যে প্রক্রিয়াতে অনেকগুলো মনোমার সংযুক্ত করে পলিমার তৈরি করা হয় তাকে পলিমারকরণ প্রক্রিয়া বলে।
প্রাণিজ তন্তু দু'ধরনের। যথা- পশম বা উল এবং রেশম। পশম বা উল তৈরি হয় খরগোশ, উট বা বিভিন্ন প্রজাতির ভেড়া জাতীয় পশুর লোম বা চুল থেকে। রেশম বা পলু পোকা নামের এক প্রজাতির পোকার গুটি থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আহরণ করা এক প্রকার তত্ত্ব হলো রেশম।
উদ্দীপকের খ হলো কার্ডিং ও কম্বিং এবং গ হলো স্পিনিং, যেগুলো তত্ত্ব হতে সুতা তৈরির দুটি ধাপ। তন্তু হতে সুতা তৈরিতে এ ধাপগুলো
খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কার্ডিং ও কম্বিং: সুতা কাটার দ্বিতীয় ধাপ হলো কার্ডিং ও কম্বিং। তুলা, লিনেন, পশম এসব তন্তুর বেলায় এই ধাপটি প্রয়োগ করা হয়। এতে ব্যবহার অনুপযোগী ছোট তন্তু বাদ দেওয়া হয় এবং ধুলাবালি বা ময়লা থাকলে তা দূর করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুধু কার্ডিং করলেই চলে। তবে মিহি মসৃণ ও সরু সুতা তৈরি করতে কম্বিং দরকার হয়।
স্পিনিং: সুতা কাটা হয় স্পিনিং মিলে। সাধারণত একটি মিল বা কারখানায় এক ধরনের তন্তু থেকে সুতা কাটা হয়। কার্ডিং ও কম্বিং করে প্রাপ্ত সরু পাতলা আস্তরণ পাওয়া যায়। একে স্লাইভার বলে। এই মাইভার পাকালেই সুতা তৈরি হয়। এই পাকানোর প্রক্রিয়াই হলো স্পিনিং।
সুতা তৈরির ক ধাপটি হলো ব্লেন্ডিং ও মিক্সিং। এ ধাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গুণে ও মানে ঠিক একই রকম তুলা পাওয়া সবসময় সম্ভব হয় না। মিশ্রণ না করলে একেক সময় একেক রকম তুলা উৎপন্ন হবে। কখনো ভালো, কখনো খারাপ। অর্থাৎ, সুতার মানে ভিন্নতা দেখা
দিবে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের তুলা মিশিয়ে সুতা তৈরি করলে উৎপাদন খরচও কম হবে। এছাড়াও বাংলাদেশের অধিকাংশ তুলাই হলো আমদানি নির্ভর। তুলা আমদানি করা হয় বিভিন্ন দেশ থেকে। একেক দেশের তুলার মান একেক রকম হয়। এজন্য তুলা সংগ্রহের পর ব্লেন্ডিং খুবই দরকারি। তুলা হতে প্রাপ্ত সুতার গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে এ ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!