উত্তরঃ

পানির পরিকল্পিত প্রাপ্যতা ও ব্যবহারকে পানি ব্যবস্থাপনা বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

নানা কারণে নদী প্রবাহ দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ হওয়া সত্ত্বেও দিন দিন অনেক নদী মানচিত্র থেকে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। মূলত নদীর নাব্য সংকটের কারণে নদীগুলোতে পানি প্রবাহ ক্রমাগতভাবে দুর্বল হয়ে একসময় মৃত হয়ে যাচ্ছে। আবার নদী ভরাট, নদী দখল, ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণেও নদী প্রবাহ দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উল্লিখিত চিত্রে 'C' চিহ্নিত স্থান দ্বারা ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য বা বনভূমিকে নির্দেশ করে।

মূলত জলবায়ু ও মাটির ভিন্নতার কারণে এক এক অঞ্চলে এক এক ধরনের বনের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশের বন এলাকাকে মোটামুটি চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- চট্টগ্রামের বনাঞ্চল, সিলেটের বন, সুন্দরবন ও ঢাকা-টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ অঞ্চলের বনভূমি। উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অনুসারেও বনাঞ্চলের শ্রেণিবিভাগ করা যায়। যেমন-১. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি, ২. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল বনভূমি এবং ৩. স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি। এর মধ্যে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমি অন্যতম। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল। এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়। শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে। এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ। তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয় ।

অতএব নিশ্চিতভাবে বলা যায়, 'C' দ্বারা ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমিকে নির্দেশ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মানচিত্রে 'A' ও 'B' তথা যথাক্রমে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এবং স্রোতজ বা গরান বনভূমির মধ্যে স্রোতজ বনভূমি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অধিক অবদান রাখছে বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা নামে অভিহিত করা হয়। মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলে। চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও সিলেট এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। সিলেটের পাহাড়ে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে রাবার চাষ হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার-ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাঁদের স্রোেতজ বা গরান  বনভূমি বলা হয়। প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়। স্যাঁতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন, গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত। বাংলাদেশে মোট ৪,১৯২ বর্গকিলোমিটার স্রোেতজ বা গরান বনভূমি রয়েছে। এ বনভূমি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অধিক অবদান রাখছে। পরিশেষে আমি মনে করি, স্রোেতজ বনভূমি বাংলাদেশে অর্থনীতিতে অধিক অবদান রাখছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
155

Related Question

View All
উত্তরঃ

তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়ে আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে। ১৭৮৭ সালের পূর্বে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর- পশ্চিম দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো। কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার শাখা নদীর সৃষ্টি হয়। আর এ শাখা নদীটি যমুনা নামে পরিচিতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1k
উত্তরঃ

অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি এলাকা।

সাধারণ উষ্ণ ও আর্দ্র ভূমির কিছু এলাকা জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা, তরুলতা, ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্ম নেয়। এসব গাছের পাতা একত্রে ফোটেও না, ঝরেও না। ফলে সারা বছর বনগুলো সবুজ থাকে। অবশ্য সে কারণেই এসব বনকে চিরহরিৎ বা চিরসবুজ বনভূমি বলা হয়। চাপালিশ, ময়না, তেলসুর, মেহগনি, জারুল, সেগুন, গর্জন এ বনভূমির উল্লেখযোগ্য গাছ। তবে বর্তমানে এসব বনভূমি রাবার চাষও হচ্ছে। তাছাড়া এ বনগুলো অনেক সৌন্দর্যের রূপ পরিগ্রহ করে।

উদ্দীপকের জাহিদ তার বিদেশি বন্ধুদের সাথে নিয়ে এই চিরহরিৎ বনভূমিতে বেড়াতে গিয়ে বনের সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়। প্রায় প্রতিনিয়তই সেখানে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা যাওয়া-আসা করে থাকেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
525
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জাহিদের করা মন্তব্যটি যথার্থ।

উদ্দীপকে বর্ণিত নদীটির নাম কর্ণফুলী। কর্ণফুলি নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর উৎপত্তিস্থল লুসাই নামক পাহাড়ে। ৩২০ কি.মি. দৈর্ঘ্যের এ নদীটি চট্টগ্রাম শহরের খুব নিকট দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত। পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য এ নদীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাছাড়া এ নদীটি আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উদ্দীপকে জাহিদ ছুটিতে তার বিদেশি সহপাঠীদের নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের পাহাড়ি অঞ্চলে ফেরার পথে বেড়াতে গিয়ে সে অঞ্চলের প্রধান নদীটি সম্পর্কে যে মন্তব্যটি করে তা কর্ণফুলি নদীকেই বুঝিয়েছে যা আলোচনায় স্পষ্ট।

তাই আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, উদ্দীপকে জাহিদের মন্তব্যটি যথার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
415
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় নিম্ন অক্ষাংশ অঞ্চলে সূর্য বছরের প্রায় সব সময়ই লম্বভাবে কিরণ দেয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অপরাপর দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
767
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews