বঙ্গবন্ধু কর্তৃক লিখিত দুইটি বইয়ের নাম হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী; কারাগারের রোজনামচা।
‘সুনীল অর্থনীতি’ (Blue Economy) হলো সমুদ্রের সম্পদনির্ভর অর্থনীতি ।
Related Question
View All”অসমাপ্ত আত্মজীবনী” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত গ্রন্থ।
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' এর লেখক হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীর প্রথম গ্রন্থ হলো ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী'। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীর দ্বিতীয় গ্রন্থ হলো 'কারাগারের রোজনামচা'। উল্লেখ্য, বাংলা একাডেমি ১৭ মার্চ ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কারাগারের রোজনামচা'টি প্রকাশ করে। ‘কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটিতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল সময়কালের কারাস্মৃতি স্থান পেয়েছে।
ব্লু ইকোনমি বা সমুদ্র অর্থনীতির প্রথম ধারণা দেন অধ্যাপক গুন্টার পাওলি ১৯৯৪ সালে তাঁর “The open Source from the Source.” গ্রন্থে। বিষয়টি সবার নজর কাড়ে ২০১০ সালে গ্রন্থটি প্রকাশিত হলে। সমুদ্র নির্ভর খাদ্য, জ্বালানি, ব্যবসা ও বিনোদনই ব্লু ইকোনোমি। আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ২০১২ সালে মিয়ানমারের সাথে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বাংলাদেশ লাভ করেছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিঃমিঃ টেরিটোরিয়াল সমুদ্র এলাকা এবং ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল মহীসোপান এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক এলাকা ।
১৯৯৪ সালে অধ্যাপক গুন্টার পাউলি ভবিষ্যতের অর্থনীতির রূপরেখা প্রণয়নের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক আমন্ত্রিত হন। বিস্তারিত আলোচনা, গবেষণা আর নিজের অধীত জ্ঞানের মিশ্রণ ঘটিয়ে পাউলি একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব মডেল হিসেবে ব্লু ইকোনমির ধারণা দেন। গত দুই দশকের নানা পরিমার্জন-পরিবর্ধনের মধ্য দিয়ে ব্লু-ইকোনমি মডেল আজ একটি প্রতিষ্ঠিত ধারণা। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পর বাংলাদেশের কাছে বর্তমানে ব্লু-ইকোনমির বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এ অর্থনীতিকে সমুদ্র অর্থনীতিও বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!