চিত্রে উল্লিখিত 'ও 'R' অঞ্চল দুটি হচ্ছে যথাক্রমে রাশিয়ার সাইবেরিয়া এলাকা এবং কানাডা অঞ্চল। এ দুটি অঞ্চলের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্বে ব্যাপক তারতম্য লক্ষ করা যায়।
'Q' অঞ্চল তথা রাশিয়ার উত্তরাঞ্চলে সাইবেরিয়ার ভূপ্রকৃতি অধিকাংশ সময় বরফে ঢাকা থাকে। অত্যধিক ঠাণ্ডা বায়ুপ্রবাহের কারণে এ অঞ্চলে কৃষিকার্য হয় না বললেই চলে। আবার, এ অঞ্চল সমুদ্র থেকে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। উত্তরের হিমশীতল বায়ু ও পর্বতের শৃঙ্গে জমাটবন্দ বরফের কারণে এ অঞ্চলে চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বিরাজ করে। হিমশীতল এ অনালে কিছু পশুপালন (রেইনডিয়ার) করা হয়। স্বাভাবিকভাবে এ অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব খুবই কম অর্থাৎ জনসংখ্যা প্রায় বিরল।
অন্যদিকে ভূপ্রকৃতিগত দিক থেকে 'R' অঞ্চল তথা কানাডার মধ্যভাগ ও দক্ষিণে সমতল ভূমি রয়েছে। এখানে কৃষিকাজ হয়। ফলশ্রুতিতে এ অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব লক্ষ করা যায়। এ অঞ্চল পূর্ব ও পশ্চিমে সমুদ্রের নিকটবর্তী। এখানে সমুদ্রবায়ু প্রবাহিত হয়। এ বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকায় বৃষ্টিপাত হয়। ফলে কৃষিকার্য সম্পাদিত হয়। এছাড়া এ অঞ্চলের আবহাওয়া চরমভাবাপর নয়। অক্ষাংশগত অবস্থানের কারণে জলবায়ুগত যে প্রতিকূলতা (যেমন- তুষারপাত) অঞ্চলটির প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ সে বাধা দূর করেছে। ফলে এখানে জনবসতির ঘনত্ব বেশি।
সুতরাং '' ও '' অঞ্চল দুটির অবস্থান বিশ্লেষণ করলে বলা যায়, উল্লিখিত অঞ্চল দুটির মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্বে ব্যাপক তারতম্য রয়েছে। মূলত অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে প্রতিকূল অবস্থা বিরাজ করায় জনসংখ্যা কম। পক্ষান্তরে, 'R' অঞ্চলে ভৌগোলিক প্রেক্ষাপটে জনসংখ্যা বৃদ্ধির অনুকূল অবস্থা বিরাজ করায় জনঘনত্ব বেশি।
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!