বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি ১৯৭৪ সালে হয়েছিল।
বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি ১৯৭৪ সালে হয়েছিল।
স্বাধীনতা, সমতা, ভ্রাতৃত্ব, অথবা মৃত্যু (ফরাসি: Liberté, égalité, fraternité, ou la mort!) একটি শ্লোগান। এটি ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিলো।
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হয়।
ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ।
১০ জানুয়ারি ১৯৭২, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
দগ হামারশোল্ড বিমান দূর্ঘটনায় মৃত্যুজনিত কারণে তিনি মেয়াদ পূর্তি করতে পারেননি। নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের পর থেকে তিনি ছিলেন চার জন ব্যক্তির মধ্যে একজন, যিনি মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। একমাত্র জাতিসংঘ মহাসচিব হিসেবে হামারশোল্ড কর্মরত অবস্থায় মারা যান।
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'মুজিবনগর ' অন্তর্ভুক্ত ছিল ৮ নং সেক্টরে। মুজিবনগর (পূর্বনাম: বৈদ্যনাথতলা এবং ভবেরপাড়া), বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান ।
পৃথিবীর প্রথম কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে সাধারণভাবে "সোশ্যালিস্ট রাষ্ট্র" বা "কল্যাণকর রাষ্ট্র" হিসেবে সুইডেনকে ধরা হয়। সুইডেনের কল্যাণকর রাষ্ট্রনীতি ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রতিষ্ঠিত হতে শুরু করে এবং এটি সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, এবং অন্যান্য মৌলিক সুবিধার উপর গুরুত্ব দেয়।
তবে, ইতিহাসের নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির উপর নির্ভর করে, বিভিন্ন গবেষক এবং বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সময় ও স্থানের রাষ্ট্রগুলিকে কল্যাণকর রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন। তবে আধুনিক কল্যাণকর রাষ্ট্রের আদর্শ ধারণা ও বাস্তবায়ন প্রথম হিসেবে সুইডেনের নাম উল্লেখ করা হয়।
দেশের সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড। এটি গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অবস্থিত।
মাতামুহুরী নদী উৎপত্তি বান্দরবানের লামায় মাইভার পর্বত হতে এবং হালদা নদীর উৎপত্তি খাগড়াছড়ির বটনাতলী পর্বতশৃঙ্গ। সুতরাং বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি এমন দুটি নদী হল হালদা ও মাতামুহুরি।
দেশে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপিত হবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে
বঙ্গবন্ধু টানেল চট্টগ্রাম শহরের দক্ষিণ পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করেছে।
1 জুলাই 2002 রোম চুক্তি কার্যকর হবার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যাত্রা শুরু করে। নেদারল্যান্ডের হেগে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
Related Question
View Allস্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি (বিভক্ত করেন কর্নেল এম এ জি ওসমানী) সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল ১১ জুলাই ১৯৭১ সালে। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ১০নং সেক্টর সরাসরি প্রধান সেনাপতির অধীনে ছিল। সম্মুখ সমরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য ৩টি (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
সেক্টর ২ঃ কুমিল্লা, নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়েছিল।
ICDDRB- International Centre for Diarrhoea Disease Research, Bangladesh.
২ নং সেক্টর।
২ নং সেক্টর।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!