'A' চিহ্নিত চিত্রে ভূমিরূপবিদ্যার আলোচ্য বিষয় মালভূমি, সমভূমি, পাহাড়, এবং পর্বত তুলে ধরা হয়েছে।
প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ শাখা হচ্ছে ভূমিরূপবিদ্যা। পৃথিবীর সব স্থান সমান নয়, কোথাও উঁচু পর্বত, কোথাও মালভূমি আবার কোথাও বিস্তৃত সমতল ভূমি বিদ্যমান। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
i. প্রশস্ত ও বিস্তীর্ণ সমতল ভূ-ভাগকে সমভূমি বলা হয়। এটি সাধারণত সমুদ্র সমতলের চেয়ে সামান্য উঁচু হয়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েকশ মিটার উঁচুতে গঠিত হয়। পৃথিবীর মোট স্থলভাগের শতকরা ৫৮ ভাগ এলাকা হলো সমভূমি।
ii. ভূ-পৃষ্ঠের অতি উচ্চ সুবিস্তৃত খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে। পর্বত সাধারণত ৬০০ মি. এর অধিক উচ্চ হয়। পৃথিবীর প্রায় ১৮ ভাগ এলাকা পার্বত্যভূমির অন্তর্গত।
iii. সমভূমি থেকে উঁচু বিস্তীর্ণ ভূমিকে মালভূমি বলে। এ ধরনের ভূমিরূপ ভূপৃষ্ঠের স্থলভাগের ২৪ শতাংশ এলাকা দখল করে আছে। মোটামুটি ৫০০ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট টেবিল আকৃতির প্রশস্ত ভূমিকে মালভূমি বলে।
Related Question
View Allভূগোল শব্দটি সর্বপ্রথম ইরাটসথেনিস ব্যবহার করেছেন।
পৃথিবীর প্রায় চারভাগের তিনভাগই সমুদ্র। তাই সমুদ্রবিদ্যার বিষয়বস্তুও ব্যাপক।
সমুদ্রপথে যোগাযোগ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উত্থান, অবনমন, সমুদ্রের পানির রাসায়নিক গুণাগুণ ও লবণাক্ততা নির্ধারণ, সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি সমুদ্রবিদ্যার বিষয়বস্তুর অন্তর্গত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
