ব্যাকটেরিয়া খাদ্য নষ্ট করে এক ধরনের বিষাক্ত উপাদান উত্পন্ন করে। এই বিষাক্ত উপাদানগুলোকে টক্সিন বলে।
রাকেশ প্রধানত উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায় ১২২০ ডাল আলু শাক সবজি রাফেজের প্রধান উৎস এগুলো ছাড়া শুকনো ফল জিরা ধনে মটরসিটি প্রবৃতিতে বেশ ভালো পরিমান রাকেশ পাওয়া যায় এ রাফেজ খাবার গুলো দীর্ঘ তন্তুময় অংশকে রাফেজ বলে
রাতের প্রধানত উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায় শস্য বীজ ডাল আলু টাটকা ফল এবং শাকসবজি রাফেজ এর প্রধান উৎস শুকনো ফল জিরা ধনে মুঠো শুটকি প্রগতিতে বেশ ভালো পরিমান রাফেজ পাওয়া যায় এই খাবারগুলো দীর্ঘতম তোমায় অংশকে রাফেজ বলে রাফেজ মূলত সেলুলেস দিয়ে তৈরি উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর রাফেজ আমাদের দেহে কোন পুষ্টি যোগায় না সত্যি কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য হৃদরোগ আর ডায়াবেটিস ইত্যাদির ও প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে তবে ঠিক কিভাবে এর রোগ গুলো করে তা এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট সরাসরি গুরুত্ব এক এটি পরিপাকে সহায়তা করে রাফেজ পানি শোষণ করে এবং মৌলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে দুই শরীর থেকে অপার্য খাদ্য নিষ্কাশনের সাহায্য করে এটি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে ৪ বারবার ক্ষুধার প্রবণতা কমাতে একটি কাজ করে পাস করা হয় রাফেজ যুক্ত খাদ্য গ্রহণে পিত্তথলির রোগ খাদ্যনালী ও মলাশয়ের ক্যান্সার হৃদরোগ ও নিষ্ঠূলতার ঝুঁকি অনেকাংশ কমে যায় প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ গ্রাম আর যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত শাক সবজি ও ফলমূল থেকে এর পরিমাণ আর পাওয়া যায়
Related Question
View Allহৃদপিন্ডের সংকোচন উপসরনের ফলে হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত ধমনির মধ্য দিয়ে প্রবাহকালে ধমনি প্রাচীরে যে পার্শ্বচাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে।
সিস্টোলিক রক্তচাপ হল হৃদযন্ত্র সংকোচনের (সিস্টোল) সময় ধমনীগুলিতে সৃষ্ট সর্বোচ্চ চাপ। যখন হৃদপিণ্ড সংকুচিত হয়ে রক্তকে ধমনীগুলির মধ্য দিয়ে পাম্প করে, তখন ধমনীর দেয়ালে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে সিস্টোলিক রক্তচাপ বলা হয়। রক্তচাপ পরিমাপের সময় এটি উপরের সংখ্যা হিসাবে প্রকাশিত হয় (যেমন, 120/80 mmHg হলে 120 হলো সিস্টোলিক রক্তচাপ)। এটি হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।
রাফিনের আব্বার উপসর্গগুলির ভিত্তিতে বলা যায় যে তিনি সম্ভবত ডায়াবেটিস (বহুমূত্র রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।
ব্যাখ্যা:
ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদী (ক্রনিক) রোগ যেখানে দেহে ইনসুলিন নামক হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায় বা দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না। এর ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:
- ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া: ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রক্তে উচ্চ গ্লুকোজের মাত্রা ক্ষত নিরাময়ে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগে।
- চামড়া শুকিয়ে যাওয়া: ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের পানি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যায়, ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।
- সহজেই ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়া: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না, ফলে সহজেই ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন অপরিহার্য। ডাক্তার সাধারণত রোগীদের জীবনধারা ও খাদ্যাভ্যাসের ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে থাকেন যাতে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
■ রক্ত (Blood) কী ?
সাধারণত শরীরের কোন অংশে কেটে গেলে লাল রঙের যে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে, তাই রক্ত।
▪︎রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু।
▪︎রক্ত (Blood) হল মানুষের দেহের এক প্রকার
তরল যোজক কলা (Liquid Connective Tissue)
যা কোষবহুল, বহু জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সামান্য লবণাক্ত, আঠালো, ক্ষারধর্মী লালবর্ণের ঘন তরল পদার্থ এবং হৃৎপিন্ড, ধমনী, শিরা ও কৈশিক জালিকার মধ্য দিয়ে নিয়মিত প্রবাহিত হয়ে দেহে অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!