Add a question

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ 2012

"অসমাপ্ত আত্মজীবনী" (The Unfinished Memoirs) হলো বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। তিনি এটি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী থাকাকালীন সময়ে রচনা করেন। তাঁর স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব খাতাগুলো সযত্নে সংরক্ষণ করেন।

দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত থাকার পর তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৭ সালে এর পান্ডুলিপি উদ্ধার করেন এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশের উদ্যোগ নেন। বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি কর্তৃক। পরবর্তীতে এটি বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে প্রকাশিত হয়।

বইটিতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে শুরু করে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তাঁর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, পূর্ব বাংলার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম, এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে। এটি বাঙালি জাতিসত্তা ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের এক ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে বিবেচিত।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে ভাসানচর কথাটি এসেছে।   এটি নোয়াখালী তে অবস্থিত।

Shohan
Shohan
2 years ago
187

Related Question

View All
উত্তরঃ 13তম ও 15তম সংশোধনীর মাধ্যমে; 7ম তফসিলে।

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর (১৯৯৬) মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা। পরবর্তীতে, পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ের প্রেক্ষিতে এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের সপ্তম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গৃহীত এবং ১৭ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি মৌলিক দলিল, যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার সাংবিধানিক ভিত্তি স্থাপন করে। এটি সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেশের মৌলিক রাষ্ট্রীয় নীতি ও আদর্শকে প্রতিফলিত করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
314
উত্তরঃ

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট (Demographic Dividend) বলতে বোঝায় একটি দেশের কর্মক্ষম (সাধারণত ১৫-৬৪ বছর বয়সী) জনগোষ্ঠীর সংখ্যা যখন নির্ভরশীল (০-১৪ বছর বয়সী শিশু এবং ৬৫+ বছর বয়সী বৃদ্ধ) জনগোষ্ঠীর তুলনায় আনুপাতিক হারে অনেক বেশি হয়। জনসংখ্যা কাঠামোর এই অনুকূল পরিবর্তন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ সৃষ্টি করে, কারণ কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যাধিক্যের কারণে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং সঞ্চয় ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়ে।


বাংলাদেশ তার বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে এই ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুফল অর্জন করতে পারে। এর জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:

  • শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন: কর্মক্ষম তরুণ জনগোষ্ঠীকে গুণগত মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান করা এবং তাদের কারিগরি, প্রযুক্তিগত ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করা, যাতে তারা দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
  • স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি: জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা, বিশেষ করে মা ও শিশুর পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করা। স্বাস্থ্যবান ও কর্মঠ জনগোষ্ঠী অর্থনৈতিক উৎপাদনে আরও বেশি অবদান রাখতে পারে।
  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি: কৃষি, শিল্প, সেবা ও প্রযুক্তি খাতে নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (SMEs) বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা এবং উদ্যোক্তা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা।
  • সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি: কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করা এবং এই সঞ্চয়কে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।
  • সুশাসন ও নীতিগত সহায়তা: একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুফল কাজে লাগানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদী ও কার্যকর নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
265
উত্তরঃ দক্ষ জনশক্তির অভাব; প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা; কর্মসংস্থান হ্রাস ও নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি।

বাংলাদেশের জন্য চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (Fourth Industrial Revolution - 4IR) সাথে খাপ খাইয়ে নিতে এবং এর সুবিধাগুলি কাজে লাগাতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে প্রধান তিনটি চ্যালেঞ্জ হলো:

        
  • দক্ষ জনশক্তির অভাব: চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ইত্যাদি ব্যবহারের জন্য নতুন ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন। বাংলাদেশে পর্যাপ্ত সংখ্যক দক্ষ জনশক্তির অভাব রয়েছে যারা এই প্রযুক্তিগুলি পরিচালনায় পারদর্শী। শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা জরুরি।
  •     
  • প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা: ফোরআইআর (4IR) প্রযুক্তিগুলির সফল বাস্তবায়নের জন্য উন্নত ডিজিটাল অবকাঠামো অপরিহার্য, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, এবং আধুনিক গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) কেন্দ্র। বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে এখনও ডিজিটাল সংযোগের সীমাবদ্ধতা এবং সামগ্রিক প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর অপর্যাপ্ততা এই বিপ্লবের গতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।
  •     
  • কর্মসংস্থান হ্রাস ও নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি: স্বয়ংক্রিয়তা (Automation) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের ফলে প্রচলিত অনেক কাজ বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা ব্যাপক কর্মসংস্থান হ্রাসের কারণ হতে পারে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন ধরনের কাজের সুযোগ তৈরি করা, উদ্যোক্তা তৈরি করা এবং কর্মীদের নতুন দক্ষতার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের বাজারকে পুনর্গঠন করা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
502
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews