উত্তরঃ

পরিফেরা অর্থ হলো ছিদ্রালু প্রাণী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

প্রতিসাম্য বলতে প্রাণিদেহের মধ্যরেখীয় তলের দু'পাশে সদৃশ বা সমান আকার-আকৃতি বিশিষ্ট অংশের অবস্থানকে বোঝায়। যেমন; মানবদেহকে তার কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর ডান ও বামপাশে দু'টি সদৃশ্য অংশে একবার ভাগ করা যায়। অংশ দুইটি একে অপরের প্রতিরূপ। সুতরাং নির্দিষ্ট তল বা কেন্দ্র বা মধ্যরেখার সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রাণিদেহের এরূপ সমান বা সদৃশ অংশে বিভাজনই. প্রতিসাম্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের A ও B প্রাণী দুটি যথাক্রমে চিংড়ি ও কার্পজাতীয় মাছ.। চিংড়ি আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণী এবং কার্পজাতীয় মাছ কর্ডাটা পর্বের প্রাণী। নিচে পর্ব দুটির পার্থক্য দেওয়া হলো-

পার্থক্যের বিষয়আর্থ্রোপোডাকর্ডাটা
i. মেরুদণ্ডঅনুপস্থিতউপস্থিত
ii. নটোকর্ডএদের নটোকর্ড থাকে নাভূর্ণ অবস্থায় থাকে। পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে তা মেরুদণ্ডে পরিণত হয়।
iii. রক্ত সংবহন তন্ত্রের প্রকৃতিরক্ত সংবহনতন্ত্র উন্মুক্তরক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের।
iv. হৃৎপিন্ডের অবস্থানদেহের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিতদেহের অঙ্কীয় দেশে অবস্থিত।
v. দর্শনেন্দ্রিয়পুঞ্জাক্ষিচোখ
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের A প্রাণীটি হলো চিংড়ি। এটি সাদা সোনা নামে পরিচিত।

বাংলাদেশে রপ্তানিযোগ্য পণ্য হিসেবে চা ও চামড়ার পরেই চিংড়ির স্থান। চিংড়ি বাংলাদশের অতি মূল্যবান মৎস্য সম্পদ। বিশ্ববাজারে এর মূল্য ও চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। চিংড়ি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতি বছর আমরা বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে-প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে থাকি। চিংড়ি থেকে আয় প্রতি বছরই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই চিংড়ি আমাদের কাছে সোনার মতোই মূল্যবান সম্পদ। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই স্বাদু পানিতে গলদা ও লোনা পানিতে বাগদা চিংড়ি চাষ করা হচ্ছে। চিংড়ি চাষের আধুনিক কলাকৌশল প্রয়োগ করে চিংড়ি উৎপাদন কয়েক গুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব এবং বিদেশে রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। মৎস সম্পদ থেকে রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে চিংড়ি রপ্তানি করে। ১৯৯৪-৯৫ সালে চিংড়ি রপ্তানি করে আয় হয়েছিল ১,০৪৫ কোটি টাকা এবং ২০১৬-১৭ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪,২৮২ কোটি টাকা। তাছাড়া উচ্চমানের প্রোটিন সমৃদ্ধ; নরম পেশিবিশিষ্ট, কাঁটাবিহীন, সহজে হজম ও সুস্বাদু হওয়ায় দেশে-বিদেশে সকলের নিকট চিংড়ি একটি লোভনীয় খাদ্য।

উপরিউক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, চিংড়ি বাংলাদেশে সাদা সোনা হিসেবে পরিচিত!

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
4

জীববিজ্ঞানীগণ এ পর্যন্ত ২,৭০,০০০ ভাস্কুলার উদ্ভিদ এবং ১৫ লক্ষেরও বেশি প্রাণী-প্রজাতি শনাক্ত করেছেন । এসব প্রজাতির মধ্যে নানা কারণে ভিন্নতা দেখা যায়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

অক্ষের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রাণিদেহের বিভিন্ন অংশের বিভাজন প্রকৃতিই হলো প্রতিসাম্যতা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
17
উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে কোনো জীবের নামকরণে প্রথমে 'গণ' নাম এবং পরে 'প্রজাতি' নাম প্রয়োগ করে দুই শব্দের সমন্বয়ে যে নামকরণ করা হয় তাকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। এক্ষেত্রে শব্দদ্বয় হবে ল্যাটিন বা রূপান্তরিত ল্যাটিন। যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens। এক্ষেত্রে প্রথম শব্দটি গণ এবং দ্বিতীয় শব্দটি প্রজাতি নির্দেশ করে। অপরদিকে, জীবের নামকরণের আন্তর্জাতিক নিয়মানুযায়ী গণ, প্রজাতি ও উপপ্রজাতি নামের তিনটি পদ ব্যবহার করে জীবের যে নামকরণ করা হয় তাই ত্রিপদ নামকরণ। যেমন: Corvus splendens protegatus। এটি মূলত শ্রীলঙ্কান কাক। উপপ্রজাতি protegatus শ্রীলঙ্কায় কাকের আবাসস্থল নির্দেশ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
14
উত্তরঃ

উদ্দীপকের X, Y ও Z চিহ্নিত প্রাণী তিনটি যথাক্রমে Platyhelminthes, Nematoda এবং Arthropoda পর্বের প্রাণী। এই পর্বের প্রাণীগুলোতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সিলোম পাওয়া যায়। নিচে এটি ব্যাখ্যা করা হলো-

প্রাণিদেহে এক ধরনের বিশেষ গহ্বর লক্ষ করা যায়, যা সিলোম নামে পরিচিত। বিভিন্ন পর্বের প্রাণীতে এই সিলোম একেক ধরনের হয়ে থাকে। Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের দেহে সিলোমের পরিবর্তে ভূণীয় পরিস্ফুটনের সময় অন্তঃস্থ ফাঁকা স্থানটি মেসোডার্মাল স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা কোষ দ্বারা পূর্ণ থাকে। তাই এই পর্বের প্রাণীদের অ্যাসিলোমেট বলা হয়। আবার Nematoda পর্বের প্রাণীদের দেহে যে ধরনের সিলোম দেখা যায় সেটি হচ্ছে স্যুডোসিলোমেট। এক্ষেত্রে এই পর্বের প্রাণীদের ভূণীয় পস্ফুিটনের সময় অন্তঃস্থ ফাঁকা স্থানটিকে ঘিরে কখনো কখনো মেসোডার্মাল কোষস্তর অবস্থান করে। কিন্তু কোষগুলো কখনো পেরিটোনিয়াম সৃষ্টি করে ব্লাস্টোসিলকে সম্পূর্ণ বেষ্টন করে না। Arthropoda পর্বের প্রাণীরা আবার ইউসিলোমেট বা প্রকৃত সিলোমযুক্ত হয়। এক্ষেত্রে এপিথেলিয়াল কোষে গঠিত পেরিটোনিয়াম স্তরে মেসোডার্ম থেকে উদ্ভূত সিলোম সম্পূর্ণরূপে বেষ্টিত থাকে।

তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের X ; Y ও Z চিহ্নিত পর্বের প্রাণীতে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের সিলোম পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
9
উত্তরঃ

উদ্দীপকের Y চিহ্নিত প্রাণীটি হচ্ছে Ascaris lumbricoides এবং Z চিহ্নিত প্রাণীটি হচ্ছে Periplaneta americana যা যথাক্রমে Nematoda ও Arthropoda পর্বের অন্তর্ভুক্ত। এই দুইটি পর্বের মধ্যে Arthropoda পর্বের প্রাণীরা অধিক উন্নত। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-

Nematoda পর্বের প্রাণীদের দেহ অখণ্ডকায়িত ও অপ্রকৃত সিলোমবিশিষ্ট কিন্তু Arthropoda পর্বের প্রাণীদের দেহ খণ্ডকায়িত; সুনির্দিষ্ট অঞ্চলায়নবিশিষ্ট এবং প্রকৃত সিলোমবিশিষ্ট। Nematoda পর্বের প্রাণীদের মুখছিদ্র বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ওষ্ঠ দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। কিন্তু Arthropoda পর্বের প্রাণীদের মুখছিদ্র রূপান্তরিত্ জটিল প্রকৃতির মুখোপাঙ্গ দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে যা তাদের খাদ্যগ্রহণের সাথে অভিযোজিত। আবার Nematoda পর্বের প্রাণীদের দেহে কোনো শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র নেই। কিন্তু এদের তুলনায় Arthropoda পর্বের প্রাণীদের রক্ত সংবহনতন্ত্র উপস্থিত যা মুক্ত প্রকৃতির এবং হৃৎপিন্ড, ধমনি ও হিমোসিল নিয়ে গঠিত। ট্রাকিয়া, ফুলকা ও বুকলাং এর মাধ্যমে শ্বসন সম্পন্ন করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো Arthropoda-কে Nematoda-র চেয়ে উন্নত হওয়াকে নির্দেশ করে।

অর্থাৎ উপরের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্য থেকে এটি সহজেই বোঝা যায় যে, উন্নত গঠন এবং বিভিন্ন অঙ্গের উপস্থিতির কারণে Arthropoda পর্বের: প্রাণীরা Nematoda পর্বের প্রাণীদের থেকে অধিক উন্নত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
14
উত্তরঃ

নেফ্রিডিয়া হলো এক ধরনের প্যাঁচানো নালিকা যা Annelida পর্বের প্রাণীদের প্রধান রেচন অঙ্গ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
15
উত্তরঃ

Diploblastic বা দ্বিস্তরী এবং Triploblastic বা ত্রিস্তরী প্রাণীর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ-

দ্বিস্তরী প্রাণীত্রিস্তরী প্রাণী
i. এদের দেহের কোষগুলো এক্টোডার্ম ও এন্ডোর্ডাম নামক দুটি স্তরে বিন্যস্ত থাকে।i. এদের দেহের কোষগুলো এক্টোডার্ম, মেসোডার্ম ও এন্ডোডার্ম নামক তিনটি স্তরে বিন্যস্ত থাকে।
ii. এদের এক্টোডার্ম ও এন্ডোডার্মের মাঝখানে মেসোগ্লিয়া নামক অকোষীয় স্তর থাকে।ii. মেসোগ্লিয়া নেই।
iii. কোষগুলো টিস্যু বা অঙ্গ গঠন করতে পারে না।iii. ভূণস্তরের কোষগুলো বিভিন্ন টিস্যু, অঙ্গ ও অঙ্গতন্ত্র গঠন করে।
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 weeks ago
17
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews