ক্লোরোফিল অণুগুলো এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রন গ্রহীতাগুলো একত্রে যে ইউনিট হিসেবে কাজ করে সেই ইউনিটই হলো ফটোসিস্টেম।
হ্যাচ ও স্ন্যাক চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ ৪-কার্বন বিশিষ্ট অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড। যে, সকল উদ্ভিদে কার্বন বিজারণ এই চক্র দ্বারা সংঘটিত হয়, তাদের উদ্ভিদ বলে। যেমন- আখ, ভূট্টা ইত্যাদি।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রক্রিয়া-Ⅰ ও প্রক্রিয়া-II দ্বারা যথাক্রমে সবাত ও অবাত শ্বসনকে বোঝানো হয়েছে। সবাত ও অবাত শ্বসনের সমমান ধাপ হলো গ্লাইকোলাইসিস। নিচে প্রবাহ চিত্রের মাধ্যমে তা উপস্থাপন করা হলো-

উদ্দীপকে সবাত শ্বসন প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়েছে যেখানে A হলো অক্সিজেন। শক্তি উৎপাদনে অক্সিজেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণে অধিক শক্তি উৎপন্ন হয় এবং তা সবাত শ্বসনে কেবলমাত্র -এর উপস্থিতিতেই সম্ভব। এক্ষেত্রে মাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল CO-A সৃষ্টি ও ক্রেবস চক্রে অল্প পরিমাণ ATP তৈরি হয়, -কিন্তু অধিকাংশ শক্তি -তে জমা থাকে। সবাত শ্বসনের ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রে এইহতে ইলেকট্রন বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত এর কাছে পৌঁছায় এবং এ সময় অধিক ATP তৈরি হয়। এ ধরনের ক্রিয়াকে বলা হয় প্রান্তীয় জারণ। এর উপস্থিতিতে প্রান্তীয় জারণের মাধ্যমে সবাত শ্বসনের এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে নীট ৩৮ অণু ATP তৈরি হয় অর্থাৎ ৩৮০ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়।
উপরের আলোচনা থেকে সহজেই বোঝা যায় যে, এর অনুপস্থিতিতে গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণ তথা সবাত শ্বসন সম্ভব নয়। অর্থাৎ সবাত শ্বসনে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View Allউদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বিকাশ ও জীবন ধারনের জন্য যেসব মৌল অধিক পরিমাণে লাগে সেগুলোই হলো ম্যাক্রোমৌল।
বিপাকীয় শক্তির সহায়তায় ঘনত্ব ক্রমের বিরুদ্ধে আয়ন শোষণ প্রক্রিয়াকে সক্রিয় পরিশোষণ বলে। সক্রিয় পরিশোষণ প্রক্রিয়ায় ঘনত্ব নতিমাত্রার বিপরীতে আয়ন প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ কম ঘনত্বের বহিঃস্থ দ্রবণ থেকে বেশি ঘনত্বের কোষ দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়। ঘনত্ব নতিমাত্রায় বিপরীত দিকে আয়ন শোষিত হওয়ার জন্য বিপাকীয় শক্তির প্রয়োজন হয়।
উদ্দীপকের শেষ উক্তিতে বলা হয়েছে, এর উপস্থিতি ছাড়া গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণ সম্ভব নয়। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো-সবাত শ্বসনে শ্বসনিক বস্তুকে সম্পূর্ণ জারিত করে এবং অধিক পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে। অবাত শ্বসনে কোষস্থ কতিপয় এনজাইম এর অনুপস্থিতিতে শ্বসনিক বস্তুকে আংশিক জারিত করে এবং স্বল্প শক্তি উৎপন্ন করে অর্থাৎ মাত্র ২০ কি. ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়। গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণে অধিক শক্তি উৎপন্ন হয় এবং তা এর উপস্থিতিতে সবাত শ্বসনেই সম্ভব। এক্ষেত্রে গ্লাই-কোলাইসিস, অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি ও ক্রেবস চক্রে অল্প পরিমাণ ATP তৈরি হয়, কিন্তু অধিকাংশ শক্তি তে জমা থাকে। সবাত শ্বসনের ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রে এই হতে ইলেকট্রন বিভিন্ন বাহকের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত এর কাছে পৌছায় এবং এ সময় অধিক ATP তৈরি হয়। এ ধরনের ক্রিয়াকে বলা হয় প্রান্তীয় জারণ। এর উপস্থিতিতে প্রান্তীয় জারণের মাধ্যমে সবাত শ্বসনের ১ অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে নীট ৩৮ অণু ATP তৈরি করে, অর্থাৎ ৩৮০ কি. ক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়।
উপর্যুক্ত আলোচনা হতে সহজেই প্রতীয়মান হয় যে, এর অনুপস্থিতিতে গ্লুকোজের সম্পূর্ণ জারণ সম্ভব নয়।
যে প্রক্রিয়ায় আয়ন শোষণের জন্য বিপাকীয় শক্তির প্রত্যক্ষ প্রয়োজন হয় না সেই পরিশোষণই হলো নিষ্ক্রিয় পরিশোষণ।
সবাত শ্বসনে ইলেকট্রন ট্রান্সপোের্ট সিস্টেমের (ETS) মাধ্যমে এক জোড়া ইলেকট্রন উচ্চ শক্তি মাত্রা হতে নিম্নশক্তি মাত্রায় ক্রমান্বয়ে স্থানান্তরিত হয়। ইলেকট্রনের এ স্থানান্তরের সময় যে শক্তি নির্গত হয় তা দিয়ে ADP এর সাথে ইনঅর্গানিক ফসফেট (Pi) সংযুক্ত হয়ে ATP এ তৈরি করে। ETS-এ ATP তৈরির এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় অক্সিডেটিভফসফোরাইলেশন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!