উত্তরঃ

তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল হলো সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে অসংখ্য নদনদী, খাল, বিল ও হাওর থাকার পরও বেশকিছু অঞ্চলে পানির অভাব তীব্র হচ্ছে। এ পানি সংকটের কতিপয় কারণ রয়েছে। বাংলাদেশের অনেক নদীতে পলি জমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এ পলি খননের অভাবে নদীর নাব্যতা হ্রাস পাচ্ছে। যে কারণে পানি সংকট দেখা দেয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে। ভারত বেশ কিছু নদীতে বাঁধ দেওয়ার কারণেও বাংলাদেশে পানির সংকট হয়। এছাড়াও বাংলাদেশে পানি সংকটের আরেকটি উল্লেখযোগ্য কারণ হলো নিয়মনীতি না মেনে নদীর উপর যত্রতত্র ব্রিজ, কালভার্ট, বাঁধ ইত্যাদি নির্মাণ করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মানচিত্রে 'ক' চিহ্নটি দ্বারা মেঘনা নদীকে বোঝানো হয়েছে।

সিলেট জেলার সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্থলে মেঘনা নদীর সৃষ্টি হয়েছে। আবার সুরমা ও কুশিয়ার নদীদ্বয়ের উৎপত্তি আসামের বরাক নদী ও নাগা মনিপুর অঞ্চলে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদী বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে। সুনামগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জের কাছে কালনী নামে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মেঘনা নামধারণ করেছে। এটি ভৈরব বাজার অতিক্রম করে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে। মুন্সিগঞ্জের কাছে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যার মিলিত জলধারা মেঘনায় এসে মিলিত হয়েছে। সেখান থেকে চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে বিস্তৃত মোহনার সৃষ্টি করেছে। এরপর তা বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। মুন, তিতাস, মোতী, বাউলাই মেঘনার শাখা নদী। বর্ষার সময় প্লাবন ও পলিমাটিতে মেঘনা বাংলাদেশের উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মানচিত্রে দেখানো সম্পদটি দ্বারা নদীর পানিকে বোঝানো হয়েছে। আমিও মনে করি, খাদ্য নিরাপত্তার সাথে এ সম্পদটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

বাংলাদেশে ভূমি, পানি, খাদ্য ব্যবস্থাপনায় প্রতিনিয়ত সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো পানির দুষ্প্রাপ্যতা ও পানি দূষণ। খাদ্য ও পানির নিরাপত্তার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ, পানির সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা যেমন আবশ্যক, তেমনি সংযোগ খাল, রিজার্ভার খনন করাও দরকার। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নয়নের এ যুগে বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন বর্তমানে পূর্বের চেয়ে তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এজন্য দেশে তেমন খাদ্য সংকট নেই। কিন্তু পানি দূষণ ও দুষ্প্রাপ্যতা যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে দেশের পানি সম্পদকে মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। একই সাথে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে বৈজ্ঞানিক ধ্যানধারণা ও শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে এবং প্রযুক্তির ব্যবহারে যত্মবান হতে হবে। দেশের পানি সম্পদ সারা বছরের সকল চাহিদা পূরণ করতে পারলে দেশে কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাবে। সে কারণে প্রথমে পানির নিরাপত্তা বিধান করতে হবে, তাহলে খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। আর এজন্য দেশে জাতীয় পানি নীতিমালা যথাযথভাবে কার্যকর করার প্রতি দৃষ্টি দিতে হবে।

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
86

Related Question

View All
উত্তরঃ

তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়ে আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। আর এ শাখা নদীটি যমুনা নামে পরিচিতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা।

সাধারণ উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। অবশ্য সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। তবে বর্তমানে এসব বনভূমি রাবার চাষও হচ্ছে। তাছাড়া এ বনগুলো অনেক সৌন্দর্যের রূপ পরিগ্রহ করে।

উদ্দীপকের জাহিদ তার বিদেশি বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই চিরহরিৎ বনভূমিতে বেড়াতে গিয়ে বনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাওয়া-আসা করে থাকেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
547
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জাহিদের করা মন্তব্যটি যথার্থ।

উদ্দীপকে বর্ণিত নদীটির নাম কর্ণফুলী। কর্ণফুলি নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই নামক পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব নিকট দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া এ নদীটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উদ্দীপকে জাহিদ ছুটিতে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ফেরার পথে বেড়াতে গিয়ে সে অঞ্চলের প্রধান নদীটি সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করে তা কর্ণফুলি নদীকেই বুঝিয়েছে যা আলোচনায় স্পষ্ট।

তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে জাহিদের মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
429
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সব সময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
799
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews