A ও B বিন্দুতে যথাক্রমে 10×10-6C ও 5×10-6C আধান আছে। AB এর মধ্যবিন্দু C হতে D বিন্দুর দূরত্ব 20cm। B বিন্দুর আধান C বিন্দুতে আনা হলো।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ এক মোল পরিমাণ কোনো বস্তুর তাপমাত্রা এক কেলভিন (1K) বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে মোলার আপেক্ষিক তাপ (Molar specific heat) বলে।
Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

একটি বিচ্ছিন্ন গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্ব তার ব্যাসার্ধের সরাসরি সমানুপাতিক। অর্থাৎ, গোলাকার পরিবাহীর ধারকত্ব \(C\) এবং এর ব্যাসার্ধ \(R\) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো \(C = 4\pi\epsilon_0 R\), যেখানে \(\epsilon_0\) হলো শূন্যস্থানের ভেদনযোগ্যতা (permittivity of free space)।

এই সম্পর্ক থেকে বোঝা যায় যে, পরিবাহীর ব্যাসার্ধ যত বেশি হবে, তার ধারকত্বও তত বেশি হবে। এর কারণ হলো, একটি বৃহত্তর ব্যাসার্ধের পরিবাহীতে আধান বেশি স্থান জুড়ে বিস্তৃত হতে পারে, ফলে একই পরিমাণ আধানের জন্য এর পৃষ্ঠের বিভব (potential) কম হয়। যেহেতু ধারকত্ব \(C = Q/V\) (আধান/বিভব), বিভব কম হলে ধারকত্ব বৃদ্ধি পায়, যা আরও বেশি আধান ধারণ করার ক্ষমতা নির্দেশ করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক অনুসারে, A বিন্দুতে \(q_A = 10 \times 10^{-6}\)C আধান এবং B বিন্দুতে ছিল \(q_B = 5 \times 10^{-6}\)C আধান। সমস্যা অনুযায়ী, B বিন্দুর আধান \(q_B\) কে C বিন্দুতে আনা হয়েছে। ফলে, এখন C বিন্দুতে আধান \(q_C = 5 \times 10^{-6}\)C। D বিন্দুতে এই আধানদ্বয়ের (A ও C বিন্দুর) জন্য সৃষ্ট মোট তড়িৎ প্রাবল্য (Electric Field Intensity) নির্ণয় করতে হবে। কোনো বিন্দু আধানের জন্য r দূরত্বে তড়িৎ প্রাবল্য নির্ণয়ের সূত্র হলো, \(E = \frac{1}{4\pi\epsilon_0} \frac{q}{r^2} = k \frac{q}{r^2}\), যেখানে \(k = 9 \times 10^9 Nm^2/C^2\) হলো কুলম্ব ধ্রুবক। তড়িৎ প্রাবল্য একটি ভেক্টর রাশি হওয়ায়, D বিন্দুতে লব্ধি প্রাবল্য নির্ণয়ের জন্য ভেক্টর যোগের নিয়ম ব্যবহার করতে হবে।

চিত্রানুসারে, AB এর দৈর্ঘ্য 40 cm, এবং C হলো AB এর মধ্যবিন্দু। অতএব, AC = BC = 40/2 = 20 cm = 0.2 m। C থেকে D বিন্দুর দূরত্ব CD = 20 cm = 0.2 m। A ও D বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব (AD): ত্রিভুজ ACD একটি সমকোণী ত্রিভুজ যার \(\angle ACD = 90^\circ\)। \(\text{AD} = \sqrt{\text{AC}^2 + \text{CD}^2} = \sqrt{(0.2)^2 + (0.2)^2} = \sqrt{0.04 + 0.04} = \sqrt{0.08} = 0.2\sqrt{2} \approx 0.2828\) m। এখন, A বিন্দুতে অবস্থিত আধান \(q_A\) এর জন্য D বিন্দুতে তড়িৎ প্রাবল্য \(E_A\): \(E_A = k \frac{q_A}{\text{AD}^2} = (9 \times 10^9) \frac{10 \times 10^{-6}}{(0.2\sqrt{2})^2} = (9 \times 10^9) \frac{10 \times 10^{-6}}{0.08} = 1.125 \times 10^6 N/C\)। \(E_A\) এর দিক হবে AD বরাবর A থেকে D এর দিকে (যেহেতু \(q_A\) ধনাত্মক)। C বিন্দুতে অবস্থিত আধান \(q_C\) এর জন্য D বিন্দুতে তড়িৎ প্রাবল্য \(E_C\): \(E_C = k \frac{q_C}{\text{CD}^2} = (9 \times 10^9) \frac{5 \times 10^{-6}}{(0.2)^2} = (9 \times 10^9) \frac{5 \times 10^{-6}}{0.04} = 1.125 \times 10^6 N/C\)। \(E_C\) এর দিক হবে CD বরাবর C থেকে D এর দিকে (উল্লম্বভাবে উপরের দিকে)। ত্রিভুজ ACD সমকোণী এবং AC = CD হওয়ায় \(\angle CAD = \angle CDA = 45^\circ\)। \(E_C\) উল্লম্ব (vertical) বরাবর এবং \(E_A\) AD বরাবর ক্রিয়া করে। \(E_C\) এবং \(E_A\) এর মধ্যবর্তী কোণ \(\alpha = 90^\circ - \angle CDA = 90^\circ - 45^\circ = 45^\circ\)। D বিন্দুতে মোট তড়িৎ প্রাবল্য (Resultant Electric Field) \(E_R = \sqrt{E_A^2 + E_C^2 + 2E_A E_C \cos\alpha}\)। যেহেতু \(E_A = E_C = 1.125 \times 10^6 N/C\), ধরি \(E_0 = 1.125 \times 10^6 N/C\)। \(E_R = \sqrt{E_0^2 + E_0^2 + 2E_0^2 \cos 45^\circ} = \sqrt{2E_0^2 + 2E_0^2 \times \frac{1}{\sqrt{2}}} = \sqrt{2E_0^2 (1 + \frac{1}{\sqrt{2}})}\) \(E_R = E_0 \sqrt{2 + \sqrt{2}} = (1.125 \times 10^6) \sqrt{2 + 1.414} = (1.125 \times 10^6) \sqrt{3.414}\) \(E_R \approx (1.125 \times 10^6) \times 1.8477 \approx 2.0786 \times 10^6 N/C\)।

অতএব, উদ্দীপকের D বিন্দুর মোট তড়িৎ প্রাবল্য (Electric Field Intensity) এর মান প্রায় \(2.0786 \times 10^6 N/C\)। যেহেতু \(E_A\) এবং \(E_C\) এর মান সমান, তাই লব্ধি প্রাবল্য তাদের মধ্যবর্তী কোণ (\(45^\circ\)) কে সমদ্বিখণ্ডিত করবে। অর্থাৎ, লব্ধি প্রাবল্য \(E_C\) এর দিক (উল্লম্ব) এর সাথে \(22.5^\circ\) কোণ করে A বিন্দুর দিকে ঝুঁকে থাকবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি আধানকে এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে সরাতে কৃতকার্য নির্ণয় করতে হলে ঐ বিন্দুদ্বয়ের বিভব পার্থক্য জানতে হয়। বাহ্যিক বল দ্বারা কৃতকার্য ধনাত্মক হলে বুঝতে হবে আধানকে সরাতে তড়িৎ ক্ষেত্রের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়েছে এবং তড়িৎ ক্ষেত্র এক্ষেত্রে ঋণাত্মক কাজ করেছে। আর যদি কৃতকার্য ঋণাত্মক হয়, তাহলে বুঝতে হবে তড়িৎ ক্ষেত্র নিজেই ধনাত্মক কাজ করেছে এবং বাহ্যিক বলের প্রয়োজন হয়নি বা বাহ্যিক বল ঋণাত্মক কাজ করেছে। উদ্দীপকের B বিন্দুর আধানকে C বিন্দুতে সরাতে বাহ্যিক বল দ্বারা কার্য সম্পাদন হবে না কি তড়িৎ ক্ষেত্র নিজেই কাজ করবে তা গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করা হলো।

উদ্দীপক অনুসারে, A বিন্দুতে \(q_A = 10 \times 10^{-6} \text{ C}\) এবং B বিন্দুতে \(q_B = 5 \times 10^{-6} \text{ C}\) আধান আছে। A ও B বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব \(AB = 40 \text{ cm} = 0.4 \text{ m}\)। C বিন্দু AB এর মধ্যবিন্দু, সুতরাং \(AC = BC = \frac{AB}{2} = \frac{0.4}{2} = 0.2 \text{ m}\)। এখন, B বিন্দুর আধান \(q_B\) কে C বিন্দুতে আনা হবে। এক্ষেত্রে A বিন্দুর আধান \(q_A\) একটি তড়িৎ ক্ষেত্র তৈরি করবে এবং এই তড়িৎ ক্ষেত্রের প্রভাবে B বিন্দুর আধান \(q_B\) B থেকে C তে যেতে যে কাজ হবে, তা নির্ণয় করতে হবে। এক্ষেত্রে তড়িৎ বিভবের সূত্র \(V = k \frac{q}{r}\) এবং কৃতকার্যের সূত্র \(W = q \Delta V\) ব্যবহার করা হবে। এখানে \(k = 9 \times 10^9 \text{ Nm}^2/\text{C}^2\)।

প্রথমে, A বিন্দুর আধান \(q_A\) এর জন্য B বিন্দুর বিভব \(V_B\) এবং C বিন্দুর বিভব \(V_C\) নির্ণয় করি:

B বিন্দুর বিভব \(V_B\):

\[V_B = k \frac{q_A}{AB}\]

\[V_B = (9 \times 10^9 \text{ Nm}^2/\text{C}^2) \times \frac{(10 \times 10^{-6} \text{ C})}{0.4 \text{ m}}\]

\[V_B = 2.25 \times 10^5 \text{ V}\]

C বিন্দুর বিভব \(V_C\):

\[V_C = k \frac{q_A}{AC}\]

\[V_C = (9 \times 10^9 \text{ Nm}^2/\text{C}^2) \times \frac{(10 \times 10^{-6} \text{ C})}{0.2 \text{ m}}\]

\[V_C = 4.5 \times 10^5 \text{ V}\]

এখন, B বিন্দুর আধান \(q_B\) কে B থেকে C বিন্দুতে আনতে বাহ্যিক বল দ্বারা কৃতকার্য \(W_{ext}\) নির্ণয় করি:

\[W_{ext} = q_B (V_C - V_B)\]

\[W_{ext} = (5 \times 10^{-6} \text{ C}) (4.5 \times 10^5 \text{ V} - 2.25 \times 10^5 \text{ V})\]

\[W_{ext} = (5 \times 10^{-6} \text{ C}) (2.25 \times 10^5 \text{ V})\]

\[W_{ext} = 1.125 \text{ J}\]

গণনা করে দেখা যাচ্ছে, B বিন্দুর আধানকে C বিন্দুতে আনতে বাহ্যিক বল দ্বারা কৃতকার্য \(W_{ext} = 1.125 \text{ J}\), যা একটি ধনাত্মক মান। যেহেতু কৃতকার্যের মান ধনাত্মক, এর অর্থ হলো আধানটিকে B থেকে C বিন্দুতে সরাতে তড়িৎ ক্ষেত্রের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়েছে। A বিন্দুর আধানটিও ধনাত্মক এবং B বিন্দুর আধানটিও ধনাত্মক। একই ধরনের আধান পরস্পরকে বিকর্ষণ করে। A বিন্দুর আধান \(q_A\) কর্তৃক C বিন্দুর আধান \(q_B\) এর উপর বিকর্ষণ বল প্রয়োগ হবে। এই বিকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে আধানটিকে সরাতে বাহ্যিক বল প্রয়োগ করতে হবে এবং এই বাহ্যিক বলই ধনাত্মক কাজ করবে। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে তড়িৎ ক্ষেত্র নিজে কোনো কাজ করবে না, বরং বাহ্যিক বল দ্বারা কার্য সম্পাদন হবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
155

আমরা জানি প্রত্যেক বস্তু যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থা বজায় রাখতে চায় অর্থাৎ বস্তু স্থির থাকলে স্থির থাকতে চায় আর গতিশীল থাকলে গতিশীল থাকতে চায়। বস্তুর এ ধর্মকে জড়তা বলে। বস্তুর এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হলে বাইরে থেকে একটা কিছু প্রয়োগ করতে হয়।

বইটি তার অবস্থানের পরিবর্তন করছে অর্থাৎ বইটি গতিশীল হচ্ছে। তুমি যখন বস্তুটিকে ঠেলো বা টানো তখন তুমি বস্তুটির উপর কিছু একটা প্রয়োগ কর। সাধারণ ভাষায় বলতে গেলে এই ঠেলা (Push) এবং টানাই (Pull) হচ্ছে বল। তোমার হাত ও বস্তুর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শের ফলশ্রুতি হচ্ছে বল। কোনো বস্তুর ওপর প্রযুক্ত বল হচ্ছে ঐ বস্তু এবং অন্য কোনো বস্তুর পারস্পরিক ক্রিয়ার ফল। কোনো বস্তুর পরিপার্শ্ব যা অন্যান্য বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, ঐ বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে যেমন, তুমি যদি কোনো বইকে হাত দিয়ে ধরে রাখ, তাহলে বইয়ের পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ বস্তুগুলো হচ্ছে তোমার হাত, যা বইটির ওপর ঊর্ধ্বমুখী বল প্রয়োগ করে; এবং পৃথিবী যা বইটির ওপর নিম্নমুখী বল প্রয়োগ করে (বই-এর ওজন)।

আমাদের সাধারণ অভিজ্ঞতা বলে কোনো কিছু ঠেলতে বা টানতে, বহন করতে বা নিক্ষেপ করতে বলের প্রয়োজন হয়। আমরা আমাদের নিজের উপরও বলের প্রভাব অনুভব করতে পারি যখন কেউ আমাদেরকে ধাক্কা দেয় বা কোনো গতিশীল বস্তু আমাদেরকে আঘাত করে অথবা মেলার মাঠে যখন আমরা কোনো নাগরদোলায় চড়ে বসি। এসবই হচ্ছে বলের স্বজ্ঞামূলক ধারণা।

বলের স্বজ্ঞামূলক ধারণা থেকে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক ধারণায় উপনীত হওয়া কিন্তু খুব সহজে হয়নি। অ্যারিস্টটলের মতো প্রাচীন বিজ্ঞ চিন্তাবিদদেরও বল সম্পর্কে অনেক ভ্রান্ত ধারণা ছিল। বল সংক্রান্ত প্রথম বৈজ্ঞানিক ধারণার অবতারণা করেন গ্যালিলিও। স্যার আইজ্যাক নিউটনের গতি বিষয়ক সূত্রাবলি থেকেই বল সংক্রান্ত সঠিক বৈজ্ঞানিক ধারণা পাওয়া যায়। মহাকর্ষ বলের সূত্রের সাহায্যে তিনি বল সম্পর্কে একটি পরিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ধারণা দেন।

স্থূল জগতে আমরা মহাকর্ষ বল ছাড়াও আরো নানা রকম বলের সাথে পরিচিত হই, যেমন পেশি শক্তি, দুটি বস্তুর মধ্যকার স্পর্শ বল যেমন ঘর্ষণ বল, সঙ্কুচিত বা প্রসারিত স্প্রিং কর্তৃক প্রযুক্ত বল, টানা তার বা সুতার উপর বল, কঠিন বস্তু যখন প্রবাহীর সংস্পর্শে থাকে তখন প্লবতা বা সান্দ্র বল, প্রবাহীর চাপের কারণে বল বা তরলের পৃষ্ঠটানজনিত বল ইত্যাদি। দুটি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে না থাকলেও বল ক্রিয়াশীল হতে পারে, যেমন মহাকর্ষ বল, বা দুটি আহিত বস্তুর মধ্যকার বল। সূক্ষ্ম জগতে আমরা প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে নিউক্লিয় বল, আন্তঃপারমাণবিক বা আন্তঃআণবিক বলের কথাও আমরা জানি ।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews