অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ৮।
যে সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, সেসব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। আইসোটোপগুলো একই মৌলের পরমাণু।
যেমন- হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে। এরা হলো-
১. প্রোটিয়াম২. ডিউটেরিয়াম ৩. ট্রিটিয়াম
P মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ১১। কোনো মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা আসলে ঐ মৌলের একটি পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যা। তাই এক্ষেত্রে P মৌলটির পরমাণুতে প্রোটন আছে ১১ টি।
আবার, কোনো পরমাণুতে প্রোটন আর ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান।
তাই P মৌলের পরমাণুতে ইলেকট্রন রয়েছে ১১টি।
কোনো পরমাণুতে প্রোটনের সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা = ঐ মৌলের ভরসংখ্যা।
P মৌলের নিউট্রন সংখ্যা = P মৌলের ভর সংখ্যা-P মৌলের প্রোটন সংখ্যা
তাই P মৌলের নিউট্রন সংখ্যা = ২৩ – ১১ = ১২
অতএব, P মৌলের ইলেকট্রন সংখ্যা ১১, প্রোটন সংখ্যা ১১ এবং নিউট্রন সংখ্যা ১২।
উদ্দীপক অনুযায়ী, ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ১১। তাই মৌলটি সোডিয়াম। অপরদিকে Q মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ১৭। তাই মৌলটি ক্লোরিন। মৌলদ্বয়ের ইলেকট্রন বিন্যাস নিয়ে পাই
ইলেকট্রন বিন্যাস হতে দেখা যাচ্ছে, Na এর সর্বশেষ স্তরে ১টি এবং ক্লোরিনের সর্বশেষ স্তরে ৭টি ইলেকট্রন আছে। সোডিয়াম তার সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তর থেকে ১টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে।
অপরদিকে ক্লোরিনের সর্বশেষ স্তরে ৭টি ইলেকট্রন আছে যা ত্যাগ করা কঠিন। তাই ক্লোরিন ১টি ইলেকট্রন গ্রহণ করে নিকটস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাস আর্গনের ইলেকট্রন বিন্যাস অর্জন করে।
ফলে তাদের মধ্যে একটি আকর্ষণ বল কাজ করে এবং তারা একে অন্যের সাথে আয়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যৌগ গঠন করে।
বিক্রিয়া:

Related Question
View Allসিলিকনের পারমাণবিক সংখ্যা ১৪।
Na' বলতে ধনাত্মক আধান যুক্ত আয়ন বা ক্যাটায়ন বুঝায়। কোনো পরমাণু যখন এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তখন পরমাণুটি ধনাত্মক চার্জে তথা ক্যাটায়নে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে Na পরমাণু। টি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Na' ক্যাটায়নে পরিণত হয়েছে; তাতে Na এর ইলেকট্রন সংখ্যা (11-1) = 10টি।
উল্লেখিত মডেলটি হলো রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল। নিচে
মডেলটির বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো:
১. পরমাণুতে ধনাত্মক আধান ও ভর নিউক্লিয়াস নামক একটি ক্ষুদ্র জায়গায় অবস্থান করে।
২. পরমাণুর বেশির ভাগ জায়গা ফাঁকা।
৩. ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণার তেমন কোনো ভর নেই।
৪. ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
৫. এই মডেলটিকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করা হয়। তাই এই মডেলকে Solar System বা সৌর মডেল বলে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত রাদারফোর্ডের মডেলে সৌর মডেল অনুসরণ করা হয় কি-না তা নিচে যাচাই করা হলো:
১. সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে সূর্য এবং সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলো বিভিন্ন কক্ষপথে একইভাবে ঘুরতে থাকে। তেমনি পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস এবং নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কক্ষপথে এক বা একাধিক ইলেকট্রন ঘুরতে থাকে।
২. সৌরজগতে সূর্যের ভর গ্রহগুলোর প্রত্যেকটির ভরের তুলনায় অনেক বেশি। তেমনি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর প্রত্যেকটি
ইলেকট্রনের ভরের তুলনায় অনেক বেশি। ৩. সৌরজগতের বেশির ভাগ স্থান ফাঁকা, তেমনি পরমাণুরও বেশির ভাগ জায়গা ফাঁকা।
৪. সৌরজগতের আয়তনের তুলনায় গ্রহগুলো ও সূর্যের মোট আয়তন খুবই কম। তেমনি পরমাণুর আয়তনের তুলনায় নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রনগুলোর মোট আয়তন নগণ্য।
৫. সৌরজগতের গ্রহগুলোর কক্ষপথ সামান্য উপবৃত্তাকার। সূর্য এ উপবৃত্তের কেন্দ্রে থাকে। পরমাণুতেও ইলেকট্রনগুলোর কক্ষপথ বৃত্তাকার ও উপবৃত্তাকার হয় এবং নিউক্লিয়াসটি বৃত্ত বা উপবৃত্তের কেন্দ্রে থাকে।
অতএব, উপরোক্ত বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় উদ্দীপকে উল্লেখিত মডেলে সৌর মডেল অনুসরণ করা হয়।
যোজনী হলো অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতা।
পারমাণবিক সংখ্যা বলতে কোনো পরমাণুর প্রোটন সংখ্যাকে বুঝানো হয়। ক্লোরিনের পারমাণবিক সংখ্যা ১৭ বলতে বুঝায়, ক্লোরিনের একটি পরমাণুতে ১৭ টি প্রোটন আছে। একটি পরমাণুতে যেহেতু প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান তাই বোঝা যায়, ক্লোরিনের একটি পরমাণুতে ১৭ টি ইলেকট্রনও আছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!