উত্তরঃ

পরমাণু অর্থনীতি হলো একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত কাঁচামালের পরমাণুগুলোর কত অংশ কাঙ্ক্ষিত উৎপাদে রূপান্তরিত হয় তার পরিমাপ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

সোডিয়াম (Na) পর্যায় সারণির গ্রুপ-১ এর একটি মৌল। এর সর্বশেষ শক্তিস্তরে একটি ইলেকট্রন থাকে, যা এটি সহজে ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন (Na+) তৈরি করতে পারে।

এই ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতার কারণে সোডিয়াম অত্যন্ত সক্রিয় ধাতু। এটি পানির সাথে তীব্রভাবে বিক্রিয়া করে শক্তিশালী ক্ষার (সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড) এবং হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। এই ক্ষারীয় ধর্ম প্রদর্শন এবং তীব্রভাবে বিক্রিয়া করার সক্ষমতার জন্যই সোডিয়ামকে ক্ষারধাতু বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদর্শিত পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস চিত্রে চতুর্থ শক্তিস্তরটিকে সর্বশেষ শক্তিস্তর হিসাবে দেখানো হয়েছে, যেখানে ১৯তম ইলেকট্রনটি অবস্থান করছে। এই তথ্য থেকে আমরা বুঝতে পারি যে পরমাণুটিতে ১৯টি ইলেকট্রন রয়েছে, যা পটাশিয়াম (K) পরমাণুর ইলেকট্রন সংখ্যা। প্রশ্ন অনুযায়ী, এই সর্বশেষ শক্তিস্তরটি (অর্থাৎ চতুর্থ শক্তিস্তর) মোট কয়টি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে তা সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা (l) এবং চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা (m) এর মান হিসাব করে বের করতে হবে।

পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ক্ষেত্রে, প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (n) একটি শক্তিস্তরের (shell) পরিচয় দেয়। এই n এর মানের উপর ভিত্তি করে সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা (l) এর মান নির্ধারিত হয়, যা উপশক্তিস্তর (subshell) এর আকৃতি নির্দেশ করে। l এর মান 0 থেকে (n-1) পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিটি l এর মানের জন্য আবার চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা (m) এর মান -l থেকে +l পর্যন্ত (0 সহ) হয়, যা একটি উপশক্তিস্তরের অরবিটালগুলোর (orbital) ত্রিমাত্রিক বিন্যাস নির্দেশ করে। প্রতিটি অরবিটালে সর্বোচ্চ দুইটি ইলেকট্রন থাকতে পারে।

উদ্দীপকের সর্বশেষ শক্তিস্তরটি হলো চতুর্থ শক্তিস্তর, অর্থাৎ n = 4। এই n এর মানের জন্য l এবং m এর সম্ভাব্য মানসমূহ এবং ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা নিম্নরূপ:

  • যখন n=4, তখন l এর সম্ভাব্য মানসমূহ হলো 0, 1, 2, 3।
  • l=0 (s উপশক্তিস্তর) এর জন্য, m এর মান কেবল 0 হয়। এটি ১টি অরবিটাল নির্দেশ করে, যা সর্বোচ্চ \(1 \times 2 = 2\)টি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে।
  • l=1 (p উপশক্তিস্তর) এর জন্য, m এর মান -1, 0, +1 হয়। এটি ৩টি অরবিটাল নির্দেশ করে, যা সর্বোচ্চ \(3 \times 2 = 6\)টি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে।
  • l=2 (d উপশক্তিস্তর) এর জন্য, m এর মান -2, -1, 0, +1, +2 হয়। এটি ৫টি অরবিটাল নির্দেশ করে, যা সর্বোচ্চ \(5 \times 2 = 10\)টি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে।
  • l=3 (f উপশক্তিস্তর) এর জন্য, m এর মান -3, -2, -1, 0, +1, +2, +3 হয়। এটি ৭টি অরবিটাল নির্দেশ করে, যা সর্বোচ্চ \(7 \times 2 = 14\)টি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে।

সুতরাং, উদ্দীপকের সর্বশেষ শক্তিস্তর অর্থাৎ চতুর্থ শক্তিস্তরটিতে মোট ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা হলো: \(2 + 6 + 10 + 14 = 32\)টি ইলেকট্রন।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

আউফবাউ নীতি অনুসারে, ইলেকট্রনসমূহ পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে শক্তিস্তর বা অরবিটালে শক্তির নিম্নক্রম থেকে উচ্চক্রম অনুসারে প্রবেশ করে। অর্থাৎ, প্রথমে সর্বনিম্ন শক্তির অরবিটাল পূর্ণ হয়, তারপর ক্রমান্বয়ে উচ্চশক্তির অরবিটালগুলোতে ইলেকট্রন প্রবেশ করে। অন্যদিকে, পাউলির বর্জন নীতি অনুযায়ী, একটি পরমাণুর যেকোনো দুটি ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার (প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা \(n\), সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা \(l\), চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা \(m_l\) এবং ঘূর্ণন কোয়ান্টাম সংখ্যা \(m_s\)) মান কখনো একই হতে পারে না। এর অর্থ হলো, প্রতিটি অরবিটালে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রন থাকতে পারে এবং তাদের ঘূর্ণন দিক পরস্পরের বিপরীত হতে হবে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ১১তম এবং ১৯তম ইলেকট্রনের অবস্থান আউফবাউ নীতি সমর্থন করে। একটি পরমাণুতে ১১টি ইলেকট্রন থাকলে (যেমন: সোডিয়াম, Na), এর ইলেকট্রন বিন্যাস হবে \(1s^2 2s^2 2p^6 3s^1\)। এখানে, ১১তম ইলেকট্রনটি তৃতীয় শক্তিস্তরের \(3s\) অরবিটালে প্রবেশ করে। উদ্দীপকেও ১১তম ইলেকট্রনটিকে ৩য় শক্তিস্তরে দেখানো হয়েছে, যা আউফবাউ নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। অনুরূপভাবে, একটি পরমাণুতে ১৯টি ইলেকট্রন থাকলে (যেমন: পটাশিয়াম, K), এর ইলেকট্রন বিন্যাস হবে \(1s^2 2s^2 2p^6 3s^2 3p^6 4s^1\)। আউফবাউ নীতি এবং \(n+l\) সূত্রের সাহায্যে দেখা যায়, \(4s\) অরবিটালের শক্তি (\(n+l = 4+0 = 4\)) \(3d\) অরবিটালের শক্তি (\(n+l = 3+2 = 5\)) অপেক্ষা কম। তাই, ১৯তম ইলেকট্রনটি \(3p\) অরবিটাল পূর্ণ হওয়ার পর \(4s\) অরবিটালে প্রবেশ করে, অর্থাৎ ৪র্থ শক্তিস্তরে থাকে। উদ্দীপকেও ১৯তম ইলেকট্রনটিকে ৪র্থ শক্তিস্তরে দেখানো হয়েছে, যা আউফবাউ নীতিকে সমর্থন করে।

পাউলির বর্জন নীতির ক্ষেত্রে, উদ্দীপকে উল্লিখিত ১১তম এবং ১৯তম ইলেকট্রন দুটি ভিন্ন শক্তিস্তরে (যথাক্রমে ৩য় ও ৪র্থ) অবস্থিত। যেহেতু এই দুটি ইলেকট্রনের প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা (\(n\)) ভিন্ন, তাই এদের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার সেটও ভিন্ন হবে। উদাহরণস্বরূপ, ১১তম ইলেকট্রনের জন্য কোয়ান্টাম সংখ্যাগুলো হতে পারে (\(n=3, l=0, m_l=0, m_s=+1/2\)) এবং ১৯তম ইলেকট্রনের জন্য কোয়ান্টাম সংখ্যাগুলো হতে পারে (\(n=4, l=0, m_l=0, m_s=+1/2\))। যেহেতু এই দুটি ইলেকট্রনের কোয়ান্টাম সংখ্যার সেট ভিন্ন, সেহেতু তারা পাউলির বর্জন নীতিকে মেনে চলে। উদ্দীপকটি দুটি ভিন্ন ইলেকট্রনকে চিহ্নিত করেছে, যারা পরমাণুতে দুটি স্বতন্ত্র কোয়ান্টাম অবস্থা দখল করে আছে, যা পাউলির বর্জন নীতির পরিপন্থী নয়।

সুতরাং, উদ্দীপকে উল্লিখিত ১১তম এবং ১৯তম ইলেকট্রনের অবস্থান এবং তাদের স্বতন্ত্র প্রকৃতি উভয়ই আউফবাউ নীতি এবং পাউলির বর্জন নীতিকে সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
233

গুণগত রসায়ন

গুণগত রসায়ন হল রসায়নের একটি শাখা যা কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের মধ্যে কোন উপাদান বা যৌগ উপস্থিত আছে তা নির্ণয় করার সাথে সম্পর্কিত। এটি মূলত একটি পদার্থের গুণগত বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করার উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ, কোনো পদার্থ কী দিয়ে তৈরি, তা জানার চেষ্টা করা।

গুণগত বিশ্লেষণের উদ্দেশ্য

  • পদার্থের পরিচয়: কোনো অজানা পদার্থ কী দিয়ে তৈরি তা নির্ণয় করা।
  • শুদ্ধতা নিরূপণ: কোনো পদার্থ শুদ্ধ কিনা তা নির্ণয় করা।
  • মিশ্রণের উপাদান নির্ণয়: কোনো মিশ্রণে কোন কোন উপাদান রয়েছে তা নির্ণয় করা।
  • রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া বোঝা: বিভিন্ন রাসায়নিক প্রতিক্রিয়ার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ধরন বোঝা।

গুণগত বিশ্লেষণের পদ্ধতি

গুণগত বিশ্লেষণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:

  • শিখা পরীক্ষা: বিভিন্ন ধাতুকে আগুনে পোড়ালে তারা নির্দিষ্ট রঙের আলো দেয়। এই রঙের উপর ভিত্তি করে ধাতু চিহ্নিত করা হয়।
  • অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া: একটি দ্রবণে কোনো বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ যোগ করলে একটি অদ্রবণীয় পদার্থ তৈরি হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
  • গ্যাসীয় পরীক্ষা: কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নির্দিষ্ট গ্যাস উৎপন্ন হলে তা দিয়ে উপস্থিত আয়নকে চিহ্নিত করা যায়।
  • বর্ণালী বিশ্লেষণ: কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো নির্গত করে। এই আলোকে বিশ্লেষণ করে পদার্থের উপাদান নির্ণয় করা হয়।
  • ক্রোমাটোগ্রাফি: এই পদ্ধতিতে একটি মিশ্রণকে তার উপাদানে বিভক্ত করে বিশ্লেষণ করা হয়।

গুণগত বিশ্লেষণের ব্যবহার

গুণগত বিশ্লেষণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন:

  • রসায়ন: নতুন যৌগ আবিষ্কার, মিশ্রণ বিশ্লেষণ, শিল্পে ব্যবহৃত পদার্থের শুদ্ধতা নির্ণয়।
  • জীববিজ্ঞান: জৈব যৌগের বিশ্লেষণ, খাদ্য পদার্থের গুণগত বিশ্লেষণ।
  • পরিবেশ বিজ্ঞান: পানি, বায়ু এবং মাটিতে বিভিন্ন ধরনের দূষণকারী পদার্থের উপস্থিতি নির্ণয়।
  • ফরেনসিক বিজ্ঞান: অপরাধের ঘটনাস্থলে পাওয়া নমুনা বিশ্লেষণ করে অপরাধী শনাক্ত করা।
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews