[পর্যায় সারণির খন্ডচিত্র A, B, C, D প্রতীকী প্রতীক]

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের। মোল পরমাণুর প্রতিটি বিচ্ছিন্ন পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ স্তরে অসীম দূরত্ব থেকে একটি করে । মোল ইলেকট্রন সংযোগ করে একে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করলে যে পরিমাণ শক্তি বিমুক্ত হয় তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ক্রিপ্টন (Kr) এর ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ:

Kr  1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d10 4s2 4p6

ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায়, ক্রিপ্টনের সর্বশেষ শক্তিস্তর এ ৮টি অর্থাৎ ৪র্থ শক্তিস্তর ইলেকট্রন দ্বারা পূর্ণ এবং এটি এই শক্তিস্তরের জন্য অত্যন্ত স্থিতিশীল ইলেকট্রনীয় কাঠামো। ফলে ইলেকট্রন আদান-প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে যৌগ গঠনে আগ্রহ প্রকাশ করে না। তাই ক্রিপ্টন একটি নিস্ক্রিয় গ্যাস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের A ও C হলো যথাক্রমে পটাসিয়াম (K) ও ক্লোরিন (CI)। পটাশিয়াম ক্ষার ধাতু এবং ক্লোরিন অত্যন্ত সক্রিয় অধাতু।

ধাতুসমূহ ইলেকট্রন ত্যাগ এবং অধাতুসমূহ ধাতু কর্তৃক বর্জনকৃত ইলেকট্রন গ্রহণ করে যথাক্রমে ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন গঠন করে। অর্থাৎ এখানে আয়নিক বন্ধন গঠিত হবে।

পটাশিয়াম ও ক্লোরিনের সংযোগে পটাসিয়াম ক্লোরাইডের গঠন:

K(19) :1s22s22p63s23p64s1

Cl(17) : 1s22s22p63s23p5

নিকটতম আর্গন পরমাণুর (18Ar) ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের চেষ্টায় K পরমাণু তার সর্ববহিঃস্থ কক্ষের 4s অরবিটালের ইলেকট্রনটি ত্যাগ করে K+ আয়নে পরিণত হয়। অন্যদিকে, ক্লোরিন তার নিকটতম নিস্ক্রিয় গ্যাস, আর্গন পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের চেষ্টায় ঐ বর্জিত ইলেকট্রনটি গ্রহণ করে CI- আয়নে পরিণত হয়। এভাবে উৎপন্ন দুটি বিপরীত তড়িৎগ্রস্থ আয়ন পরস্পরের সঙ্গে স্থির তড়িৎ আকর্ষণে যুক্ত হয়ে পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI) যৌগ গঠন করে।

চিত্র: KCI যৌগ গঠন

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বর্ণিত D মৌলটি যেহেতু ৩য় পর্যায়ে এবং এর সর্বশেষ কক্ষপথে 6 টি ইলেকট্রন বিদ্যমান সেহেতু মৌলটি S ও মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস হবে

S 1s22s22p63s23px23py1 3pz1

উপরিউক্ত ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায় যে 3p অরবিটালে 4টি ইলেকট্রন রয়েছে এখানে অযুগ্ম ইলেকট্রন সংখ্যা ২টি। আমরা জানি, পরমাণুর শেষ কক্ষপথে অযুগ্ন ইলেকট্রন সংখ্যাই তার যোজনী নির্দেশ করে। শেষ অরবিটালে অযুগ্ম ২টি ইলেকট্রন থাকায় এর যোজনী হয় 2 । যদি S কে উত্তেজিত করা হয় তবে 3p অরবিটালের যুগ্ম ইলেকট্রন ভেঙে 4s অরবিটালে প্রবেশ করবে। সেক্ষেত্রে এর ইলেকট্রন বিন্যাস হবে নিম্নরূপ:

উপরিউক্ত ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায় যে উত্তেজিত S এ অযুগ্ম ইলেকট্রন সংখ্যা হলো 4। অর্থাৎ এক্ষেত্রে, S এর যোজনী হবে 4।

S কে যদি আরও উত্তেজিত করা হয়, তখন 3s অরবিটালের যুগ্ম ইলেকট্রন ভেঙে যায় এবং 3d অরবিটালে প্রবেশ করে। তখন এর ইলেকট্রন বিন্যাস হয়:

S* 1s22s22p63s13px23py1 3pz13dxy13dyz1

এখানে, চটি অযুগ্ম ইলেকট্রন রয়েছে। সুতরাং, যোজনী 6।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, S এর যোজনী 2, 4 ও 6। অর্থাৎ S একাধিক যোজনী প্রদর্শন করতে পারে।

অপরদিকে উদ্দীপকের B মৌলটি পর্যায় সারণির ২য় পর্যায় ও গ্রুপ-16 তে অবস্থিত। তাই B মৌলটি O । অক্সিজেনের ইলেকট্রন বিন্যাস হলো-

ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যায় যে, অক্সিজেনের 2p অরবিটালে 4টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। এখানে অযুগ্ম ইলেকট্রন সংখ্যা দুইটি। আমরা জানি, পরমাণুর শেষ কক্ষপথে অযুগ্ম ইলেকট্রন সংখ্যাই তার যোজনী নির্দেশ করে। আবার ২য় কক্ষপথে d অরবিটাল না থাকায় ইলেকট্রন উত্তেজিত হয়ে 2s থেকে d তে প্রবেশ করতে পারে না ফলে এটি পরিবর্তনশীল যোজনী প্রদর্শন, করতে পারে না। ফলে অক্সিজেনের যোজনী 2।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, সালফার একাধিক যোজনী প্রদর্শন করলেও অক্সিজেন একাধিক যোজনী প্রদর্শন করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
72

আমরা জানি, সকল পদার্থই অনু এবং পরমাণু দিয়ে গঠিত। এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত 118টি মৌলের 118টি ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু রয়েছে। এদের মধ্য থেকে এক বা একাধিক মৌলের পরমাণু দিয়েই সকল পদার্থের অণু গঠিত হয়। পদার্থের অণুতে পরমাণুসমূহ এলোমেলো বা বিক্ষিপ্তভাবে থাকে না। পরমাণুসমূহ সুবিন্যস্ততাৰে থাকে। যে আকর্ষণ শাস্তির মাধ্যমে অণুতে দুটি পরমাণু পরস্পর যুদ্ধ থাকে তাকে রাসায়নিক ৰখন বলে। এই ৰখন বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন—আয়নিক বন্ধন, সমযোজী কখন কিংবা খাত বন্ধন। এ অঞ্চায়ে আয়নিক, সমযোর্থী বা ধাতব বন্ধন বিশিষ্ট যৌগের বন্ধন গঠন প্রক্রিয়া ও তাদের ধর্ম নিয়ে আলোচনা করা হবে।

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা -
 

  • যোজ্যতা ইলেকট্রনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • মৌলের প্রতীক, যৌগমূলকের সংকেত ও এগুলোর যোজনী ব্যবহার করে যৌগের সংকেত লিখতে পারব।
     
  • নিষ্ক্রিয় গ্যাসের স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করতে পারব। • অষ্টক ও দুইয়ের নিয়মের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • রাসায়নিক বন্ধন এবং তা গঠনের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • আয়ন কীভাবে এবং কেন সৃষ্টি হয় তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  •  আয়নিক বন্ধন গঠনের প্রক্রিয়া বর্ণনা করতে পারব।
     
  • সমযোজী বন্ধন গঠনের প্রক্রিয়া বর্ণনা করতে পারব।
     
  • আয়নিক ও সমযোজী বন্ধনের সাথে গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক, দ্রাব্যতা, বিদ্যুৎ পরিবাহিতা এবং কেলাস গঠনের ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • ধাতব বন্ধনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • ধাতব বন্ধনের সাহায্যে ধাতুর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
     
  • স্থানীয়ভাবে সহজপ্রাপ্য দ্রব্যের মধ্যে আরনিক ও সমযোজী যৌগ শনান্ত করতে পারব।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews