পশ্চাৎ মস্তিষ্কের উপরের অংশই হলো মধ্যমস্তিষ্ক।
যে সকল উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্না কাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে। আমরা ইচ্ছা করলেই প্রতিবর্তী ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রন করতে পারি না। প্রতিবতী ক্রিয়া মূলত সুষুম্না কান্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। হঠাৎ করে আঙ্গুলে সূঁচ ফুটলে অথবা হাতে গরম কিছু লাগলে আমরা দ্রুত হাতটি উদ্দীপনার স্থান থেকে সরিয়ে নেই। এটি প্রতিবর্তী ক্রিয়ার ফল।
উদ্দীপকে উল্লিখিত P উপাদানগুলো উদ্ভিদের বৃদ্ধিকারক বস্তু যা ফাইটোহরমোন নামে পরিচিত। নিচে উদ্ভিদের উপর ফাইটোহরমোনের কার্যাবলী বিশ্লেষণ করা হলো-
উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপাদন করতে সক্ষম। এরা ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ফ্লোরিজেন হরমোন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। অক্সিন হরমোনের প্রভাবে শাখা কলমে মূল গজায়, ফল অকালে ঝরা বন্ধ হয়, অভিস্রবণ ও শ্বসন ক্রিয়ার হার বৃদ্ধি পায়। জিবেরেলিন হরমোনের প্রভাবে উদ্ভিদের পর্বমধ্যগুলো দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পায়। এছাড়া ইহা ফুল ফোটাতে, বীজের সুপ্তাবস্থার দৈর্ঘ্য কমাতে এবং অঙ্কুরোদগমে কার্যকর ভূমিকা রাখে, সাইটোকাইনিন হরমোন কোষ বিভাজনে, অঙ্গের বিকাশ সাধন, বীজ ও অঙ্গের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গকরণে ও বার্ধক্য বিলম্বিতকরণে ভূমিকা রাখে। এছাড়া ইথিলিন ফল পাকাতে, বীজ ও মুকুলের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করতে, চারাগাছকে লম্বা হতে এবং ফুল ও ফল সৃষ্টিতে সহায়তা করে। পাতা, ফুল এবং ফলের ঝরে পড়া ত্বরান্বিত করতে ইথিলিন ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকের Q রোগটি হলো ডায়াবেটিস। 3D মেনে চলার মাধ্যমে উদ্দীপকের রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। এগুলো হলো: Discipline, Diet ও Dose |
Discipline (শৃঙ্খলা) : একজন ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য তার সুশৃঙ্খল জীবন ব্যবস্থা মহৌষধস্বরূপ। এছাড়া, নিয়মিত ও ডাক্তারের পরামর্শ মতো পরিমিত খাদ্য গ্রহণ করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করা ইত্যাদি মেনে চলতে হবে।
Diet (খাদ্য নিয়ন্ত্রণ) : ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের প্রধান উপায় হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা। মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহার করা ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ও সময় মতো খাদ্য গ্রহণ করা।
Dose (ঔষধ সেবন) : ডাক্তার রোগীর শারীরিক অবস্থা বুঝে ঔষধ খাওয়া বা ইনসুলিন নেওয়ার পরামর্শ দেয়। সেই পরামর্শ অনুযায়ী রোগীকে নিয়মিত ঔষধ সেবন করতে হবে।
Related Question
View Allউদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দই হলো বায়োলজিক্যাল ক্লক।
উদ্ভিদে পুষ্প সৃষ্টিতে উষ্ণতার প্রভাবকে ভার্নালাইজেশন বলে। শীতের গম গরমকালে লাগালে ফুল আসতে বহু দেরী হয়। কিন্তু, বীজ রোপনের পূর্বে ২০-৫০ সে. উষ্ণতা প্রয়োগ করলে উদ্ভিদে স্বাভাবিক পুষ্প প্রস্ফুটন ঘটে। এ পদ্ধতিটি হলো প্রকৃতপক্ষে ভার্নালাইজেশন।
উদ্ভিদের ফুল ফোটা কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যেমন- নিরবিচ্ছিন্ন আলোক দৈর্ঘ্য। উদ্দীপকের ফলজ গাছগুলো হয়তো তার প্রয়োজনীয় নিরবিচ্ছিন্ন আলো পায়নি। অর্থাৎ ফলজ গাছগুলো বড় দিনের হলেও তাদের হয়তো ছোট দিনে লাগানো হয়েছিল। তাই এই সময়ে ফলজ গাছগুলোতে ফুল ফোটেনি।
এছাড়া ফুল ফোটার জন্য উদ্ভিদদেহে তৈরি হয় কিছু হরমোন। যেমন- ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন। ফ্লোরিজেন পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে প্রস্ফুটিত করে। ভার্নালিনও পুষ্প প্রস্ফুটনে সাহায্য করে।
উদ্দীপকের ফলজ গাছগুলোতে উপরে বর্ণিত পুষ্প উদ্দীপক হরমোন দুটি অর্থাৎ ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন-এর কোনটিই তৈরি হয়নি বলে ফলজ গাছগুলোতে ফুল ফোটেনি।
ফলজ গাছগুলোতে আরেকটি সমস্যা ছিল ছোট অবস্থায় ফল ঝরে পড়া। উদ্ভিদদেহে কিছু হরমোন তৈরি হয় যা পাতা, ফুল, ফল ইত্যাদি ঝরাতে সাহায্য করে। এ হরমোনগুলোর মধ্যে অ্যাবসিসিক এসিড এবং ইথিলিন প্রধান। উদ্দীপকের ফলজ উদ্ভিদগুলোর ছোট ফলের বোটায় অ্যাবসিসিক এসিড বা ইথিলিন অধিক তৈরি হওয়ায় ছোট অবস্থায়। ফলগুলো ঝরে পড়েছিল।
কৃষি খামারে খামারীরা ঠাণ্ডা ঘরের ভেতর ছোট ছোট চারা রেখেছিল যেখানে একটি আলো জ্বালানো ছিল। খামারীরা লাভবান হওয়ার জন্য ফসলী উদ্ভিদে আগাম ফুল, ফল ধারণের লক্ষ্যে এমন পরিবেশে গাছগুলোকে রেখেছিল। উদ্ভিদে ফুল ধারণ অনেক সময় নির্ভর করে নিরবিচ্ছিন্ন আলোেক দৈর্ঘ্যের উপর। আবার আলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ এবং শাখা-প্রশাখা তৈরীতে ভূমিকা রাখে। উপযুক্ত বৃদ্ধি, বিকশিত ও শাখান্বিত উদ্ভিদে অধিক ফুল ও ফল ধারণ করে। উদ্দীপকের ঘরটিতে রাখা আলো এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ছোট ছোট চারাগাছগুলোকে ঠান্ডা ঘরে রাখা হয়েছিল। শৈত্য বা ঠান্ডা প্রদানের মাধ্যমে ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ভার্নালাইজেশন। ভার্নালাইজেশনের কারণে উদ্ভিদ ভূণের অগ্রভাগে 'ভার্নালিন' নামক এক প্রকার পুষ্প উদ্দীপক হরমোন তৈরি হয়। এই ভার্নালিন পুষ্প প্রস্ফুটনে তথা ফল উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
সুতরাং অহনার দেখা গাছগুলোকে খামারীরা উক্ত পরিবেশে রেখেছিল অধিক ও আগাম ফুল-ফল ধরানোর লক্ষ্যে। এতে খামারীরা লাভবান হবে।
যে সব উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্না কাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাই প্রতিবর্তী ক্রিয়া।
নালিবিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এক ধরনের রসকে বলা হয় প্রাণরস বা হরমোন। প্রাণরস রক্তস্রোতের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্য কোষে পৌঁছে কোষের প্রাণরাসায়নিক কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে এবং জৈবিক কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
