উদ্দীপকে C হলো পানি। পানি দূষিত হলে E এবং F অর্থাৎ প্রাণী এবং মানুষের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। নিচে বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হলো-
নদ-নদী, পুকুর, খাল-বিল ও ভূ-গর্ভস্থ প্রভৃতি উৎসের পানি দূষিত হলে তা প্রাণী ও মানুষের ওপর নানা রকম ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে, এমনকি কখনো কখনো তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। টাইফয়েড জ্বর, কলেরা, আমাশয়, সংক্রামক হেপাটাইটিস বি এসব পানিবাহিত রোগ দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়। নানাভাবে পানিতে রোগের জীবাণু প্রবেশ করে। পানিতে ফসফেট ও নাইট্রোজেন খুব বেড়ে গেলে তা প্রচুর শ্যাওলা জন্মাতে সাহায্য করে। এই শ্যাওলাগুলো যখন মরে যায় তখন পানিতে থাকা দ্রবীভূত অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
এর ফলে পানিতে অক্সিজেন স্বল্পতা দেখা দেয় এবং তার ফলে মাছসহ সকল প্রাণী মরে যায়।
পুকুরে ফেলা ময়লা-আবর্জনাসমূহ একদিকে যেমন অক্সিজেন স্বল্পতা
সৃষ্টি করে অন্যদিকে তেমনি পানিতে প্রচণ্ড দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। অজৈব পদার্থসমূহ (যেমন- এসিড, ক্ষার, লবণ) পানিতে বসবাসকারী প্রাণীর জন্য খুবই ক্ষতিকর। পানিতে যদি ক্ষতিকর ধাতব পদার্থ (যেমন- মারকারি, সিসা, আর্সেনিক ইত্যাদি) থাকে তবে এ ধরনের পানি পান করলে তা মানুষের দেহে নানা রোগের কারণ হতে পারে। ivate Windows
Related Question
View Allপৃথিবীতে পানি একই প্রক্রিয়ায় ঘুরে ফিরে ব্যবহার হয়। এটি সূর্যের তাপে বাষ্পীভবন, মেঘে রূপান্তর ও বৃষ্টির মাধ্যমে আবার ভূমি ও সমুদ্রে ফিরে আসে। একে পানির পুনরাবর্তন বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!