(৩)
NHCl এবং Ca(OH)2 এর
20 g মিশ্রণ
NHCl এবং Ca(OH)2 এর
20 g মিশ্রণ
রসায়ন গবেষণাগারে আমরা নানা ধরনের যৌগ ব্যবহার করে থাকি। তাদের মধ্যে এসিড, ক্ষারক আর লবণ অন্যতম। রসায়নের শিক্ষার্থী হিসেবে তোমাদেরকেও এসিড, ক্ষারক এবং লবণ সম্পর্কে জানতে হবে। ল্যাবরেটরিতে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য গাঢ় এসিদ্ধ বা পাঢ় ক্ষারের পরিবর্তে শহু এসিড বা লঘু ক্ষারই বেশি ব্যবহার করে থাকি। খাদ্যের মাধ্যমে আমরা এসিড, ক্ষারক ও লবণ পেয়ে থাকি, যা আমাদের শরীরের জন্য আবশ্যক। এসিডকে ক্ষারক দ্বারা প্রশমিত করে লবণ তৈরি করা হয় অথবা ক্ষারককে এসিড দ্বারা প্রশমিত করে লবণ তৈরি করা হয়। কোনো প্রবণ এসিডধর্মী না ক্ষারধর্মী তা আমরা ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারি। এদের মধ্যে লিটমাস পরীক্ষা, pH মান পরীক্ষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজনীয় এসব এসিড, ক্ষারক এবং লবণ আমাদের পরিবেশকে আবার বিভিন্নভাবে দূষিতত্ত্ব করছে। এসব বিষয়ই এই অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা
- অম্ল, ক্ষার ও লবণের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পরিচিত পরিবেশের পদার্থগুলোর মধ্য থেকে অম্ল, ক্ষার ও লবণকে শনাক্ত করতে পারব৷
- ক্ষারক ও ক্ষার জাতীয় পদার্থের পার্থক্য করতে পারব।
- ব্যবহার্য পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষারের প্রভাব বর্ণনা করতে পারব।
- গৃহস্থালি পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষার জাতীয় দ্রব্যের প্রভাবের আর্থিক গুরুত্ব মুল্যায়ন করতে পারব।
- pH এর ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- pH পরিমাপের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অম্ল-ক্ষার সমতার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারব।
- এসিড বৃষ্টির কারণ, ক্ষতিকর দিকসমূহ এবং তা থেকে রক্ষার উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পানিচক ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পানির খরতা ব্যাখ্যা করতে পারব ।
- এর পানি ব্যবহারের সুবিধাসমূহ উল্লেখ করতে পারব।
- খর পানি ব্যবহারের আর্থিক ক্ষতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পানি দূষণের কারণ ও পরিশোধনের উপায়সমূহ বর্ণনা করতে পারব।
- আর্সেনিকযুক্ত পানি পানের ক্ষতিকর দিক উল্লেখ করতে পারব।
- pH পরিমাপের মাধ্যমে গৃহের / ল্যাবের/লবণাক্ত পানির প্রকৃতি নির্ণয় করতে পারব।
- যৌগসমূহের দ্রবণের pH মান নির্ণয় করে বা লিটমাস বা ইউনিভার্সাল ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে যৌগের প্রকৃতি তুলনা (এসিড, ক্ষার) করতে পারব।
- দূষণযুক্ত পানি ব্যবহারে আগ্রহ প্রদর্শন করতে পারব।
- এসিড সন্ত্রাসের ভয়াবহ দিক সম্পর্কে সচেতনতার পরিচয় দিতে পারব এবং অন্যদের সচেতন করতে করতে পারব।
- ব্যবহার্য পদার্থের ওপর অম্ল ও ক্ষারের প্রভাব পরীক্ষার মাধ্যমে দেখাতে পারব।
- অম্ল ও ক্ষার জাতীয় পদার্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবহারের পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারব।
Related Question
View AllNO2 গ্যাসের বর্ণ বাদামী।
pH হলো হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম। pH = - log [H+]। কোনো দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে হয়। আমরা জানি, কোনো দ্রবণের pH মান 7 এর কম হলে দ্রবণটি অম্লীয় আবার 7-এর বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয়। কোনো দ্রবণের pH মান 7 হলে দ্রবণটি প্রশম। চুনের পানি যেহেতু ক্ষারীয় সেহেতু চুনের পানির pH এর মান 7 থেকে বেশি হবে।
উপরের চিত্র অনুযায়ী NH4Cl ও CaO কে একসাথে তাপ দিলে NH3 গ্যাস, CaCl2 ও H2O উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ 'X' গ্যাসটি হলো NH3 গ্যাস। এক্ষেত্রে তীব্র এসিড HCI এবং মৃদু ক্ষার NH3 এর বিক্রিয়া অম্লধর্মী লবণ (NH4Cl) উৎপন্ন হয়।
গ্যাসের জলীয় দ্রবণ হলো NH4OH (aq)।
এর জলীয় দ্রবণ ক্ষারধর্মী। তাই এটি এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
ধাতব লবণ যেমন দ্রবণে দ্রবণ যোগ করলে প্রথমে ক্ষারীয় কপার সালফেটের নীল অধঃক্ষেপ পড়ে। পরে অতিরিক্ত দ্রবণ যোগে দ্রবণীয় টেট্রামিন কপার সালফেটের গাঢ় নীল দ্রবণ সৃষ্টি হয়।
(নীল অধঃক্ষেপ)
(গাঢ় নীল দ্রবণ) ট্রেট্টা অ্যামিন কিউপ্রিক সালফেট
CuSO4 এর জলীয় দ্রবণ অম্লধর্মী হওয়ায় এখানে NH4OH এর ক্ষারধর্ম প্রকাশ পেয়েছে।
উদ্দীপকের X গ্যাসটি হলো অ্যামোনিয়া এর সাথে HCI এর বিক্রিয়া করলে এর সাদা ধোঁয়া উৎপন্ন হবে। এক্ষেত্রে তীব্র এসিড HCI এবং মৃদু ক্ষার এর বিক্রিয়া অম্লধর্মী লবণ উৎপন্ন হয়।
অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড এর বাণিজ্যিক নাম নিশাদল।
তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকে।
আভিধানিক অর্থে pH মানে হলো হাইড্রোজেন আয়নের ক্ষমতা। কোনো দ্রবণে pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে হয়। দ্রবণের pH মান 7-এর কম হলে দ্রবণটি অম্লীয় আবার 7-এর বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষারীয়। কোনো দ্রবণের pH মান 7 হলে দ্রবণটি প্রশম হবে।
উদ্দীপকের জলাশয়ের বর্জ্য পদার্থের মধ্যে সালফিউরিক এসিড (H2SO4) মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। তাই জলাশয়ের pH মান 7 এর কম হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!