উদ্দীপকের A ও C হলো যথাক্রমে পটাসিয়াম (K) ও ক্লোরিন (CI)। পটাশিয়াম ক্ষার ধাতু এবং ক্লোরিন অত্যন্ত সক্রিয় অধাতু।
ধাতুসমূহ ইলেকট্রন ত্যাগ এবং অধাতুসমূহ ধাতু কর্তৃক বর্জনকৃত ইলেকট্রন গ্রহণ করে যথাক্রমে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন গঠন করে। অর্থাৎ এখানে আয়নিক বন্ধন গঠিত হবে।
পটাশিয়াম ও ক্লোরিনের সংযোগে পটাসিয়াম ক্লোরাইডের গঠন:
নিকটতম আর্গন পরমাণুর (18Ar) ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের চেষ্টায় K পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ কক্ষের 4s অরবিটালের ইলেকট্রনটি ত্যাগ করে আয়নে পরিণত হয়। অন্যদিকে, ক্লোরিন তার নিকটতম নিস্ক্রিয় গ্যাস, আর্গন পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের চেষ্টায় ঐ বর্জিত ইলেকট্রনটি গ্রহণ করে CI- আয়নে পরিণত হয়। এভাবে উৎপন্ন দুটি বিপরীত তড়িৎগ্রস্থ আয়ন পরস্পরের সঙ্গে স্থির তড়িৎ আকর্ষণে যুক্ত হয়ে পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI) যৌগ গঠন করে।

চিত্র: KCI যৌগ গঠন
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!