ঋতুর সঙ্গে দিক পরবির্তনকারী বায়ুই ঋতু আশ্রয়ী বায়ু।

1 year after

মৌসুমি বায়ু অঞ্চলে শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে মকরক্রান্তির নিকট অবস্থান করায় সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এ সময় উত্তর গোলার্ধের স্থলভাগ অত্যন্ত শীতল হওয়ায় সেখানে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়। ফলে স্থলভাগের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু দক্ষিণের নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়। এ বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসে বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসমি বায়ু বলে।

1 year after

আছকে আলোচিত বায়ুগুলো হলো অয়ন, পশ্চিমা ও মেরু বায়ু। বায়ুগুলোর দিক নিচে তুলে ধরা হলো:

অয়ন বায়ু: নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় থেকে উষ্ণ ও হালকা বায়ু উপরে উঠে গেলে কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ বলয় হতে শীতল ও ভারী বায়ু নিরক্ষীয় অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। এই বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর- পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

পশ্চিমা বায়ু: পশ্চিমা বায়ু উত্তর গোলার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।

মেরু বায়ু: মেরু অঞ্চলের ভারী ও শীতল বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব দিক হতে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়।

1 year after

তাপ ও চাপের পার্থক্যের জন্য বায়ু সর্বদা এক স্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। একে বায়ুপ্রবাহ বলে। ছকে তিন ধরনের নিয়ত বায়ুর কথা বলা হয়েছে। নিচে বায়ুগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো-

অয়ন বায়ু: আমেরিকান আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেলের মতে, অয়ন
বায়ু উত্তর গোলার্ধে উত্তর-পূর্ব দিক থেকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। উত্তর গোলার্ধে এটি উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নামে পরিচিত। উত্তর-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘণ্টায় প্রায় ১৬ কি.মি. এবং দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু ঘন্টায় প্রায় ২২.৫৪ কি.মি. বেগে প্রবাহিত হয়। এ বায়ুর প্রভাবে নিরক্ষরেখার উভয়দিকে শান্ত বলয় সৃষ্টি হয়। প্রাচীনকালে বাণিজ্য জাহাজগুলো এ
বায়ু অনুসরণ করে যাতায়াত করত।

পশ্চিমা বায়ু: পশ্চিমা বায়ু উত্তর গোলার্ধে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে এবং
দক্ষিণ গোলার্ধে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়। উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগের পরিমাণ বেশি বলে স্থানীয় কারণে এ বায়ুর প্রবাহে সাময়িক বিরতি ঘটে। কিন্তু দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় পশ্চিমা বায়ু এ অঞ্চলে প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়। পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ -৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশে সর্বাপেক্ষা বেশি। এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ বলে

1 year after

আমরা জানতে পেরেছি এখন পর্যন্ত মহাকাশে আবিষ্কৃত সৌরজগতের বাসযোগ্য আদর্শ গ্রহটি হচ্ছে পৃথিবী। ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জীবজগতের প্রাপ ধারণের প্রয়োজনীয় বায়ুর উপাদান বেষ্টিত রয়েছে। এটাকে আমরা বায়ুমণ্ডল বলি। এই বায়ুর উপাদানসমূহ কয়েকটি স্তরে বিভক্ত হয়ে অবস্থান করছে। এগুলো পৃথিবীর মানুষ ও অন্যান্য জীবজগতের জন্য কত দরকার, তা আমরা জানার ও বোঝার চেষ্টা করব।

Related Question

View All

যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাই বায়ুমণ্ডল।

1 year after

বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ শতকরা ৭৮.০২ ভাগ।

বাতাসের নাইট্রোজেন মাটিতে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় (যেমন- বজ্রপাত) আবদ্ধ হয় এবং উদ্ভিদ মাটি থেকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে। বাতাসে নাইট্রোজেন বেশি থাকায় তা বাতাসের অন্যান্য উপাদানগুলোর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই বাতাসে নাইট্রোজেন গ্যাস বেশি থাকার সুবিধা রয়েছে।

1 year after

চিত্রের 'Q' স্তরটি স্ট্রাটোমণ্ডল।

ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere) নামে পরিচিত। নিচে স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা
করা হলো-
i. এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া শান্ত ও শুষ্ক থাকে। ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়ে বিনা বাঁধায় জেট বিমান চলাচল করে।

ii. এই স্তরে ওজোন (O;) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকে। এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়।

iii. এ স্তরের প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

1 year after

চিত্রে প্রদর্শিত 'R' স্তরটি মেসোমণ্ডল বা Mesosphere এবং 'S'

স্তরটি তাপমণ্ডল বা Thermosphere। স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে। মেসোবিরতির (Mesopause) উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরকে তাপমণ্ডল বলে। চিত্রের 'R' স্তরটি বা মেসোমণ্ডল আমাদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

মেসোস্ফিয়ারে উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে। মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়। এই উল্কাগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করলে প্রাণী ও পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হতো। মেসোমণ্ডলের কারণেই এগুলো পৃথিবীতে আসতে পারে না।
তাই মেসোমণ্ডল আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

1 year after

খামসিন মিসরের স্থানীয় বায়ু।

1 year after

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের উপর ভিত্তি করে আমেরিকান আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেল একটি সূত্র প্রদান করেন যা ফেরেলের সূত্র নামে পরিচিত।

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর- গোলার্ধে ডান এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। বিজ্ঞানী ফেরেল প্রথম এ সূত্র প্রদান করেন বলে একে ফেরেলের সূত্র বলে।

1 year after
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews