এক গ্রাম শর্করা ৪ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন করে।
খাদ্য মূলত বিভিন্ন যৌগের সমন্বয়ে গঠিত। আমরা উদ্ভিদ ও প্রাণী থেকে মূলত খাদ্য পাই। যেসব দ্রব্য আহার বা গ্রহণ করলে জীবদেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ, তাপ ও শক্তি উৎপাদন এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তিবৃদ্ধি প্রভৃতি কাজ সম্পন্ন হয় ঐ সকল দ্রব্যকে খাদ্য বলে।
B-সেটের খাদ্যগুলো মাছ, মাংস, ডিম, ডাল যা আমিষ জাতীয় খাদ্য। নিচে আমিষ জাতীয় খাদ্যের কার্যকরী দিক ব্যাখ্যা করা হলো-
১. দেহের অস্থি, পেশি, বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্র, রক্ত কণিকা তৈরিতে সহায়তা করে।
২. দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে।
৩. দেহের বৃদ্ধিসাধন, গঠন ও ক্ষয়পূরণে আমিষ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
৪. নতুন কোষ উৎপাদনে আমিষ প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
৬. রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে আমিষ ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
৭. কোষীয় বিপাকের মাধ্যমে তাপশক্তির চাহিদা পূরণ করে।
৮. উৎসেচক, হরমোন ইত্যাদি গঠনে আমিষের ভূমিকা রয়েছে।
A-সেটের খাবারগুলো হলো ভিটামিন 'A' এর উৎস। A-সেটের খাবারগুলোর অভাবে তমালের দেহে রাতকানা, জেরপথালমিয়াসহ নানা ধরনের সংক্রামক রোগ দেখা দিতে পারে। নিম্নে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
১. রাতকানা রোগ হলে তমাল স্বল্প আলোতে বিশেষ করে রাতে আবছা আলোতে চোখে দেখতে পারে না।
২. জেরপথালমিয়া রোগ হলে তমালের চোখের কর্নিয়ার আচ্ছাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কর্নিয়ার উপর শুষ্ক স্তর পড়বে। ফলে চোখ শুকিয়ে যাবে এবং চোখ থেকে পানি পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। চোখে আলো সহ্য হবে না। চোখে পুঁজ জমবে এবং চোখের পাতা ফুলে যাবে।
৩. তমালের দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।
৪. সর্দি, কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি রোগ হতে পারে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!