Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

কোনো উদ্দীপকের প্রতি প্রতিক্রিয়া করতে গিয়ে প্রাণীর মধ্যে যে আলোড়িত বা উত্তেজিত অবস্থার সৃষ্টি হয়, যা তার অভিজ্ঞতা, আচরণ এবং শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় তাকে আবেগ বলা হয়।

উত্তরঃ

শিশুদের পরিপক্কতা আবেগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শিশুরা বয়সের সাথে সাথে পরিপক্কতা অর্জন করে। প্রাক-শৈশবকালের শিশুর আবেগ তীব্র, ক্ষণস্থায়ী এবং সহজেই নিয়ন্ত্রণযোগ্য। শৈশবের প্রথম পর্যায়ে শিশুরা শারীরিক কারণের চেয়ে মানসিক কারণে বেশি মাত্রায় আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠে। শৈশবের শেষ পর্যায়ে শিশুরা আবেগ সংযতভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করে। বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের মধ্যে তীব্র আবেগ দেখা যায় এবং প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি নিয়ন্ত্রিতভাবে আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। তাই বলা যায়, পরিপক্কতা আবেগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উত্তরঃ

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে অদিতির শারীরিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের ভূমিকা রয়েছে।
সমবেদী স্নায়ুতন্ত্র দেশ ও বহিঃদেশের স্বয়ংক্রিয় স্নায়ু নিয়ে গঠিত। এই স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ হচ্ছে, জীবকে জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত করা। এই স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতায় হৃদপিণ্ড ও শ্বাসযন্ত্রের ক্রিয়া বেড়ে যায়। এছাড়াও এই স্নায়ুতন্ত্র রক্তের চাপ বাড়িয়ে দেয়, পরিপাক ক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে, চোখের মণিকে বড় করে, শরীরের লোম খাড়া করে, এড্রিনালিন হরমোন নিঃসরণ ঘটায়। ফলে ব্যক্তি ঘামতে শুরু করে উদ্দীপকের অদিতি কলেজের নবীনবরণে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়ালে তার সমবেদী স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়াশীলতার কারণেই শ্বাস-প্রশ্বাস এবং হৃদপিণ্ডের গতি বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সে ঘামতে শুরু করেছিল।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে মিরাজের এবং মিসেস জামানের ক্ষেত্রে সৃষ্ট প্রেষণাদ্বয় হচ্ছে যথাক্রমে কৃতি ও নিরাপত্তা প্রেষণা।
কৃতি প্রেষণা এমন একটি অভ্যন্তরীণ শক্তি যা প্রাণীকে কর্মসম্পাদনে উচ্চমানের তাগিদ দেয়। যে ব্যক্তির মধ্যে কৃতি প্রেষণা অধিক সে খুব পরিশ্রমী হবে এবং সাফল্যের দ্বার তার জন্য উন্মুক্ত। আর এই প্রেষণার উপস্থিতির কারণেই মিরাজ কৃতি খেলোয়াড় হতে পেরেছে।
অপরদিকে নিরাপত্তা প্রেষণার মূলে রয়েছে মানুষের নিরাপদে বসবাস করতে চাওয়ার ইচ্ছা। এই নিরাপত্তা যেমন ব্যক্তির জীবন, সম্পদ ও সম্ভ্রম রক্ষার জন্য হতে পারে, তেমনি গোষ্ঠীগত ঐক্য বজায় রাখার জন্যও হতে পারে। তাই, মিসেস জামানের মধ্যে মেয়ের নিরাপত্তার জন্য এই প্রেষণা ক্রিয়াশীল। 1
কৃতি ও নিরাপত্তা প্রেষণাদ্বয় পরস্পর ভিন্ন প্রেষণা হলেও এগুলো একই শ্রেণির প্রেষণা। উভয় প্রেষণাই সমাজ জীবনের নানা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সৃষ্ট। এগুলো ব্যক্তির জীবনধারণের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে অপরিহার্য নয় এবং এসব প্রেষণার ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষে ভিন্নতা দেখা যায়। এগুলোকে একত্রে সামাজিক প্রেষণা হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। এরকম আরও কিছু প্রেষণা হচ্ছে যূথচারিতা, খ্যাতি, পদমর্যাদার চাহিদা প্রভৃতি।

146
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তি আবেগ প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। মানুষ আবেগ তাড়িত হলে তা তার মুখমণ্ডলের অভিব্যক্তিতে প্রকাশ পায়। যেমন- কেউ আনন্দিত হলে তার মুখ উজ্জ্বল হয়, ভয় পেলে মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যায়। আবার, রাগ হলে চোখ বড় ও লাল হয়ে যায় এবং গা ঘেমে যায়। এছাড়াও লজ্জা ও আশ্চর্যন্বিত হলে তাও ব্যক্তির মুখমন্ডলের অভিব্যক্তিতে ফুটে ওঠে। আবেগকালীন শারীরিক বহিঃপ্রকাশ তথা সুখ, দুঃখ, বিরাগ, বিস্ময়, ক্রোধ ও ভীতি প্রভৃতি মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মুখভঙ্গির মাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

