উত্তরঃ

যেসব অব্যয় বা অব্যয়সূচক শব্দাংশ আলাদাভাবে অর্থপূর্ণ শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, কিন্তু ধাতু বা ধাতুনিষ্পন্ন শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাদেরকে উপসর্গ বলে। যেমন: 'আড়' একটি উপসর্গ, যার নিজস্ব কোন অর্থ নেই। কিন্তু এটি যখন ‘চোখ' এর আগে বসবে তখন একটি নতুন শব্দ ‘আড়চোখ' তৈরি করে, যার অর্থ ‘বাঁকা চোখে’।

বাংলা ভাষায় উপসর্গের চারটি কাজ নিম্নরূপঃ 
১. শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয়। যেমন: ভাত (আলোকিত) থেকে প্রভাত (যখন প্রচুর পরিমাণে আলোকিত হয়)। পুষ্টি থেকে পরিপুষ্টি ইত্যাদি ।
২. নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়। যেমন: হার থেকে প্রহার, আহার, বিহার ইত্যাদি । 
৩. শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে। যেমন: তাপ থেকে প্রতাপ, প্রভাব ইত্যাদি।
৪. শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে। যেমন: কাজ থেকে অকাজ, কুকাজ ইত্যাদি ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

গজানন = গজের আননের ন্যায় আনন যার = মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ভাষান্তর = অন্য ভাষা = নিত্য সমাস

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাগদত্তা = বাক্ দ্বারা দত্তা = তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আত্মীয়স্বজন = আত্মীয় ও স্বজন = দ্বন্দ্ব সমাস

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

লালচে = ঈষৎ লাল = অব্যয়ীভাব সমাস

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জীবনতরী = জীবন রূপ তরী = রূপক কর্মধারায়

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

অরুণরাঙা = অরুণের ন্যায় রাঙা = উপমান কর্মধারয় সমাস

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

প্রশান্তি = প্রকৃষ্ট যে শান্তি = প্রাদি সমাস

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
70

বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না। এগুলো অন্য শব্দের আগে বসে। এর প্রভাবে শব্দটির কয়েক ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়। যেমন-

১. নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয়।

২. শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয় ।

৩. শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ ঘটে।

৪. শব্দের অর্থের সংকোচন ঘটে। এবং

৫. শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে।

ভাষায় ব্যবহৃত এসব অব্যয়সূচক শব্দাংশেরই নাম উপসর্গ। যেমন ‘কাজ' একটি শব্দ । এর আগে ‘অ’ - অব্যয়টি যুক্ত হলে হয় ‘অকাজ’ যার অর্থ নিন্দনীয় কাজ। এখানে অর্থের সংকোচন হয়েছে। -

‘পূর্ণ’ (ভরা) শব্দের আগে ‘পরি’ যোগ করায় ‘পরিপূর্ণ' হলো। এটি পূর্ণ শব্দের সম্প্রসারিত রূপ (অর্থে ও আকৃতিতে)। ‘হার’ শব্দের পূর্বে ‘আ’ যুক্ত করে ‘আহার’ (খাওয়া), ‘প্র’ যুক্ত করে ‘প্রহার’ (মারা), 'বি' যুক্ত করে ‘বিহার' (ভ্রমণ), 'পরি' যোগ করে ‘পরিহার' (ত্যাগ), ‘উপ’ যোগ করে ‘উপহার’ (পুরস্কার), ‘সম’ যোগ করে ‘সংহার’ (বিনাশ) ইত্যাদি বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন শব্দ তৈরি হয়েছে।

এ উপসর্গগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই, কিন্তু অন্য শব্দের আগে যুক্ত হলে এদের অর্থদ্যোতকতা বা নতুন শব্দ সৃজনের ক্ষমতা থাকে।

বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ আছে : বাংলা, তৎসম (সংস্কৃত) এবং বিদেশি উপসর্গ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অনশন = ন অশন = নঞ তৎপুরুষ সমাস

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

সপ্তর্ষি = সপ্ত ঋষির সমাহার = দ্বিগু সমাস

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

পরানপাখি = পরান রূপ পাখি = রূপক কর্মধারয় সমাস

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

হাটবাজার = হাট ও বাজার = দ্বন্দ্ব সমাস

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
উত্তরঃ

আয়কর = আয়ের উপর কর = মধ্যপদলোপী কর্মধারয়

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
3 years ago
831
উত্তরঃ

সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ বা একপদীকরণ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে ।

বাংলাভাষায় সমাসের প্রয়োজনীয়তাঃ
ভাষা সংক্ষিপ্তকরণঃ সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে। যেমন: মাস্টার সাহেবের ঘরে আশ্রিত জামাই বাষ্প চালিত যানে ঢাকা গেলেন। না বলে সংক্ষিপ্তাকারে আমরা বলতে পারি - মাস্টার সাহেবের ঘরজামাই বাষ্পযানে ঢাকা গেলেন।

নতুন শব্দ গঠনঃ সমাস নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: জায়া ও পতি মিলে নতুন শব্দ দম্পতি

ভাষার শ্রুতিমধুরতা বৃদ্ধিঃ সমাস ভাষাকে শ্রুতিমধুর, প্রাঞ্জল ও ছন্দময় করে তোলে। যেমনঃ 'রাজা সিংহ চিহ্নিত আসনে বসে আছেন' না বলে ‘রাজা সিংহাসনে বসে আছেন' বললে বাক্যটি শ্রুতিমধুর হয়।

তুলনাকরণঃ দুই পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতেও সমাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন: বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু সহচর শব্দ গঠনঃ সমাসের মাধ্যমে সহচর শব্দ গঠিত হয়। যেমন: সোনা ও রুপা = সোনারুপা ।

8k
উত্তরঃ

রাজর্ষি = যিনি রাজা তিনিই ঋষি (কর্মধারয় সমাস)।

উত্তরঃ

অহি-নকুল = অহি ও নকুল (দ্বন্দ্ব সমাস)।

190
উত্তরঃ অপ: অপমান, অপচয়, অপকার, অপবাদ, অপমৃত্যু
বি: বিজ্ঞান, বিরল, বিষাদ, বিফল, বিদেশ

উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না, কিন্তু কোনো শব্দের আগে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়। বাংলা ভাষায় তিন প্রকার উপসর্গ দেখা যায়: বাংলা উপসর্গ (যেমন: অ, অজ, অনা), তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ (যেমন: প্র, পরা, অপ, সম, নি, বি, সু, অতি, অধি, অনু, অভি, প্রতি, পরি, উপ), এবং বিদেশি উপসর্গ (যেমন: আম, খাস, গড়, হাফ)। ‘অপ’ এবং ‘বি’ উভয়ই তৎসম উপসর্গ। ‘অপ’ উপসর্গটি সাধারণত মন্দ, বিপরীত, অভাব, বা দূরীকরণ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ‘মান’ শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ‘অপমান’ (হীনতা) বা ‘ব্যয়’ শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ‘অপচয়’ (নষ্ট হওয়া) বোঝায়। অন্যদিকে, ‘বি’ উপসর্গটি বিশেষ, অভাব, গতি, বিপরীত, বা বিসর্গ অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: ‘জ্ঞান’ শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ‘বিজ্ঞান’ (বিশেষ জ্ঞান) অথবা ‘ফল’ শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে ‘বিফল’ (ফলহীন) বোঝায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
415
উত্তরঃ

সতীর্থ = সমান তীর্থ যাদের (বহুব্রীহি সমাস)। 

শিক্ষামন্ত্রী = শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী (মধ্যপদলোপী কর্মধারয়)। 

প্রগতি = প্র (প্রকৃষ্ট) গতি (প্রাদি সমাস)।

522
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews