌতম বুদ্ধের জন্মদিন উপলক্ষে এই উৎসব উদযাপন করা হয়।
সকল মত ও পথকে, সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় সম্প্রীতি।
সকল মত ও পথকে, সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় সম্প্রীতি।
সকল মত ও পথকে, সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় সম্প্রীতি।
ধর্মের বাণীকে ধারণ করে এমন গ্রন্থই ধর্মগ্রন্থ। কয়েকটি ধর্মগ্রন্থ হলো- বেদ, আরণ্যক, উপনিষদ, পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারত, শ্রীমদ্ভগবদগীতা, শ্রীশ্রীচণ্ডী ইত্যাদি।
বেদ শব্দের অর্থ 'জ্ঞান'। শিষ্যগণ গুরুর কাছ থেকে শুনে শুনে বেদের মন্ত্রগুলো আয়ত্ত করতেন বলে বেদের এক নাম শ্রুতি। এছাড়া, বিভিন্ন মুনি-ঋষি ঈশ্বরের বাণীসমূহ লিপিবদ্ধ করে সংহত করেছেন বলে এর অপর নাম সংহিতা।
যে বিদ্যা নিশ্চয়তার সঙ্গে গুরুর নিকটে বসে একনিষ্ঠভাবে অর্জন করা হয়, তাই উপনিষদ। প্রধান উপনিষদ ১২টি। যথা- ঈশ, কেন, কঠ, প্রশ্ন, মুণ্ডক, মাণ্ডুক্য, ছান্দোগ্য, তৈত্তিরীয়, ঐতরেয়, শ্বেতাশ্বতর, বৃহদারণ্যক ও কৌষিতকী।
পূজা-পার্বণে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় হয়। একে অপরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ জাগ্রত হয়। মানুষের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়।
পূজায় ফুল, বেলপাতা, তুলসীপাতা, চন্দন, ধূপ-দীপ, ফল, জল, মিষ্টিসহ আরও বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করা হয়।
এসব উপকরণ দেব-দেবীর উদ্দেশে নিবেদন করা হয়।
যোগ শব্দের অর্থ হলো যুক্ত করা। একের সঙ্গে অপরের মিলন বা তাদের একত্রিত করাকে বলা হয় যোগ। কিন্তু ধর্ম অনুশীলনের ক্ষেত্রে যোগ বলতে বোঝায় ভগবানের সাথে মনঃসংযোগ। এজন্য প্রয়োজন শুদ্ধস্থির ও প্রশান্ত মন। আর মনের এরূপ দৃঢ় নিয়ন্ত্রণই হলো যোগ।
যেভাবে শরীরকে রাখলে শরীর দৃঢ় ও স্থির থাকে অথচ কোনো কষ্ট অনুভূত হয় না, তাকে যোগাসন বলে। যোগাসন অনুশীলনের কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। সেগুলো অনুসরণ করলেই এর উপকার পাওয়া যায়।
পদ্মাসনের তিনটি উপকারিতা হলো-
১. অনিদ্রা হতে মুক্তি পাওয়া যায়।
২. শরীরের মেদ কমে।
৩. জীবনীশক্তি বৃদ্ধি পায়।
যে আসন অভ্যাস করলে শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ, সবল ও নীরোগ হয় তাকে সর্বাঙ্গাসন বলে। এ আসনে মাত্র বিশ বা ত্রিশ সেকেন্ডের মতো থাকতে হয়।
মন্দির হলো দেবালয় বা দেব-দেবীর উপাসনালয়। যেখানে ভক্তরা আরাধনা ও পূজা-অর্চনা করেন। এটি একটি পবিত্র স্থান। যেখানে গেলে দেহ ও মন পবিত্র হয় এবং মনে শান্তি আসে। সাধারণত দেব-দেবীর নাম অনুসারে মন্দিরের নামকরণ করা হয়ে থাকে।
তীর্থক্ষেত্র হলো দেব-দেবী, অবতার কিংবা মহাপুরুষ বা মহীয়সী নারীদের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র স্থান। যেখানে ভক্তরা পূজা-অর্চনা ও সাধন-ভজন করতে যান। ফলে তাদের মন পবিত্র হয় এবং পুণ্য লাভ হয়।
মন্দিরে গেলে কী হয় সে সম্পর্কে নিচে তিনটি বাক্য লেখা হলো-
১. মন্দিরে গেলে দেহ-মুক্ত পবিত্র হয়।
২. মনে শান্তি আসে
৩. দেব-দেবী দর্শনে মনে ভক্তি আসে।
অন্যের মতকে শ্রদ্ধা করলে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়। এতে বিরোধ বা বিবাদ সৃষ্টি হয় না। বরং সমাজে শান্তি ও সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই আমাদের অন্যের মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রয়োজন।
ধর্মের মূল উদ্দেশ্য হলো মানবকল্যাণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান। এটি মানুষকে ন্যায় ও কল্যাণের পথে আহ্বান করে এবং অন্যায় থেকে বিরত রাখে। মানবতাই ধর্মের শ্বাশত বাণী।
আমাদের উচিত নিজের ধর্ম পালন করা এবং অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা। ধর্মীয় উৎসর বা অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নিয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো। এতে সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ বজায় থাকে।
Related Question
View Allহিন্দুধর্ম প্রাচীনতম ধর্ম।
বেদ শব্দের অর্থ জ্ঞান ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!