641
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ এ বর্ণিত মাইশার মাঝে ক্ষুধা নামক জৈবিক প্রেষণা ক্রিয়াশীল।
মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জীবনধারণের জন্য যেসব প্রেষণা অবশ্যই পূরণ করতে হয় তাকে জৈবিক প্রেষণা বলে। এ প্রেষণাটি জন্মগত এবং মূলত প্রাণীর শারীরিক তাগিদ বা প্রয়োজন থেকে সৃষ্টি হয়ে থাকে। ক্ষুধা, তৃষ্ণা, নিদ্রা, কাম, মাতৃত্ব প্রভৃতি জৈবিক প্রেষণার অন্যতম উদাহরণ। ক্ষুধা একটি মৌলিক জৈবিক প্রেষণা। এ প্রেষণা উপশম করার জন্য মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে। যখন আমাদের পাকস্থলী শূন্য হয়ে পড়ে এবং এর পেশিগুলো সংকুচিত হতে থাকে, তখন আমরা ক্ষুধার তাড়না অনুভব করি। দীর্ঘক্ষণ খাবার গ্রহণ না করলে আমাদের শারীরবৃত্তীয় নানাবিধ কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
প্রদত্ত দৃশ্যকল্প-১ এর দিকে লক্ষ করলে দেখতে পাই, মাইশা হঠাৎ করে স্কুলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। স্কুলের ডাক্তার পরীক্ষা করে দেখতে পায়, দীর্ঘক্ষণ খাবার না খাওয়ার কারণে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ খাবার গ্রহণ না করা প্রাণীর হাইপোথ্যালামাসের একটি বিশেষ অঞ্চলকে উত্তেজিত করে। ফলে প্রাণীর মধ্যে খাদ্য গ্রহণের জন্য অভাববোধ সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় খাবার গ্রহণ না করলে প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হয়। উদ্দীপকের মাইশার মধ্যেও দীর্ঘক্ষণ খাবার গ্রহণ না করার কারণে এরূপ সমস্যা দেখা যায়। তাই বলা যায়, দৃশ্যকল্প-১ এ মাইশার মাঝে ক্ষুধা নামক জৈবিক প্রেষণা ক্রীয়াশীল।

309
উত্তরঃ

'আয়েশা ও মনিরার মাঝে সৃষ্ট প্রেষণা ভিন্ন হলেও তা মূলত সামাজিক প্রেষণার অন্তর্ভুক্ত'- প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।
সামাজিক প্রেষণা শিক্ষণের দ্বারা অর্জিত। এটি জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য নয়। যেমন- নিরাপত্তা, সামাজিক স্বীকৃতি, ক্ষমতার লিঙ্গা, পদমর্যাদার চাহিদা, যুথচারিতা, খ্যাতি প্রভৃতি সামাজিক প্রেষণার অন্যতম উদাহরণ।

উদ্দীপকের আয়েশার দিকে লক্ষ করলে দেখতে পাই, তিনি জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে এলাকার জনগণের সুখে দুঃখে দু'বছর যাবৎ তাদের পাশে রয়েছেন। আয়েশার এ কাজের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রেষণা ক্ষমতার লিপ্সা প্রকাশিত হয়েছে। এই ক্ষমতা লাভের ইচ্ছা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। যেমন- একজন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলা পরিষদের চেয়রম্যান নির্বাচিত হতে চায়; আবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদ সদস্য হতে চায়। এগুলো সবই ক্ষমতার লিপ্সার কারণে হতে থাকে।
প্রদত্ত দৃশ্যকল্প-২ এ বর্ণিত মনিরা সব সময়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজন নিয়ে দলবদ্ধভাবে বসবাস করেন। এভাবে দলবদ্ধ হয়ে থাকার ইচ্ছাকে বলা হয় যুথচারিতা। যুথচারিতা একটি অর্জিত প্রেষণা এবং সমাজে বাস করার ফলে আমরা এটা অর্জন করি। এ প্রেষণাটির জৈবিক ভিত্তি না থাকার কারণে একে সহজাত প্রকৃতি বলা যায় না। ছোট শিশু মা-বাবার কাছ থেকে আদর পায়, ধীরে ধীরে সে খেলার সাথী ও বন্ধুদের সাথে মিশতে শিখে। পরবর্তীতে সে তার আশপাশের লোকদের সঙ্গ কামনা করে। সেদিক থেকে বলা যায়, যুথচারিতা জন্মগত না হলেও একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রেষণা।
পরিশেষে উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আয়েশার মাঝে ক্ষমতার লিপ্সা এবং মনিরার মাঝে যুথচারিতা ভিন্ন প্রকৃতির হলেও উভয় প্রেষনাই সামাজিক প্রেষণার শ্রেণিভুক্ত।

235
উত্তরঃ

প্রাণীর জৈবিক অস্তিত্ব থেকে যেসব প্রেষণার উদ্ভব হয় তাকে শারীরবৃত্তীয় প্রেষণা বা জৈবিক প্রেষণা বলে।

1.3k
উত্তরঃ

বিভিন্ন ধরনের আচরণ বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য রক্ষা করা হয় বলে, প্রেষিত আচরণ ভারসাম্য সংস্থাপক। প্রতিটি প্রাণী দেহের অভ্যন্তরীণ যন্ত্রমণ্ডলীর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন। এই ভারসাম্য নষ্ট হলে প্রাণী অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। শরীরে যখন খাদ্যের অভাব দেখা দেয়, তখন আমরা খাবার গ্রহণ করে ভারসাম্য বজায় রাখি। পিপাসা লাগলে আমরা পানি পান করি। স্বাভাবিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে আমাদের শরীর ঘেমে যায় এবং তাপমাত্রা কমে গেলে আমাদের শরীরে কম্পন সৃষ্টি হয়। তাই অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য শরীরের প্রত্যেকটি উপাদানই নির্দিষ্ট মাত্রায় থাকা প্রয়োজন। প্রেষিত আচরণের মাধ্যমেই মূলত এই ভারসাম্য রক্ষা করা হয় বলে একে ভারসাম্য সংস্থাপক বলা হয়।

982
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews