B-সেটের খাদ্যগুলো মাছ, মাংস, ডিম, ডাল যা আমিষ জাতীয় খাদ্য। নিচে আমিষ জাতীয় খাদ্যের কার্যকরী দিক ব্যাখ্যা করা হলো-
১. দেহের অস্থি, পেশি, বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্র, রক্ত কণিকা তৈরিতে সহায়তা করে।
২. দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে।
৩. দেহের বৃদ্ধিসাধন, গঠন ও ক্ষয়পূরণে আমিষ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
৪. নতুন কোষ উৎপাদনে আমিষ প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৬. রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে আমিষ ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
৭. কোষীয় বিপাকের মাধ্যমে তাপশক্তির চাহিদা পূরণ করে।
৮. উৎসেচক, হরমোন ইত্যাদি গঠনে আমিষের ভূমিকা রয়েছে।
বর্তমানে পৃথিবীতে বাস করছে লাখ লাখ বিভিন্ন জাতের প্রাণী। এদের আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য যেমন ভিন্নতর তেমন বিচিত্র এদের জীবনধারা, স্বভাব, খাদ্য ও খাদ্যগ্রহণ পদ্ধতি। দেহের বৃদ্ধি, শক্তি ও বেঁচে থাকার জন্য প্রতিটি প্রাণীর খাদ্য অপরিহার্য। অতএব মানবদেহকে সুস্থ-সকল রাখার জন্যও খাদ্য অপরিহার্য। খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা অর্জন করা দেহকে সুস্থ রাখার পূর্বশর্ত। আমিষ, শর্করা, জেল ও চ ইত্যাদি জৈবযৌগ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। আর এ সকল খাদ্য থেকে পুষ্টি পাই। খাদ্য বলতে সেই সকল জৈব উপাদানকে বোঝায় যেগুলো জীবের দেহ গঠন, ক্ষয়পূরণ ও শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। আার এ খাদ্য থেকে জীৰ পুষ্টি লাভ করে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আম-
• বিভিন্ন খাদ্যের পুষ্টিগুণ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• পুষ্টির অভাবজনিত রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধের উপায় বর্ণনা করতে পারব;
• চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য নির্বাচন করতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!