একই পরিবেশে বহু ধরনের উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক অবস্থানকে জীববৈচিত্র্য বলে
প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতিটি উপাদান একটি অপরটির উপর নির্ভরশীল। উদ্ভিদ, ক্ষুদ্রজীব, প্রাণী, মানুষ প্রত্যেকে পরিবেশের একটি সহনশীল অবস্থায় বসাবস করে। পরিবেশের সহনশীল অবস্থার পরিবর্তন হলে এই নির্ভরশীলতা ব্যহত হয়। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ (ঘূর্ণিঝড়, শৈত্যপ্রবাহ) সৃষ্টি হয়, যা মানুষ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে। এ কারণে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন।
ছকের 'C' কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন নির্দেশ করে।
বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য কৃষির অগ্রগতি প্রয়োজন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ফসল উৎপাদনের জন্য রাসায়নিক সারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে। বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল না থেকে সেচকার্যে গভীর নলকূপের সাহায্যে ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। একই জমিতে বছরের সকল সময় চাষ হচ্ছে। এভাবে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়ন সংঘটিত হচ্ছে।
হকের A ও B যথাক্রমে শিল্প ও যোগাযোগ ক্ষেত্রে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নির্দেশ করে।
দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতির জন্য দ্রুত শিল্প উন্নয়ন অপরিহার্য। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্পখাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পের উন্নয়ন বলতে বিভিন্ন ধরনের শিল্পের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে বোঝায়। খনিজ সম্পদ আহরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ (প্রাকৃতিক গ্যাস), পর্যটন শিল্প (কক্সবাজার, সুন্দরবন), সেবা ও তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প ছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের শিল্পের উন্নয়নের মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে শিল্পের উন্নয়ন সংঘটিত হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর ভিত্তি বিভিন্ন শিল্পকারখানা (সার শিল্প, বিদ্যুৎ কেন্দ্র) গড়ে উঠেছে। এছাড়াও পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে।
এছাড়াও যোগাযোগ উন্নয়নের উপর দেশের উন্নয়ন অনেকাংশে নির্ভর করে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আজ বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট, টিভি, ফ্লাইওভার ও মোবাইল প্রযুক্তির বিকাশ দ্রুত প্রসার লাভ করেছে। ফলে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার ব্যপক উন্নয়ন হচ্ছে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, শিল্প ও যোগাযোগ ক্ষেত্রের উন্নয়ন পরস্পর নির্ভরশীল। তবে শিল্পের প্রসার অর্থাৎ বলা যায়, শিল্পক্ষেত্রে উন্নয়ন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অধিকতর ভূমিকা রাখে
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!